বাংলা ভাষায় হাদিস এক্সপ্লোরার مكتشف الحديث باللغة الإنجليزية
 
Hadith   20



Esin Hadith ID


11168" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: فاطمة بضعة مني، فمن أغضبها أغضبني
থিম:

ফাতিমা আমার অংশ। যে তাকে কষ্ট দেবে সে যেনো আমাকে কষ্ট দিল।
থিম:

عن المسور بن مخرمة -رضي الله عنهما- مرفوعًا:   فاطمة بَضْعة مني، فمَن أغضبها أغضبني>.
থিম:

আল-মিসওয়ার ইবন মাখরামাহ রাদিয়াল্লাহু <'আনহুমা থেকে মারফু' সনদে বর্ণিত, "ফাতিমা আমার অংশ। যে তাকে কষ্ট দেবে সে যেনো আমাকে কষ্ট দিল।"
থিম:

يخبر النبي -صلى الله عليه وسلم- أن ابنته فاطمة جزءٌ منه، فمن أغضبها فكأنه أغضبه -صلى الله عليه وسلم-.
থিম:

নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু <'আনহা তাঁর অংশ। সুতরাং যে তাকে রাগান্বিত করবে সে যেনো তাঁকে রাগান্বিত করল। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11168

 
Hadith   21



Esin Hadith ID


11170" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: انظروا إلى هذا، يسألني عن دم البعوض، وقد قتلوا ابن النبي -صلى الله عليه وسلم-، وسمعت النبي -صلى الله عليه وسلم- يقول: هما ريحانتاي من الدنيا
থিম:

তোমরা এর দিকে লক্ষ্য করো। সে আমাকে মশার রক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছে; অথচ তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সন্তান (হুসাইন রাদিয়াল্লাহু   `আনহু) কে হত্যা করেছে। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, "ওরা দু'জন (হাসান ও হুসাইন) পৃথিবীতে আমার দু'টি সুগন্ধি ফুল।"
থিম:

عن ابن أبي نعم، قال: كنتُ شاهدا لابن عمر، وسأله رجل عن دم البَعُوض، فقال: ممن أنت؟ فقال: من أهل العراق، قال: انظروا إلى هذا، يسألني عن دم البَعُوض، وقد قتلوا ابن النبي صلى الله عليه وسلم، وسمعتُ النبي صلى الله عليه وسلم يقول:   هما رَيْحَانَتاي من الدنيا>.
থিম:

ইবন আবূ নু'আম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবন উমারের কাছে উপস্থিত ছিলাম। তখন তার কাছে একলোক মশার রক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলো। তিনি বললেন, কোন দেশের লোক তুমি? সে বলল, আমি ইরাকের অধিবাসী। তিনি বললেন, তোমরা এর দিকে লক্ষ্য করো। সে আমাকে মশার রক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছে; অথচ তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সন্তান (হুসাইন রাদিয়াল্লাহু   `আনহু) কে হত্যা করেছে। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, "ওরা দু'জন (হাসান ও হুসাইন) পৃথিবীতে আমার দু'টি সুগন্ধি ফুল।"
থিম:

أن رجلاً من أهل العراق سأل ابن عمر -رضي الله عنهما-: هل يجوز للرجل إذا كان محرماً أن يقتل الحشرات الصغيرة الضارة مثل البعوض أم لا؟ فقال متعجباً مستغرباً من اهتمام أمثال هذا الرجل بتوافه الأمور، مع جرأتهم على ارتكاب الكبائر، فقال:   انظروا إلى هذا، يسألني عن دم البَعُوض، وقد قتلوا ابن النبي -صلى الله عليه وسلم-!> أي: يرتكبون الموبقات ويجرؤون على قتل حفيد رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم بعد ذلك يظهرون كمال التقوى والورع في نسكهم، فيسألون عن قتل البعوض، ثم قال: قال النبي -صلى الله عليه وسلم-: <هما ريحانتاي من الدنيا   أي: أنهما أولادي أشمهما وأقبلهما، فكأنهما من جملة الرياحين الطيبة التي يشمها الناس.
থিম:

ইরাকের একলোক ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু   `আনহুমার কাছে জিজ্ঞাসা করলেন, মুহরিম অবস্থায় কারো জন্য ক্ষতিকারক ছোট প্রাণি যেমন মশা হত্যা করা কি বৈধ? অতিশয় ক্ষুদ্র বিষয়ে লোকটির গুরুত্ব দেওয়ায় তিনি আশ্চর্য হলেন; যদিও এরচেয়ে মারাত্মক ব্যাপারে তারা জড়িত। তিনি বললেন, "তোমরা এ লোকটির দিকে লক্ষ্য করো। সে আমাকে মশার রক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছে; অথচ তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সন্তানকে হত্যা করেছে।" অর্থাৎ তারা চির নিষিদ্ধ হারাম কাজে জড়িত, তারা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দৈহিত্রকে হত্যা করেছে। এরপরেও তারা হজের ব্যাপারে নিজেদের পরিপূর্ণ তাকওয়া ও আল্লাহভীতি দেখাতে চায়! ফলে তারা (ইহরাম অবস্থায়) মশা হত্যা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। অতঃপর তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, "ওরা দু'জন (হাসান ও হুসাইন) পৃথিবীতে দু'টি সুগন্ধি ফুল।" অর্থাৎ তারা আমার সন্তান, আমি তাদের ঘ্রাণ নেই, তাদেরকে চুম্বন করি। তারা যেন পবিত্র সুগন্ধি, মানুষ যার সুঘ্রাণ গ্রহণ করে। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11170

 
Hadith   22



Esin Hadith ID


11171" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: اللهم إني أحبه فأحبه، وأحب من يحبه
থিম:

হে আল্লাহ! আমি তাকে মহব্বত করি, অতএব তুমিও তাঁকে (হাসানকে) মহব্বত কর এবং তাকে যে মহব্বত করে তাকেও মহব্বত কর।
থিম:

عن أبي هريرة -رضي الله عنه- قال: كنتُ مع رسول الله -صلى الله عليه وسلم- في سوق من أسواق المدينة، فانصرف فانصرفتُ، فقال:   أين لُكَعُ -ثلاثا- ادعُ الحسن بن علي>. فقام الحسن بن علي يمشي وفي عنقه السِّخَاب، فقال النبي -صلى الله عليه وسلم- بيده هكذا، فقال الحسن بيده هكذا، فالتزمه فقال:   اللهم إني أُحبه فأَحبَّه، وأَحبَّ من يحبه>. وقال أبو هريرة: فما كان أحد أحب إليَّ من الحسن بن علي، بعد ما قال رسول الله -صلى الله عليه وسلم- ما قال.
থিম:

আবূ হুরাইরাহ্ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মদিনার বাজারসমূহ হতে কোনো এক বাজারে উপস্থিত ছিলাম। তিনি চললেন আমিও চললাম। তারপর তিনি বললেন, খোকা কোথায়-তিনবার   বললেন-হাসান ইবন আলীকে ডাক"। ফলে হাসান ইবন আলী ওঠে হেঁটে আসতে লাগল এমতাবস্থায় যে তার গর্দানে মালা ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হত দিয়ে এরূপ বললেন, হাসানাও হাত দিয়ে এরূপ করলেন। এবং তিনি তাকে জড়িয়ে ধরলেন এবং বললেন, "হে আল্লাহ! আমি তাকে মহব্বত করি, অতএব তুমিও তাঁকে (হাসানকে) মহব্বত কর এবং তাকে যে মহব্বত করে তাকেও মহব্বত কর"। আর আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন তা বলার পর আমার কাছে হাসান ইবনে আলী থেকে আর কেউ অধিক প্রিয় ছিল না।
থিম:

كان أبو هريرة -رضي الله عنه- مع رسول الله -صلى الله عليه وسلم- في سوق من أسواق المدينة، فانصرف -عليه الصلاة والسلام- من السوق وانصرف معه أبو هريرة، فأتى -صلى الله عليه وسلم-    إلى بيت فاطمة -رضي الله عنها- فسأل عن الحسن -رضي الله عنه- فقال:   أين لُكَع   يعني: أين الطفل الصغير؟ ادعوه لي، فقام الحسن بن علي يمشي وفي عنقه قلادة فمد النبي -صلى الله عليه وسلم- يده ليعانق الحسن، ومد الحسن يده فاعتنقا، فقال النبي -صلى الله عليه وسلم-: اللهم إني أحب الحسن فأحبه، وأحب كل من يحبه. قال أبو هريرة: فما كان أحد أحب إلي من الحسن بن علي -رضي الله عنهما- بعدما قال رسول الله -صلى الله عليه وسلم- ما قال.
থিম:

আবূ হুরায়রা রাদিয়ালাল্লাহ <'আনহু নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে মদীনার বাজারসমূহের কোন এক বাজারে ছিলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাজার থেকে ফিরে এলেন আবূ হুরায়রাও তার সাথে ফিরে এলো। সেখান হতে ফিরে এসে তিনি ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা-এর ঘরের সামনে আসলেন। তারপর তিনি হাসান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে বললেন, খোকা-ছোট বাচ্চা-কোথায়? তাকে আমার নিকট ডাক। তখন হাসান রাদিয়াল্লাহু <'আনহু পায়ে হেঁটে তার দিকে অগ্রসর হচ্ছিল, তার গলায় ছিল একটি হার। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জড়িয়ে ধরার জন্য সামনের দিকে হাত বাড়ালেন এবং হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহুও হাত বাড়ালেন। তারপর উভয়ে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করলেন। তখন তিনি বললেন, "হে আল্লাহ! আমি হাসানকে মহব্বত করি, অতএব তুমিও তাঁকে মহব্বত কর এবং তাকে যে মহব্বত করে তাকেও মহব্বত কর"। আবূ হুরায়রা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন তা বলার পর আমার কাছে হাসান ইবনে আলী থেকে আর কেউ অধিক প্রিয় ছিল না। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11171

 
Hadith   23



Esin Hadith ID


11172" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: أخرج النبي -صلى الله عليه وسلم- ذات يوم الحسن، فصعد به على المنبر، فقال: ابني هذا سيد، ولعل الله أن يصلح به بين فئتين من المسلمين
থিম:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন হাসানকে নিয়ে বের হলেন। অতঃপর তাকে নিয়ে মিম্বরে উঠলেন এবং বললেন, "আমার এ সন্তান নেতা। সম্ভবত তাঁর মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা মুসলিমদের দু'টি দলের মধ্যে মীমাংসা করাবেন।
থিম:

عن أبي بكرة -رضي الله عنه- قال: أخرج النبي -صلى الله عليه وسلم- ذات يوم الحسن، فصعد به على المنبر، فقال:   ابني هذا سيِّد، ولعلَّ اللهَ أن يُصلحَ به بين فئتين من المسلمين>.
থিম:

আবূ বাকরাহ রাদিয়াল্লাহু <'আনহু বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন হাসানকে নিয়ে বের হলেন। অতপর তাকে নিয়ে মিম্বরে উঠলেন এবং বললেন, "আমার এ সন্তান নেতা। সম্ভবত তাঁর মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা মুসলিমদের দু'টি দলের মধ্যে মীমাংসা করাবেন।"
থিম:

أخرج النبي -صلى الله عليه وسلم- ذات يوم الحسن معه إلى المسجد وهو غلام صغير، فصعد به على منبر مسجده الشريف، وأخبر الناس أن ابنه الحسن سيد، كريم الأصل، شريف النسب، ينتمى إلى أشرف بيت وُجد على وجه الأرض، وأن الله -سبحانه- سيصلح به بين جماعتين متخاصمتين متقاتلتين من المسلمين، فيجمع الله به بين تلك الجماعتين خاصة، ويلتئم بذلك شمل المسلمين عامة.
ولا شك أن في هذا الحديث الشريف علامة من علامات نبوته -صلى الله عليه وسلم- حيث أخبر فيه -صلى الله عليه وسلم- على ما يقوم به هذا السيد الكريم الحسن بن علي -رضي الله عنهما- من جمع كلمة المسلمين، والإِصلاح بينهم، ورفع النزاع بين الطائفتين، ووقع ذلك بتنازله عن الخلافة لمعاوية، مما أدى إلى التئام الشمل، وحقن الدماء، وذلك في عام الجماعة سنة 40 أو 41.

থিম:

নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন হাসানকে নিয়ে মসজিদের পানে বের হলেন। তখন সে (হাসান) খুব ছোট ছিলেন। অতঃপর তাকে নিয়ে মসজিদের মিম্বরে উঠলেন এবং লোকদেরকে এ সংবাদ দিলেন যে, তাঁর সন্তান হাসান নেতা, সম্মানিত ঔরশের ও মর্যাদাবান বংশের। পৃথিবীর বুকে সর্বোৎকৃষ্ট সম্মানিত ঘরে যার বংশমূল। তাঁর মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা বিবাদ ও যুদ্ধরত মুসলিমদের দু'টি দলের মধ্যে মীমাংসা করাবেন। ফলে আল্লাহ তাঁর দ্বারা দু'টি জামা'আতকে একত্রিত করাবেন। এভাবে তাঁর দ্বারা মুসলিমদের ঐক্যকে সুসংহত করবেন। নিঃসন্দেহে এ হাদীস শরীফে রয়েছে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়াতের প্রমাণ। যেহেতু নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সম্মানিত নেতা হাসান ইবন 'আলী রাদিয়াল্লাহু <'আনহুমা সম্পর্কে ভবিষ্যৎ বাণী করেছেন যে, আল্লাহ তার দ্বারা মুসলিমদের কালিমা একত্রিত করাবেন, তাদের মধ্যে সংশোধন করাবেন এবং দু'দলের মতানৈক্য দূরীভুত করাবেন। আর বাস্তবেই তা হয়েছিল নিজে খিলাফাত থেকে পদত্যাগ করে মু'আবিয়া রাদিয়াল্লাহু <'আনহুর জন্য খিলাফাত ছেড়ে দেওয়ার মাধ্যমে। যার ফলে মুসলিমদের ঐক্য সুসংহত হয়েছে ও তাদের মধ্যে রক্তপাত বন্ধ হয়েছে। আর তা ছিলো ৪০অথবা ৪১ হিজরীতে। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11172

 
Hadith   24



Esin Hadith ID


11173" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: من أحب الحسن والحسين فقد أحبني، ومن أبغضهما فقد أبغضني
থিম:

যে ব্যক্তি হাসান ও হুসাইনকে ভালোবাসবে সে যেনো আমাকে ভালোবাসল। আর যে তাদেরকে অপছন্দ করবে সে যেনো আমাকে অপছন্দ করল।
থিম:

عن أبي هريرة -رضي الله عنه- قال: قال النبي -صلى الله عليه وسلم-: <مَن أحبَّ الحسن والحُسين فقد أحبَّني، ومَن أبغضهما فقد أبغضني>.
থিম:

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "যে ব্যক্তি হাসান ও হুসাইনকে ভালোবাসবে সে যেনো আমাকে ভালোবাসল। আর যে তাদেরকে অপছন্দ করবে সে যেনো আমাকে অপছন্দ করল।"
থিম:

من أحب الحسن والحسين سبطي النبي -صلى الله عليه وسلم- فقد أحب النبي -صلى الله عليه وسلم-، ومن كرههما فقد كره النبي -صلى الله عليه وسلم-، وهذا دليل على مكانتهما.
থিম:

যে ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দৈহিত্রদ্বয় হাসান ও হুসাইনকে ভালোবাসবে সে যেনো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালোবাসল। আর যে তাদেরকে অপছন্দ করবে সে যেনো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অপছন্দ করল। এটি তাদের সুউচ্চ মর্যাদার দলীল। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি ইবন মাজাহ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11173

 
Hadith   25



Esin Hadith ID


11174" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: خيركم خيركم لأهلي من بعدي، قال: فباع عبد الرحمن بن عوف حديقة بأربع مائة ألف، فقسمها في أزواج النبي -صلى الله عليه وسلم-
থিম:

আমার মৃত্যুর পরে তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তিই উত্তম যে আমার পরিবারের কাছে উত্তম।" বর্ণনাকারী বলেন, আব্দুর রহমান ইবন 'আউফ চার লাখে একটি বাগান বিক্রয় করে তা নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীদের মধ্যে বণ্টন করে দেন।
থিম:

عن أبي هريرة -رضي الله عنه-، قال: قال رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: <خيرُكم خيركم لأهلي مِن بعدي>. قال: فباع عبد الرحمن بن عوف حديقةً بأربع مائة ألف، فقسَّمها في أزواج النبي -صلى الله عليه وسلم-.
থিম:

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "আমার মৃত্যুর পরে তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তিই উত্তম যে আমার পরিবারের কাছে উত্তম।" বর্ণনাকারী বলেন, আব্দুর রহমান ইবন 'আউফ চার লাখে একটি বাগান বিক্রয় করে তা নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীদের মধ্যে বণ্টন করে দেন।"
থিম:

خيركم أيها الصحابة خيركم لأهلي: زوجاتي وعيالي وأقاربي من بعد وفاتي.
وقد قبل الصحابة وصيته -صلى الله عليه وسلم- فقابلوهم بالإكرام والاحترام، فمن ذلك أن عبد الرحمن بن عوف -رضي الله عنه- باع حديقة بأربع مائة ألف، فقسَّمها بين أزواج النبي -صلى الله عليه وسلم-.

থিম:

হে সাহাবীগণ, আমার মৃত্যুর পরে তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তিই উত্তম যে আমার পরিবার পরিজন, সন্তান-সন্তুতি ও আত্মীয়-স্বজনের কাছে উত্তম। সাহাবীগণ নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লামের এ অসিয়াত খেয়াল রেখেছেন। তারা তাঁর পরিবার পরিজন ও আত্মীয়-স্বজনকে অত্যন্ত সম্মানের সাথে গ্রহণ করেছেন। যেমন আব্দুর রহমান ইবন 'আউফ চার লাখে একটি বাগান বিক্রয় করে তা নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীদের মধ্যে বণ্টন করেছেন। Esin Hadith Grade English


[হাসান]    ← →   

[এটি ইবন আবী 'আসেম বর্ণনা করেছেন। - এটি হাকিম বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11174

 
Hadith   26



Esin Hadith ID


11175" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: ما غرت على نساء النبي -صلى الله عليه وسلم-، إلا على خديجة، وإني لم أدركها، قالت: وكان رسول الله -صلى الله عليه وسلم- إذا ذبح الشاة، فيقول: أرسلوا بها إلى أصدقاء خديجة
থিম:

খাদীজা রাদিয়াল্লাহু আন্হার প্রতি আমার যতটা ঈর্ষা হতো, ততটা ঈর্ষা নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অপর কোন স্ত্রীর প্রতি হতো না, অথচ আমি তাঁকে পায়নি। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই ছাগল যবাই করতেন, তখন বলতেন এটা খাদীজার বান্ধবীদের নিকট পাঠিয়ে দাও।
থিম:

عن عائشة -رضي الله عنها- قالت: ما غِرْتُ على نساء النبي -صلى الله عليه وسلم- إلا على خديجة، وإني لم أُدركها، قالت: وكان رسول الله -صلى الله عليه وسلم- إذا ذبح الشاة، فيقول:   أرسلوا بها إلى أصدقاء خديجة>، قالت: فأغضبتُه يوما، فقلتُ: خديجة، فقال رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: <إني قد رُزِقْتُ حُبَّها>.
থিম:

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, খাদীজা রাদিয়াল্লাহু আন্হার প্রতি আমার যতটা ঈর্ষা হতো, ততটা ঈর্ষা নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অপর কোন স্ত্রীর প্রতি হতো না, অথচ আমি তাঁকে পায়নি। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই ছাগল যবাই করতেন, তখন বলতেন এটা খাদীজার বান্ধবীদের নিকট পাঠিয়ে দাও।" একবার আমি তাকে ক্ষুব্ধ করলাম। আমি বললাম,খাদীজা! তখন তিনি বললেন, "আমাকে তার মহব্বত প্রদান করা হয়েছে"।
থিম:

تخبر عائشة -رضي الله عنها- أنها ما غارت على أحد من نساء النبي -صلى الله عليه وسلم- إلا على خديجة -رضي الله عنها-، مع أن خديجة ماتت قبل أن تتزوج عائشة من النبي -صلى الله عليه وسلم-، وكان رسول الله -صلى الله عليه وسلم- إذا ذبح الشاة أرسل بها إلى صديقات خديجة، فأغضبت عائشةُ النبي -صلى الله عليه وسلم- يومًا، وقالت له إنه يكثر من ذكر خديجة، فأخبرها رسول الله -صلى الله عليه وسلم- أن الله قد رزقه حبها.
থিম:

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সংবাদ দেন, খাদীজা রাদিয়াল্লাহু আন্হার প্রতি তার যতটা ঈর্ষা হতো, ততটা ঈর্ষা নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অপর কোন স্ত্রীর প্রতি হতো না, অথচ আয়েশার রাদিয়াল্লাহু আনহার সাথে রাসূলের বিবাহ হওয়ার পূর্বের খাদিজা মারা যান। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই ছাগল যবাই করতেন, তখনই তা খাদীজার বান্ধবীদের জন্য পাঠিয়ে দিতেন। একবার আয়েশা রাসূলুল্লাহকে ক্ষেপালেন এবং তাকে বললেন, সে খাদিজার কথা বেশি বলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সংবাদ দিলেন "আমাকে তার মহব্বত প্রদান করা হয়েছে"। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11175

 
Hadith   27



Esin Hadith ID


11176" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: لم يتزوج النبي -صلى الله عليه وسلم- على خديجة حتى ماتت
থিম:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাদিজা জীবিত থাকাকালীন আর কাউকে বিয়ে করেন নি।
থিম:

عن عائشة -رضي الله عنها-، قالت:   لم يتزوج النبي -صلى الله عليه وسلم- على خديجة حتى ماتت>.
থিম:

আয়েশা রাদিয়াল্লাহ আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাদিজা জীবিত থাকাকালীন আর কাউকে বিয়ে করেন নি।"
থিম:

لم يتزوج النبي -صلى الله عليه وسلم- على خديجة بنت خويلد -رضي الله عنها- حتى ماتت, وهذا يدل على مكانة خديجة عند النبي -صلى الله عليه وسلم-، وهي أولى زوجاته.
থিম:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাদিজা বিনত খুওয়ালিদ রাদিয়াল্লাহু আনহা জীবিত থাকাকালীন আর কাউকে বিয়ে করেন নি। এটি মূলত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে খাদিজার মর্যাদা প্রমাণ করে। তিনি ছিলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রথম স্ত্রী। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11176

 
Hadith   28



Esin Hadith ID


11177" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: أن جبريل جاء بصورة عائشة في خرقة حرير خضراء إلى النبي -صلى الله عليه وسلم-، فقال: هذه زوجتك في الدنيا والآخرة
থিম:

জিবরীল রেশমের সবুজ একটি কাপড়ের টুকরায় আয়েশার ছবি নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন এবং বললেন, এ তোমার দুনিয়া ও আখিরাতে স্ত্রী।
থিম:

عن عائشة -رضي الله عنها-، أنَّ جبريل جاء بصورتها في خِرْقَة حَرير خضراء إلى النبي -صلى الله عليه وسلم-، فقال:   هذه زوجتُك في الدنيا والآخرة>.
থিম:

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত: "জিবরীল রেশমের সবুজ একটি কাপড়ের টুকরায় আয়েশার ছবি নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন এবং বললেন, এ তোমার দুনিয়া ও আখিরাতে স্ত্রী"।
থিম:

جاء جبريل في المنام إلى النبي -صلى الله عليه وسلم- بعائشة -رضي الله عنها- في قطعة حرير خضراء، والمراد إتيان منامي وليس في الحقيقة، فقال للنبي -صلى الله عليه وسلم-: هذه المرأة هي زوجتك في الدنيا والآخرة.
থিম:

জিবরীল আলাইহিস সালাম ঘুমের মধ্যে রাসূলুল্লাহর নিকট সবুজ একটি রেশমি কাপড়ের টুকরায় আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে নিয়ে আসেন। এখানে উদ্দেশ্য ঘুমের মধ্যে নিয়ে আসা বাস্তবে নয়। তারপর তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেন, এ মহিলা যিনি দুনিয়া ও আখিরাতে তোমার স্ত্রী। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11177

 
Hadith   29



Esin Hadith ID


11188" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: إن إبراهيم ابني وإنه مات في الثدي، وإن له لظئرين تكملان رضاعه في الجنة
থিম:

নিশ্চয় ইব্রাহীম আমার ছেলে, সে দুধপান অবস্থায় মারা গিয়েছে। তার জন্য জান্নাতে দুইজন দূধ পানকারিনী রয়েছে যারা তার দুধ পান করার (অসম্পন্ন) সময়কে সম্পন্ন করবে।
থিম:

عن أنس بن مالك -رضي الله عنه- قال:   ما رأيتُ أحدا كان أرحم بالعِيال من رسول الله -صلى الله عليه وسلم->، قال:   كان إبراهيم مُسْتَرضَعًا له في عَوَالي المدينة، فكان ينطلق ونحن معه، فيدخل البيت وإنه ليُدَخَّن، وكان ظِئْره قَيْنًا، فيأخذه فيُقبِّله، ثم يرجع>.
قال عمرو: فلما تُوفي إبراهيم قال رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: <إن إبراهيم ابني، وإنه مات في الثَّدي، وإن له لظِئْرين تُكمِلان رضاعه في الجنة>.

থিম:

আনাস ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সন্তানদের প্রতি রাসূলের চেয়ে অধিক দয়ালু আর কাউকে আমি দেখিনি"। তিনি বলেন, "মদীনার নিকটস্থ গ্রামে ইব্রাহীমের একজন দুধপানকারিনী ছিল। তাই তিনি সেখানে যেতেন। আমরাও তার সাথে থাকতাম। তিনি ঘরে প্রবেশ করতেন তখন ঘরটি ধোঁয়ায় ভরা থাকত। কারণ তার স্বামী ছিল কামার। তিনি তাকে কোলে তুলে নিতেন এবং চুমু দিতেন তারপর ফিরে আসতেন। আমর বলেন, ইব্রাহীম মারা গেলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "নিশ্চয় ইব্রাহীম আমার ছেলে, সে দুধপান অবস্থায় মারা গিয়েছে। তার জন্য জান্নাতে দুইজন দূধ পানকারিনী রয়েছে যারা তার দুধ পান করার (অসম্পন্ন) সময়কে সম্পন্ন করবে"।
থিম:

يخبر أنس بن مالك -رضي الله عنه- أنه ما رأى أحدا كان أرحم بالعِيال والأطفال الصغار من رسول الله -صلى الله عليه وسلم-، وكان إبراهيم ابن النبي -صلى الله عليه وسلم- ترضعه مرضعة في قرى عند المدينة، فكان -صلى الله عليه وسلم- يذهب وبعض الصحابة معه ليزوره، فيدخل البيت فيجد البيت يدخن؛ وذلك لأن زوج مرضعته كان حدادًا، فكان النبي -صلى الله عليه وسلم- يأخذ إبراهيم فيُقبِّله ثم يرجع، فلما تُوفي إبراهيم قال رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: إن إبراهيم ابني، وإنه مات وهو في سن الرضاع، وإن له مرضعتين تتمان رضاعه في الجنة حتى يتم السنتين؛ وذلك لأن إبراهيم توفي وله ستة عشر شهرا أو سبعة عشر شهرا، فترضعانه بقية السنتين فإنه تمام الرضاعة بنص القرآن، وهذا كرامة له ولأبيه -صلى الله عليه وسلم-.
থিম:

আনাস ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু <'আনহু জানান যে, তিনি বলেন, পরিবার ও ছোট সন্তানদের প্রতি রাসূলের চেয়ে অধিক দয়ালু আর কাউকে দেখেননি। মদীনার নিকটস্থ একটি গ্রামে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামে ছেলে ইব্রাহীমকে একজন দুধপানকারিনী দুধ পান করাতো। তাই রাসূলু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সাথে কতক সাহাবী তাকে দেখতে যেত। তিনি ঘরে প্রবেশ করতেন তখন দেখতেন ঘর ধোয়া ছড়াচ্ছে। এর কারণ হলো, দুধপানকারিনীর স্বামী ছিল কামার। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইব্রাহীমকে কোলে তুলে নিতেন এবং চুমু দিতেন তারপর ফিরে আসতেন। ইব্রাহীম মারা গেলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয় ইব্রাহীম আমার ছেলে, সে দুধপান অবস্থায় মারা গিয়েছে। তার জন্য জান্নাতে দুইজন দূধ পানকারিনী রয়েছে যারা জান্নাতে তার দুধ পান করার (অসম্পন্ন) সময়কে সম্পন্ন করবে। অর্থাৎ দুই বছর। কারণ, ইব্রবাহী যখন মারা যায় তখন তার বয়স ছিল ষোল বা সতেরো মাস। তাই অবশিষ্ট সময় গুলো তারা তাকে দুধ পান করাবেন। কারণ, দুই বছর হওয়া কুরআনের আয়াত দ্বারা প্রমাণিত। এটি তার ও তার পিতা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সম্মান। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11188

 
Hadith   30



Esin Hadith ID


11190" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: إن لكل أمة أمينا، وإن أميننا -أيتها الأمة- أبو عبيدة بن الجراح
থিম:

প্রত্যেক উম্মতের একজন আমানতদার আছে। আর এ উম্মতের আমানতদার হলো আবূ উবাইদাহ ইবনুর জাররাহ।
থিম:

عن أنس بن مالك -رضي الله عنه- مرفوعًا:   إنَّ لكل أُمَّة أمِينًا، وإنَّ أمِيننا -أيتُها الأمة- أبو عُبيدة بن الجَرَّاح>.
থিম:

আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু <'আনহু হতে মারফূ' হিসেবে বর্ণিত: "প্রত্যেক উম্মতের একজন আমানতদার আছে। আর এ উম্মতের আমানতদার হলো আবূ উবাইদাহ ইবনুর জাররাহ"।
থিম:

في كل أمة من الأمم رجل أمين اشتهر بالأمانة أكثر من غيره، وأشهر هذه الأمة بالأمانة أبو عبيدة عامر بن الجراح -رضي الله عنه-، فإنه وإن كانت الأمانة صفة مشتركة بينه وبين الصحابة -عليهم الرضوان-، لكن سياق الحديث يشعر بأنه يزيد عليهم في ذلك.
থিম:

প্রত্যেক উম্মতের মধ্যে একজন আমানতদার ব্যক্তি থাকে যিনি অন্যদের তুলনায় আমানতদারিতার সাথে বেশি প্রসিদ্ধ হন। আর এ উম্মতের মধ্যে আমানতদারিতার সাথে প্রসিদ্ধি লাভ করেছেন আবূ উবাইদাহ আমের ইবনু জাররাহ রাদিয়াল্লাহু। যদিও আমানতদারিতা এমন একটি গুণ যা তার মধ্যে এবং সাহাবীদের মধ্যে অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু হাদীসের বর্ণনার পেক্ষাপট ইঙ্গিত দেয় যে, তিনি তাদের তুলনায় এ বিষয়ে কিছুটা হলেও বেশি। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11190

 
Hadith   31



Esin Hadith ID


11191" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: كان على النبي -صلى الله عليه وسلم- درعان يوم أحد، فنهض إلى الصخرة، فلم يستطع، فأقعد طلحة تحته، فصعد النبي -صلى الله عليه وسلم- عليه حتى استوى على الصخرة، فقال: سمعت النبي -صلى الله عليه وسلم- يقول: أوجب طلحة
থিম:

উহুদের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট দুটি বল্লম ছিল। তিনি পাথরে উঠতে চাইলেন কিন্তু পারলেন না। ফলে তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তার নিচে বসালেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উপর ভর করে পাথরের উপর উঠে সোজা হয়ে দাঁড়ালেন। তারপর তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি তিনি বলেন, তালহার ওপর ওয়াজিব করে দিন।
থিম:

عن الزُّبير بن العَوَّام -رضي الله عنه- قال: كان على النبي -صلى الله عليه وسلم- دِرْعان يوم أحد، فنهض إلى الصَّخرة فلم يستطع، فأَقعد طلحة تحته، فصعد النبي -صلى الله عليه وسلم عليه- حتى استوى على الصخرة، فقال: سمعتُ النبي -صلى الله عليه وسلم- يقول:   أَوْجِبْ طلحة>.
থিম:

যুবাইর ইবনুল আওয়াম রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, উহুদের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট দুটি বল্লম ছিল। তিনি পাথরে উঠতে চাইলেন কিন্তু পারলেন না। ফলে তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তার নিচে বসালেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উপর ভর করে পাথরের উপর উঠে সোজা হয়ে দাঁড়ালেন। তারপর তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি তিনি বলেন, তালহার ওপর ওয়াজিব করে দিন।
থিম:

كان النبي -صلى الله عليه وسلم- يلبس قميصين من حديد؛ لحمايته من طعنات الأعداء في غزوة أحد، فقام متوجها لصخرة؛ ليصعد عليها فلم يستطع، فجاء طلحة -رضي الله عنه- فقعد تحت النبي -صلى الله عليه وسلم- فصعد عليه حتى صعد على الصخرة، فقال النبي -صلى الله عليه وسلم-: <أوجب طلحة>؛ أي: أن طلحة قد أثبت لنفسه بعمله هذا أو بما فعل في ذلك اليوم الجنة، واستحقها بما عمل.
থিম:

উহুদের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুশমনের আক্রমণ থেকে আত্মরক্ষার জন্য লোহার দুটি পোশাক পরিধান করেন। তারপর তিনি একটি পাথরের দিকে অগ্রসর হয়ে উঠতে চাইলেন কিন্তু পারলেন না। ফলে তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিচে বসলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উপর ভর করে পাথরের উপর উঠে সোজা হয়ে দাঁড়ালেন। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তালহার ওপর ওয়াজিব করে দিন। অর্থাৎ, তালহা তার নিজের জন্য এ আমল দ্বারা অথবা আজকের দিন সে যা করেছে তা দ্বারা জান্নাত ওয়াজিব করে নিল এবং সে যা করেছে তার দ্বারা সে জান্নাতের হকদার হয়ে গেল। Esin Hadith Grade English


[হাসান]    ← →   

[এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11191

 
Hadith   32



Esin Hadith ID


11192" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: إن لكل نبي حواريا، وحواري الزبير
থিম:

প্রত্যেক নাবীর হাওয়ারী (জানবাজ সাথী) ছিল, আমার হাওয়ারী হলো যুবায়র।
থিম:

عن جابر -رضي الله عنهما- قال: قال النبي -صلى الله عليه وسلم-: <مَن يأتيني بخبر القوم؟   يوم الأحزاب. قال الزُّبير: أنا، ثم قال:   مَن يأتيني بخبر القوم؟>، قال الزُّبير: أنا، فقال النبي -صلى الله عليه وسلم-: <إنَّ لكل نبي حَوَاريًّا، وحَوَاريِّ الزُّبير>.
থিম:

জাবির রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, খন্দকের যুদ্ধের দিন নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কে আমাদের নিকট (কাফির) সম্প্রদায়ের তথ্য সংগ্রহ করে নিয়ে আসবে? যুবায়ের বললেন, আমি। তিনি পুনরায় বলেন, কে আমাদের নিকট (কাফির) সম্প্রদায়ের তথ্য সংগ্রহ করে নিয়ে আসবে? যুবায়ের বললেন, আমি। তখন নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, প্রত্যেক নবীর হাওয়ারী (জানবাজ সাথী) ছিল, আমার হাওয়ারী হলো যুবায়ের।
থিম:

لما كانت غزوة الأحزاب وجاءت قريش وغيرهم إلى المدينة؛ ليقاتلوا المسلمين، وحفر النبي صلى الله عليه وسلم الخندق، بلغ المسلمين أن بني قريظة من اليهود نقضوا العهد الذي كان بينهم وبين المسلمين، ووافقوا قريشا على حرب المسلمين، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: من يأتيني بخبر بني قريظة؟ فقال الزبير بن العوام: أنا آتيك بخبرهم، ثم قال عليه الصلاة والسلام مرة أخرى: من يأتيني بخبر بني قريظة؟ فقال الزبير: أنا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم حينئذ: إن لكل نبي ناصرًا، وناصري هو الزبير.
থিম:

খন্দকের যুদ্ধে কুরাইশ এবং অন্যান্যরা মুসলিমদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য মদীনার দিকে রওয়ানা দিলেন। রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লা পরীখা খনন করলেন। ইতি মধ্যে মুসলিমদের নিকট সংবাদ পৌঁছলো যে, বনূ কুরায়যার ইয়াহুদীরা মুসলিমদের মাঝে ও তাদের মাঝে যে চুক্তি ছিল তা ভঙ্গ করেছে এবং তারা মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য কুরাশদের সাথে একত্র হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কে আমাদের নিকট বনু কুরাইযার তথ্য সংগ্রহ করে নিয়ে আসবে? যুবায়ের ইবনুল আওয়াম বললেন, আমি। অতঃপর দ্বিতীয়বার নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমাদের কাছে বুন কুরাইযার সংবাদ কে নিয়ে আসবে? যুবায়ের বললেন; আমি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: প্রত্যেক নাবীর হাওয়ারী (জানবাজ সাথী) ছিল, আমার হাওয়ারী হলো যুবায়ের। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11192

 
Hadith   33



Esin Hadith ID


11193" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: الزبير ابن عمتي، وحواري من أمتي
থিম:

যুবাইর আমার চাচাত ভাই এবং আমার উম্মাত থেকে আমার সাহায্যকারী।
থিম:

عن جابر بن عبد الله -رضي الله عنه- مرفوعًا:   الزُّبير ابن عَمَّتي، وحَوَاريِّ من أُمَّتي>.
থিম:

জাবের ইবন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মারফূ হিসেবে বর্ণিত: "যুবাইর আমার চাচাত ভাই এবং আমার উম্মাত থেকে আমার সাহায্যকারী"।
থিম:

يخبر النبي -صلى الله عليه وسلم- أن الزبير بن العوام -رضي الله عنه- هو ابن عمته صفية بنت عبد المطلب -رضي الله عنها-، وأنه ناصره من أمته.
থিম:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দেন যে, যুবাইর ইবনুল আওয়াম ফুফী সুফিয়্যাহ বিনতে আব্দুল মুত্তালিবের ছেলে। আর তিনি তার উম্মতের মধ্য হতে তার সাহায্যকারী। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11193

 
Hadith   34



Esin Hadith ID


11194" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: أقبل سعد، فقال النبي -صلى الله عليه وسلم-: هذا خالي فليرني امرؤ خاله
থিম:

সা'আদ আগমন করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন ইনি হলেন আমার মামা অতএব (আমার মামার মতো) কেউ তার মামাকে দেখাক।
থিম:

عن جابر بن عبد الله -رضي الله عنهما-، قال: أقبل سعد، فقال النبي -صلى الله عليه وسلم-: <هذا خالي فليُرِني امرؤٌ خالَه>.
থিম:

জাবের ইবন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, "সা'আদ আগমন করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন ইনি হলেন আমার মামা অতএব (আমার মামার মতো) কেউ তার মামাকে দেখাক"।
থিম:

أقبل سعد بن أبي وقاص -رضي الله عنه- إلى مجلس النبي -صلى الله عليه وسلم- فلما رآه النبي -صلى الله عليه وسلم- قال: هذا خالي أتباهى به، فليُرني أي إنسان خاله؛ ليظهر حينئذ أنه ليس لأحد خال مثل خالي، وكان سعد من بني زهرة، وكانت أم النبي -صلى الله عليه وسلم- آمنة من بني زهرة أيضًا، فهو قريب آمنة، وأقارب الأم أخوال.
থিম:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মজলিশে সা'আদ ইবন আবী ওয়াক্কাস আগমন করল। যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দেখে বললেন, এ আমার মামা তাকে নিয়ে আমি গর্ব করি। কোন মানুষ যেন তার মামা আমাকে দেখায়। যাতে তখন এ কথা স্পষ্ট হয় যে, আমার মামার মতো আর কারো মামা নেই। সা'আদ বনু যুহরার একজন ছিলেন। আর রাসূলের মাতা আমিনাহও বনু যুহরার একজন। সাদ আমিনার আত্মীয় আর মায়ের আত্মীয়রা সাধারণত মামা হয়ে থাকে। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11194

 
Hadith   35



Esin Hadith ID


11195" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: ما رأيت النبي -صلى الله عليه وسلم- يفدي رجلا بعد سعد، سمعته يقول: ارم فداك أبي وأمي
থিম:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি দেখিনি সা'দ ব্যতীত অন্য কোন মানুষকে উৎসর্গ করেছেন। আমি তাকে বলতে শুনেছি, "(হে সা'দ) তুমি তীর নিক্ষেপ কর আমার মাতা পিতা তোমার জন্য কুরবান হোক।
থিম:

عن علي -رضي الله عنه- قال: ما رأيتُ النبيَّ -صلى الله عليه وسلم- يُفَدِّي رجلًا بعد سعد سمعتُه يقول:   ارم فداك أبي وأمي>.
থিম:

আলী ইবন আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি দেখিনি সা'দ ব্যতীত অন্য কোন মানুষকে উৎসর্গ করেছেন। আমি তাকে বলতে শুনেছি, "(হে সা'দ) তুমি তীর নিক্ষেপ কর আমার মাতা পিতা তোমার জন্য কুরবান হোক"।
থিম:

يخبر علي -رضي الله عنه- أنه ما رأى النبي -صلى الله عليه وسلم- يُفدِّي رجلًا بعد سعد بن أبي وقاص -رضي الله عنه-، حيث سمع النبي -صلى الله عليه وسلم- يقول له في غزوة أحد: ارم الكفار بالنبال، أفديك بأبي وأمي. أي: أقدم أبوي؛ ليكونا فداء لك وتسلم، وقد ثبت في الحديث الصحيح أن النبي -صلى الله عليه وسلم- فدَّى الزبير -رضي الله عنه- بأبويه في غزوة الخندق، ويجمع بينهما باحتمال أن يكون علي -رضي الله عنه- لم يطلع على ذلك، أو مراده ذلك بقيد غزوة أحد.
থিম:

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু সংবাদ দেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেননি সা'আদ ইবন আবী ওয়াক্কাস ব্যতীত কোন মানুষকে উৎসর্গ করেছেন। তিনি ওহুদের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শুনেছেন, তিনি সা'দকে বলছেন: তুমি তীর দ্বারা কাফিরদের ওপর আক্রমণ কর আমার মাতা পিতা তোমার জন্য উৎসর্গ করলাম। অর্থাৎ, আমি আমার মাতা পিতাকে পেশ করলাম যাতে তারা তোমার ফিদয়া হয় এবং তুমি নিরাপদ থাকো। সহীহ হাদীসে প্রমাণিত যে, খন্দকের যুদ্ধে যুবাইরের জন্য তিনি তার মাতা পিতাকে উৎসর্গ করেন। উভয়ের মধ্যে এভাবে সামঞ্জস্য স্থাপন করা হবে যে, হতে পারে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এ বিষয়টি জানতেন না অথবা তার উদ্দেশ্য উহুদের যুদ্ধের বিষয়টি আলোচনা করা। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11195

 
Hadith   36



Esin Hadith ID


11196" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: إن أمركن لمما يهمني بعدي، ولن يصبر عليكن إلا الصابرون
থিম:

তোমাদের বিষয়টি এমন একটি বিষয় যা আমার পর আমাকে চিন্তায় ফেলবে। আর তোমাদের ওপর ধৈর্য্যশীল ব্যতীত কেউ সবর করবে না।
থিম:

عن عائشة -رضي الله عنها- أن رسول الله -صلى الله عليه وسلم- كان يقول:   إنَّ أمركنَّ لمِمَّا يُهِمُّني بعدي، ولن يصبر عليكن إلا الصابرون>. قال: ثم تقول عائشة، فسقى الله أباك من سَلْسَبيل الجنة، تريد عبد الرحمن بن عوف، وقد كان وَصَل أزواج النبي -صلى الله عليه وسلم- بمال، يقال: بيعت بأربعين ألفا.
থিম:

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু <'আনহা থেকে বর্নিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন, তোমাদের বিষয়টি এমন একটি বিষয় যা আমার পর আমাকে চিন্তায় ফেলবে। তোমাদের ওপর কেবল ধৈর্যশীলগণই ধৈর্য ধারণ করবেন। তিনি বললেন, অতঃপর আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলতেন, আল্লাহ তা'আলা তোমার পিতাকে সালসাবীল জান্নাত থেকে পান করিয়েছেন অর্থাৎ, আব্দুর রহমান ইবন আওফ রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি রাসূলের স্ত্রীদের একটি মুল্যবান সম্পদ প্রদান করেন। বলা হয় চল্লিশ হাজারে তা বিক্রি করা হয়েছিল।
থিম:

يحكي أبو سلمة بن عبد الرحمن بن عوف -رحمه الله- أن أم المؤمنين عائشة -رضي الله عنها- قالت: إن رسول الله -صلى الله عليه وسلم- خاطب أزواجه قائلا: إنه ليحزنني شأنكن ومعيشتكن بعد وفاتي، حيث لم أترك لكن ميراثا، وإنه لن يصبر على تحمل الإنفاق عليكن إلا الصابرون. ثم قالت عائشة لأبي سلمة: سقى الله أباك عبد الرحمن بن عوف من عين الجنة التي تسمى سلسبيلا، وقد كان عبد الرحمن بن عوف قد تصدق على أزواج النبي -صلى الله عليه وسلم- بحديقة بيعت بأربعين ألف دينار.
থিম:

আবূ সালমাহ ইবন আব্দুর রহমান ইবন আওফ রাহিমাহুল্লাহ বর্ণনা করেন যে, উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার স্ত্রীদের সম্বোধন করে বলেন, যেহেতু আমি তোমাদের জন্য কোন উত্তরাধিকারী সম্পদ রেখে যাইনি তাই আমার মৃত্যুর পর তোমাদের জীবন যাপন ও অবস্থা আমাকে দুশ্চিন্তায় ফেলে দেয়। তোমাদের ওপর খরচ করার কষ্ট একমাত্র তারাই বহন করবে যারা ধৈর্যশীল। অতঃপর আয়েশা রাদিয়াল্লাহ আনহা আবূ সালমাকে বললেন, আল্লাহ তোমার পিতা আব্দুুর রহমান ইবন আওফকে জান্নাতের কুপ থেকে পান করিয়েছেন যে জান্নাতকে সালসাবীল বলা হয়। আব্দুর রহমান ইবন আওফ রাসূলের স্ত্রীদের জন্য একটি বাগান দান করেন যেটি চল্লিশ হাজার দীনারে বিক্রি করা হয়েছিল। Esin Hadith Grade English


[হাসান]    ← →   

[এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11196

 
Hadith   37



Esin Hadith ID


11197" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: اللهم اجعله هاديًا مهديًّا واهد به
থিম:

হে আল্লাহ তুমি তাকে পথ পদর্শক, হিদায়াত প্রাপ্ত বানাও এবং তার দ্বারা হিদায়াত দাও।
থিম:

عن عبد الرحمن بن أبي عميرة وكان من أصحاب رسول الله -صلى الله عليه وسلم- عن النبي -صلى الله عليه وسلم- أنه قال لمعاوية:   اللهم اجعله هاديًا مَهْديًّا واهدِ به>.
থিম:

আব্দুর রহমান ইবন আবূ উমাইরাহ যিনি রাসূলের সাহাবীদের একজন ছিলেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মু'আবিয়াহকে বলেছেন, হে আল্লাহ তুমি তাকে পথ পদর্শক, হিদায়াত প্রাপ্ত বানাও এবং তার দ্বারা হিদায়াত দাও।
থিম:

دعا النبي -صلى الله عليه وسلم- لمعاوية بن أبي سفيان بأن يجعله الله -تعالى- دالًّا على الخير، وأن يجعله مهتديًا في نفسه، وأن يهد به الناس.
থিম:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মু'আবিয়্যাহ ইবন আবূ সূফীয়ানের জন্য দো'আ করেছিলেন। যাতে আল্লাহ তাকে কল্যাণের পথ পদর্শক বানান। আর তাকে যেন হিদায়াত প্রাপ্ত বানান এবং তার দ্বারা মানুষকে হিদায়াত দান করেন। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11197

 
Hadith   38



Esin Hadith ID


11202" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: إذا أراد الله قبض عبد بأرض جعل له بها حاجة
থিম:

আল্লাহ যখন কোন বান্দাকে কোথাও মৃত্যু দান করতে চান তখন সেখানে তার জন্য কোন প্রয়োজন সৃষ্টি করেন।
থিম:

عن أبي عزة الهذلي رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله وسلم:   إذا أراد اللهُ قَبْضَ عبد بأرض جعلَ له بها حاجة>.
থিম:

আবূ 'ইয্যা আল-হুযালী রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "আল্লাহ যখন কোন বান্দাকে কোথাও মৃত্যু দান করতে চান তখন সেখানে তার জন্য কোন প্রয়োজন সৃষ্টি করেন।"
থিম:

إذا أراد الله -تعالى- لعبد من عباده أن يموت بأرض محددة، وليس هو فيها؛ جعل له إلى هذه الأرض حاجة، فإذا ذهب إلى حاجته في هذه الأرض توفاه الله تعالى، وما قدره الله -عز وجل- وكتبه لا بد أن يقع كما قدره، وهذا من الإيمان بالقضاء والقدر.
থিম:

আল্লাহ তা'আলা যখন তার কোন বান্দাকে কোনো নির্দিষ্ট ভূমিতে মৃত্যু দান করতে চান অথচ সে সেখানে নেই, তখন সেখানে তার জন্য কোন প্রয়োজন সৃষ্টি করেন। যখন সে তার প্রয়োজন পূরণ করতে সেখানে যায় তখন আল্লাহ তা'আলা সেখানে তার মৃত্যু দান করেন। মহান আল্লাহ বান্দার জন্য যা নির্ধারণ করেন ও যা কিছু তার তাকদীরে লিপিবদ্ধ করেন তা তাঁর নির্ধারিত লেখা অনুযায়ীই সংঘটিত হবে। আর এটিই হচ্ছে আল্লাহর ফয়সালা ও তাকদীরের ওপর ঈমান। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ আত-ত্বয়ালিসী বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11202

 
Hadith   39



Esin Hadith ID


11203" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: إذا أراد الله بعبد خيرا استعمله قبل موته
থিম:

যখন আল্লাহ কোন বান্দার সাথে ভালো ইচ্ছা করেন তখন তার মৃত্যুর পূর্বে তার তা করিয়ে নেন।
থিম:

عن عمر الجمعي -رضي الله عنه-: أن رسول الله -صلى الله عليه وسلم- قال:   إذا أراد اللهُ بعبدٍ خيرًا استعملَه قبل موتِه   فسأله رجلٌ من القوم: ما استعملَه؟ قال:   يهديه اللهُ عزَّ وجلَّ إلى العمل الصالح قبل موتِه، ثم يقبضه على ذلك>.
থিম:

উমার আল-জাম'ঈ রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে মারফ' হিসেবে বর্ণিত: যখন আল্লাহ কোন বান্দার সাথে ভালো ইচ্ছা করেন তখন তার মৃত্যুর পূর্বে তার দ্বারা তা করিয়ে নেন। উপস্থিতদের এক লোক তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, করিয়ে নেওয়ার কি অর্থ? তিনি বললেন, মৃত্যুর পূর্বে আল্লাহ তাকে নেক আমলা করার তৌফিক দেন। তারপর নেক-্আমলের উপর তাকে দুনিয়া থেকে তুলে নেন।
থিম:

إن الله -تعالى- إذا أراد بعبد من عباده خيرا وفقه لعمل صالح قبل موته حتى يموت على ذلك العمل، فتحصل له حسن الخاتمة، فيدخل الجنة.
থিম:

যখন আল্লাহ তার কোন বান্দার সাথে ভালোর ইচ্ছা করেন, মারা যাওয়ার আগে আল্লাহ তাকে ভালো আমল করার তাওফীক দেন। ফলে তার ভালো পরিণতি হাসিল হবে এবং সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11203

 
Hadith   40



Esin Hadith ID


11205" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: إن القبر أول منزل من منازل الآخرة، فإن نجا منه فما بعده أيسر منه، وإن لم ينج منه فما بعده أشد منه
থিম:

নিশ্চয় কবর হলো আখেরাতের মনযিলসমূহের প্রথম মনযিল। কেউ যদি এখান থেকে রেহাই পায়, তবে তার জন্য পরবর্তী মনযিলগুলো কবরের চেয়েও সহজতর হবে। আর কেউ যদি এখান থেকে রেহাই না পায়, তবে তার জন্য পরবর্তী মনযিলগুলো আরো ভয়াবহ হবে।
থিম:

عن هانئ مولى عثمان قال: كان عثمان إذا وقف على قبر بَكى حتى يَبُلَّ لحيته، فقيل له: تَذْكُر الجنة والنار فلا تَبكي وتبكي مِن هذا؟ فقال: إن رسول الله - صلى الله عليه وسلم- قال:   إنَّ القبرَ أولُ مَنْزِل من منازل الآخرة، فإنْ نجا منه فما بعده أيسر منه، وإنْ لم ينجُ منه فما بعده أشد منه>.
থিম:

উসামন রাদিয়াল্লাহু <'আনহু -র মুক্তদাস হানী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উসমান ইবনে আফফান রাদিয়াল্লাহু <'আনহু যখন কোন কবরের পাশে দাঁড়াতেন তখন এতো কাঁদতেন যে, তার দাঁড়ি ভিজে যেতো। তাকে বলা হলো, আপনি জান্নাত-দোযখের কথা স্মরণ করেন তখন তো এভাবে কান্নাকাটি করেন না, অথচ কবর দেখলেই কাঁদেন! তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "নিশ্চয় কবর হলো আখেরাতের মনযিলসমূহের প্রথম মনযিল। কেউ যদি এখান থেকে রেহাই পায়, তবে তার জন্য পরবর্তী মনযিলগুলো কবরের চেয়েও সহজতর হবে। আর কেউ যদি এখান থেকে রেহাই না পায়, তবে তার জন্য পরবর্তী মনযিলগুলো আরো ভয়াবহ হবে"।
থিম:

كان عثمان بن عفان -رضي الله عنه- إذا وقف على قبر بكى حتى تبل دموعه لحيته، فقيل له: تذكر الجنة والنار فلا تبكي وتبكي من القبر؟ فأخبرهم أنه يبكي لأنه سمع رسول الله -صلى الله عليه وسلم- يخبر أن القبر أول منزل من منازل الآخرة، فإن نجا الإنسان من القبر وما فيه من امتحان وشدة وعذاب فما بعده أسهل منه؛ لأنه لو كان عليه ذنب لكُفِّر بعذاب القبر، وإن لم ينج منه، ولم يتخلص من عذاب القبر ولم يكفر ذنوبه به وبقي عليه شيء مما يستحق العذاب به فما بعده أشد منه؛ لأن عذاب النار أشد.
থিম:

উসমান ইবনে আফফান রাদিয়াল্লাহু <'আনহু যখন কোন কবরের পাশে দাঁড়াতেন তখন এতো কাঁদতেন যে, তার চোখের পানি দাঁড়িকে ভিজে দিতেন। তাকে বলা হলো, আপনি জান্নাত-দোযখের কথা স্মরণ করেন তখন তো এভাবে কান্নাকাটি করেন না, অথচ কবর দেখলেই কাঁদেন! তিনি তাদের বললেন, তিনি কাঁদেন কারণ, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন, নিশ্চয় কবর হলো আখেরাতের মনযিলসমূহের প্রথম মনযিল। যখন কোন মানুষ কবর এবং তার পরীক্ষা, কঠোরতা ও আযাব থেকে রেহাই পায়, তবে তার জন্য পরবর্তী মনযিলগুলো কবরের চেয়েও সহজতর হবে। কারণ, তার যদি কোন গুনাহ থেকে থাকে তা কবরের আযাব দ্বারা দূরীভুত হবে। আর যদি কোন মানুষ এখান থেকে রেহাই না পায়, কবরের আযাব থেকে মুক্তি না পায় এবং তার গুনাহগুলো দূর না হয় বরং তার এমন কিছু গুনা থেকে থাকে যার কারণে সে আযাবের উপযুক্ত হয়, তবে তার জন্য পরবর্তী মনযিলগুলো আরো ভয়াবহ হবে। কারণ, জাহান্নামের আযাব আরো কঠিন। Esin Hadith Grade English


[হাসান]    ← →   

[এটি ইবন মাজাহ বর্ণনা করেছেন। - এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11205

 
Hadith   41



Esin Hadith ID


11206" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: صدقتا، إنهم يعذبون عذابا تسمعه البهائم كلها
থিম:

তারা সত্য বলেছে, তাদেরকে এমন শাস্তি দেওয়া হয় যা সব চতুষ্পদ জন্তু শুনতে পায়।
থিম:

عن عائشة -رضي الله عنها- ، قالت: دخلت عليَّ عجوزان من عُجُز يهود المدينة، فَقَالَتا لي: إنَّ أهلَ القبور يُعذَّبون في قبورهم، فكذَّبتُهما، ولم أُنْعِم أنْ أُصَدِّقهما، فَخَرَجَتَا، ودخل عليَّ النبي -صلى الله عليه وسلم-، فقلت له: يا رسول الله، إنَّ عجوزين، وذكرتُ له، فقال:   صَدَقَتَا، إنَّهم يُعذَّبون عذابًا تَسْمَعُه البهائم كلُّها   فما رأيتُه بعْدُ في صلاة إلا تعوَّذ من عذاب القبر.
থিম:

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু <'আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মদীনার ইয়াহুদীদের থেকে দুইজন বৃদ্ধা আমার নিকট প্রবেশ করল। তারা আমাকে বলল, কবরবাসীদেরকে কবরে শাস্তি দেওয়া হয়। আমি তাদের কথাকে প্রত্যাখ্যান করলাম। তাদের বিশ্বাস করাকে ভালো মনে করলাম না। তারা চলে গেলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট প্রবেশ করলে আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! দুইজন বৃদ্ধা এবং তারা যা বলল তা উল্লেখ করলাম। তখন তিনি বললেন, তারা সত্য বলেছে, তাদেরকে এমন শাস্তি দেওয়া হয় যা সব চতুষ্পদ জন্তু শুনতে পায়। তারপর প্রতি সালাতে কবরের শাস্তি থেকে তিনি আশ্রয় চাইতেন।
থিম:

دخل على عائشة امرأتان عجوزان من يهود المدينة، فقالتا لها: إن الأموات يعذَّبون في قبورهم، فكذبتهما ولم ترضَ أن تصدقهما؛ لأنها لم تطب نفسها بذلك؛ لظهور كذب اليهود، وافترائهم في الدين، وتحريفهم الكتاب، فخرجتا من عند عائشة، ودخل عليها النبي -صلى الله عليه وسلم- فأخبرته بما قالته المرأتان اليهوديتان، فقال -صلى الله عليه وسلم-: صدقتا إن الأموات يعذبون عذابًا تسمعه البهائم كلها، فتخبر عائشة أنها لم تر النبي -عليه الصلاة والسلام- صلى صلاة بعد ذلك إلا تعوذ من عذاب القبر.
থিম:

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু <'আনহার নিকট মদীনার ইয়াহুদীদের থেকে দুইজন বৃদ্ধা প্রবেশ করল। তারা তাকে বলল, কবরবাসীদেরকে কবরে শাস্তি দেওয়া হয়। তিনি তাদের কথাকে প্রত্যাখ্যান করলেন। তাদের বিশ্বাস করতে সম্মত হলেন না। ইয়াহুদীদের মিথ্যাচার স্পষ্ট হওয়া, দীনের বিষয়ে তাদের মিথ্যাচার এবং আল্লাহর কিতাবে তাদের বিকৃতি করার কারণে তার অন্তর তাদের কথা পছন্দ করেনি। তাই আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার নিকট থেকে তারা চলে গেল এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নিকট প্রবেশ করল। সে ইয়াহুদী দুই মহিলা যা বলল, সে বিষয়ে তাকে অবহিত করল। তখন তিনি বললেন, তারা সত্য বলেছে। অবশ্যই মৃতদেরকে কবরে শাস্তি দেওয়া হয় যা সব চতুষ্পদ জন্তু শুনতে পায়। তারপর আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা জানান যে, রাসূলু সাল্লাল্লাহু আলইহি ওয়াসাল্লাম এর পর থেকে প্রতি সালাতে কবরের শাস্তি থেকে আশ্রয় চাইতেন। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11206

 
Hadith   42



Esin Hadith ID


11207" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: قد أوحي إلي أنكم تفتنون في القبور قريبًا من فتنة الدجال
থিম:

আমার কাছে ওহী প্রেরণ করা হয়েছে যে, দাজ্জালের ফিতনার মতো কাছাকাছি ফিতনা দ্বারা তোমাদের কবরে পরীক্ষা করা হবে।
থিম:

عن أسماء بنت أبي بكر-رضي الله عنها- قالت: قام رسول الله -صلى الله عليه وسلم- فَذَكَرَ الفتنةَ التي يُفتن بها المرء في قبره، فلما ذكر ذلك ضَجَّ المسلمون ضَجَّةً حالت بيني وبين أن أفهم كلامَ رسول الله -صلى الله عليه وسلم-، فلما سَكَنَت ضَجَّتُهم قلتُ لرجل قريب مني: أيْ -بارك الله لك- ماذا قال رسول الله -صلى الله عليه وسلم- في آخر قوله؟ قال:   قد أُوحِيَ إليَّ أنكم تُفتَنون في القبور قريبًا من فتنة الدَّجَّال>.
থিম:

আসমা বিনত আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু <'আনহা-বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) দাঁড়িয়ে খুৎবাহ দিচ্ছিলেন তাতে তিনি ক্ববরে মানুষ যে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হবে, তার বর্ণনা দিলেন। যথন তিনি তা আলোচনা করতেছেন মুসলমানগণ ভয়ার্ত হয়ে এত বেশি চিৎকার করতে লাগলেন, তা আমার মাঝে এবং রাসূলের কথা বুঝার মাঝে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করল। তাদের চিৎকার থামছিল না। আমি আমার পাশের এক লোককে জিজ্ঞাসা করলাম, আল্লাহ তোমাকে বরকতময় করুক। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাহ তার কথার শেষাংশে কি বলেছেন? সে বলল, তিনি বলেছেন, আমার কাছে ওহী প্রেরণ করা হয়েছে যে, "দাজ্জালের ফিতনার মতো কাছাকাছি ফিতনা দ্বারা তোমাদের কবরে পরীক্ষা করা হবে।"
থিম:

تخبر أسماء بنت أبي بكر الصديق أن رسول الله -صلى الله عليه وسلم- وقف يوماً يخطب في الناس ويعظهم ويذكرهم الدّار الآخرة، حتى تطرّق إلى القبر وأحواله، وذكر فتنة القبر، والمراد بفتنة القبر: سؤال الملكين منكر ونكير للعبد عن ربه ونبيّه ودينه، وسمي بذلك؛ لأنه فتنة عظيمة يختبر بها إيمان العبد ويقينه، فمن وُفِّق في هذا الاختبار فاز، ومن فشل هلك. فلما ذكر ذلك صاح المسلمون صيحة عظيمة؛ خوفاً من فتنة القبر، فمنعت هذه الصيحة أسماء من أن تسمع كلام رسول الله -صلى الله عليه وسلم-، فلما هدأ الصوت، قالت أسماء لرجل قريب منها: -بارك الله لك- ماذا قال رسول الله -صلى الله عليه وسلم- في آخر قوله؟ فأخبرها أنه -صلى الله عليه وسلم- قال: إن الله -تعالى- أوحى إليه أن الناس يُفتنون ويُمتحنون في القبور قريبًا من فتنة المسيح الدَّجَّال؛ فإن فتنة الدجال شديدة صعبة وكذلك فتنة القبر.
থিম:

আসমা বিনত আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু <'আনহা-বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক দিন দাঁড়িয়ে মানুষের মধ্যে খুৎবাহ দিচ্ছিলেন তাতে তিনি তাদের ওয়ায করছিলেন এবং আখিরাতের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছিলেন। এমনকি তিনি কবর ও কবরের অবস্থা তুলে ধরেন এবং কবরের ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করেন। এখানে কবরের ফিতনা দ্বারা উদ্দেশ্য মুনকার ও নকীর দুই ফিরিশতার রব, দীন ও নবী সম্পর্কে প্রশ্ন করা। একে ফিতনা বলে নামকরণ করা হয়, কারণ এটি একটি মহা ফিতনা যা দ্বারা একজন বান্দার ঈমান ও বিশ্বাস সম্পর্কে পরীক্ষা নেওয়া হবে। যাকে এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার তাওফীক দেওয়া হবে সে কামিয়াব। আর যে ফেল করবে সে ধ্বংস হবে। যখন তিনি তা আলোচনা করলেন মুসলিমগণ কবরের ফিতনা থেকে ভয়ার্ত হয়ে খুব বেশি চিৎকার করতে লাগলেন। তাদের এ চিৎকার আসমা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে রাসূলের কথা বুঝাতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করল। তারপর যখন চিৎকার থামল, আসমা রাদিয়াল্লাহু আনহা তার পাশের এক লোককে জিজ্ঞাসা করলেন, আল্লাহ তোমাকে বরকতময় করুক। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাহ তার কথার শেষাংশে কি বলেছেন? সে বলল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তা'আলা তার কাছে ওহী প্রেরণ করেছেন যে, "মানুষকে দাজ্জালের ফিতনার মতো কাছাকাছি ফিতনা দ্বারা কবরে পরীক্ষা করা হবে। কারণ, দাজ্জালের ফিতনা খুব মারাত্মক ও কঠিন। অনুরূপভাবে কবরের ফিতনা। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন। - এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11207

 
Hadith   43



Esin Hadith ID


11208" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: إن هذه الأمة تُبتلى في قبورها، فلولا أن لا تدافنوا لدعوت الله أن يسمعكم من عذاب القبر الذي أسمع منه
থিম:

নিশ্চয় এ উম্মতকে কবরে শাস্তি দেওয়া হয়। যদি তোমরা ভয়ে দাফন করবে এ আশঙ্ক না করতাম তাহলে আমি আল্লাহর নিকট দো'আ করতাম যাতে তিনি তোমাদের কবরের শাস্তি শোনায় যা আমি শুনি।
থিম:

عن أبي سعيد -رضي الله عنه- قال: ولم أشهده من النبي -صلى الله عليه وسلم-، ولكن حدَّثنيه زيد بن ثابت، قال: بينما النبي -صلى الله عليه وسلم- في حائط لبني النَّجَّار، على بَغْلة له ونحن معه، إذ حادَت به فكادت تُلْقيه، وإذا أقبُر ستة أو خمسة أو أربعة -قال: كذا كان يقول الجريري- فقال:   مَن يعرف أصحاب هذه الأقبُر؟   فقال رجل: أنا، قال: فمتى مات هؤلاء؟ قال: ماتوا في الإشراك، فقال:   إن هذه الأمة تُبْتَلى في قبورها، فلولا أن لا تَدَافنوا لدعوتُ اللهَ أنْ يُسْمِعَكم من عذاب القبر الذي أسمع منه   ثم أقبل علينا بوجهه، فقال:   تعوَّذوا بالله من عذاب النار   قالوا: نعوذ بالله من عذاب النار، فقال:   تعوَّذوا بالله من عذاب القبر   قالوا: نعوذ بالله من عذاب القبر، قال:   تعوَّذوا بالله من الفتن، ما ظهر منها وما بَطَن   قالوا: نعوذ بالله من الفتن ما ظهر منها وما بَطَن، قال:   تعوَّذوا بالله من فتنة الدَّجَّال   قالوا: نعوذ بالله من فتنة الدَّجَّال.
থিম:

আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শোনার সাক্ষ্য দিচ্ছি না। তবে যাযেদ ইবন সাবেত আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার গাধার ওপর বনী নাজ্জারের বাগানে ছিলেন আমরাও তার সাথে ছিলাম। হঠাৎ গাধাটি তাকে দৌড় দিল যে, তাকে ফেলে দেওয়ার উপক্রম হলো। কারণ সেখানে ছয়টি বা পাঁচটি বা চারটি কবর ছিল। সে বলল, জারীরী এমনই বলতেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, কবরসমূহের বাসীন্দাদের কে চিনে? এক লোক বলল, আমি। তিনি বললেন, তারা কবে মারা গেছে? সে বলল, তারা শির্কের যুগে মারা গেছে। তখন তিনি বললেন, নিশ্চয় এ উম্মতকে কবলে শাস্তি দেওয়া হয়। যদি তোমরা ভয়ে দাফন করবে না এ আশঙ্ক না করতাম তাহলে আমি আল্লাহর নিকট দো'আ করতাম যাতে তিনি তোমাদের কবরের শাস্তি শোনায় যা আমি শুনি। তারপর তিনি আমাদের দিকে মুখ ফিরালেন এবং বললেন, তোমরা আল্লাহর নিকট কবরের শাস্তি থেকে আশ্রয় চাও। তারা বলল, আমরা আল্লাহর নিকট কবরের আযাব থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। বলল, তোমারা আল্লাহর নিকট জাহেরী ও বাতেনী ফিতনা থেকে আশ্রয় চাও। তারা বলল, আমরা আল্লাহ নিকট প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য ফিতনা থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। তোমরা আল্লাহর নিকট দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাও। তারা বলল, আমরা আল্লাহর নিকট দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই।
থিম:

يحكي زيد بن ثابت أنهم بينما هم مع رسول الله -صلى الله عليه وسلم- في بستان لقبيلة من الأنصار، تُسمى بني النجار، وكان رسول الله -صلى الله عليه وسلم- يركب على بغلة له، وفجأة مالت بغلته عن الطريق ونفرت به، فكادت أن تسقطه وترميه عن ظهرها، وفي هذا المكان أربعة قبور أو خمسة أو ستة، فقال رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: من يعرف أصحاب هذه القبور؟ فقال رجل: أنا أعرفهم، فقال -صلى الله عليه وسلم-: إذا كنت تعرفهم فمتى ماتوا؟ قال: ماتوا في زمن الشرك، فقال رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: إن هذه الأمة تُمتحن في قبورها، ثم تُنعَّم أو تُعذَّب، فلولا مخافة أن لا تدفنوا أمواتكم؛ لدعوت الله أن يُسمعكم من عذاب القبر الذي أسمعه، فإنكم لو سمعتم ذلك تركتم التدافن من خوف قلع صياح الموتى أفئدتكم، أو خوف الفضيحة في القرائب؛ لئلا يُطَّلع على أحوالهم، ثم أقبل على أصحابه بوجهه فقال -صلى الله عليه وسلم-: اطلبوا من الله -تعالى- أن يدفع عنكم عذاب النار، فقالوا: نعتصم بالله من عذاب النار، قال -صلى الله عليه وسلم-: اطلبوا من الله -تعالى- أن يدفع عنكم عذاب القبر، قالوا: نعتصم بالله ونلتجئ إليه من أن يصيبنا عذاب القبر، ثم قال -صلى الله عليه وسلم-: اطلبوا من الله -تعالى- أن يدفع عنكم الفتن ما ظهر وبان واتضح منها وما خفي، قالوا: نعتصم بالله من الفتن ما ظهر منها وما خفي، فقال: اطلبوا من الله -تعالى- أن يدفع عنكم فتنة المسيح الدجال؛ فإنه أكبر الفتن حيث يؤدي إلى الكفر المفضي إلى العذاب المخلد في النار، فقالوا: نعتصم بالله من فتنة الدجال.
থিম:

যায়েদ ইবন সাবেত রাদিয়াল্লাহু বর্ণনা করেন, একদা তারা রাসূলুল্লাহর সাথে আনসারীদের একটি গোত্র যাকে বনী নাজ্জার বলা হতো তাদের বাগানে ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার গাঁধার ওপর সাওয়ার ছিলেন। হঠাৎ তার গাঁধাটি রাস্তা থেকে সরে গেল এবং দৌড় দিল। সে তাকে তার পিঠ থেকে ফেলে দেওয়ার উপক্রম হলো। আর সেখানে দেখা গেল ছয়টি বা পাঁচটি বা চারটি কবর। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন, কবরসমূহের বাসীন্দাদের কে চিনে? এক লোক বলল, আমি তাদেরকে চিনি। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি যদি তাদের চিনে থাকো তবে বলে দেখি তারা কবে মারা গেছে? সে বলল, তারা শির্কের যুগে মারা গেছে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, নিশ্চয় এ উম্মতকে কবরে পরীক্ষা করা হয়। অতঃপর তাদের পুরষ্কৃত বা শাস্তি প্রদান করা হয়। যদি তোমরা ভয়ে মৃতেদের দাফন করবে না এ আশঙ্ক না করতাম তাহলে আমি আল্লাহর নিকট দো'আ করতাম যাতে তিনি তোমাদের কবরের শাস্তি শোনায় যা আমি শুনি। কারণ, যদি তোমরা তা শুনতে পাও তবে তোমরা মৃতদের চিৎকারের আওয়াজে তোমার অন্তর প্রকম্পিত হওয়ার ভয়ে অথবা আত্মীয়দের মধ্যে অপমান হওয়ার ভয় তোমরা দাফন করা ছেড়ে দিতে। তারপর তিনি আমাদের দিকে মুখ ফিরালেন এবং বললেন, তোমরা আল্লাহর নিকট চাও যাতে তিনি তোমাদের থেকে কবরের আযাব দূর করে দেয়। তারা বলল, আমরা আল্লাহকে মজবুত করে পাকড়াও করলাম এবং তার নিকট আশ্রয় চাইলাম যাতে কবরের আযাব আমাদের ঘ্রাস না করে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমারা আল্লাহর নিকট কামনা কর যে, তিনি যেন জাহেরী ও বাতেনী ফিতনাকে তোমাদের থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। তারা বলল, আমরা আল্লাহ নিকট প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই। তারপর তিনি বললেন, তোমরা আল্লাহর নিকট চাও যে, তিনি যেন তোমাদের থেকে মাসীহে দাজ্জালের ফিতনাকে প্রতিহত করেন। কারণ, এটি এমন একটি বড় ফিতনা যা কুফরের দিকে নিয়ে যায়। যে কুফর মানুষকে চির জাহান্নামী করে দেয়। তখন তারা বলল, আমরা আল্লাহর নিকট দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11208

 
Hadith   44



Esin Hadith ID


11209" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: خرج النبي -صلى الله عليه وسلم- وقد وجبت الشمس، فسمع صوتا فقال: يهود تعذب في قبورها
থিম:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘর থেকে বের হলেন, তখন সূর্য্য ডুবে গিয়েছিল। তিনি একটি আওয়াজ শুনতে পেয়ে বললেন, ইয়াহুদীদেরকে তাদের কবরে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।
থিম:

عن أبي أيوب رضي الله عنه، قال: خرج النبي -صلى الله عليه وسلم- وقد وَجَبَت الشمس، فسمع صوتا فقال:   يهودُ تُعذَّب في قبورها>.
থিম:

আবূ আইউব-রাদিয়াল্লাহু আনহু-থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘর থেকে বের হলেন, তখন সূর্য্য ডুবে গিয়েছিল। তিনি একটি আওয়াজ শুনতে পেয়ে বললেন, ইয়াহুদীদেরকে তাদের কবরে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে"।
থিম:

خرج النبي -صلى الله عليه وسلم- وقد غربت الشمس، فسمع صوتا لليهود وهم يُعذَّبون، فقال: اليهود يُعذبون في قبورهم.
থিম:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘর থেকে বের হলেন যখন সূর্য্য ডুবে গিয়েছিল। তিনি ইহুদীদের আওয়াজ শুনতে পেলেন যখন তাদেরকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছিল, ফলে তিনি বললেন: ইয়াহুদীদেরকে তাদের কবরে শাস্তি দেওয়া হয়। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11209

 
Hadith   45



Esin Hadith ID


11210" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: إن أحدكم إذا مات عرض عليه مقعده بالغداة والعشي، إن كان من أهل الجنة فمن أهل الجنة، وإن كان من أهل النار فمن أهل النار
থিম:

তোমাদের কেউ মারা গেলে অবশ্যই তার সামনে সকাল ও সন্ধ্যায় তার অবস্থান স্থল উপস্থাপন করা হয়। যদি সে জান্নাতী হয়, তবে (অবস্থান স্থল) জান্নাতীদের মধ্যে দেখানো হয়। আর সে জাহান্নামী হলে, তাকে জাহান্নামীদের (অবস্থান স্থল দেখানো হয়) আর তাকে বলা হয়, এ হচ্ছে তোমার অবস্থান স্থল, ক্বিয়ামাত দিবসে আল্লাহ্ তোমাকে পুনরুত্থিত করা অবধি।
থিম:

عن عبد الله بن عمر -رضي الله عنهما-: أن رسول الله -صلى الله عليه وسلم- قال:   إنَّ أحدَكم إذا مات عُرِض عليه مقعدُه بالغَدَاة والعَشِي، إن كان من أهل الجنة فمِن أهل الجنة، وإن كان من أهل النار فمِن أهل النار، فيُقال: هذا مقعدُك حتى يبعثك الله يوم القيامة>.
থিম:

'আবদুল্লাহ্ ইব্নু 'উমার রাদিয়াল্লাহু <'আনহুমা হতে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ মারা গেলে অবশ্যই তার সামনে সকাল ও সন্ধ্যায় তার অবস্থান স্থল উপস্থাপন করা হয়। যদি সে জান্নাতী হয়, তবে (অবস্থান স্থল) জান্নাতীদের মধ্যে দেখানো হয়। আর সে জাহান্নামী হলে, তাকে জাহান্নামীদের (অবস্থান স্থল দেখানো হয়) আর তাকে বলা হয়, এ হচ্ছে তোমার অবস্থান স্থল, ক্বিয়ামাত দিবসে আল্লাহ্ তোমাকে পুনরুত্থিত করা অবধি।
থিম:

إذا مات الإنسان عُرض عليه مكانه ومقعده من الجنة أو النار كل صباح ومساء، فإن كان الميت من أهل الجنة فمقعده من مقاعد أهل الجنة يُعرض عليه، وإن كان الميت من أهل النار فمقعده من مقاعد أهل النار يُعرض عليه، وفي هذا العرض تبشير للمؤمن وتخويف للكافر حيث يقال له: هذا مقعدك لا تصل إليه حتى يبعثك الله.
থিম:

যখন মানুষ মারা যায় তখন প্রতিদিন সকাল বিকাল তার সামনে জান্নাত অথবা জাহান্নামে তার অবস্থানের স্থানকে তুলে ধরা হয়। যদি সে জান্নাতী হয়, তখন জান্নাতীদের অবস্থান থেকে তার অবস্থান তার সামনে তুলে ধরা হয়। যদি মৃত লোকটি জাহান্নামী হয়, তখন জাহান্নামীদের অবস্থান থেকে তার অবস্থান তার সামনে তুলে ধরা হয়। এ ধরনের তুলে ধরার মধ্যে মু'মিনদের জন্য রয়েছে সু সংবাদ আর কাফিরদের জন্য রয়েছে ভিতি। যেমন তাকে বলা হয়, এটি তোমার অবস্থান তুমি তাতে ততক্ষণ পর্যন্ত পৌঁছতে পারবে না যতক্ষণ না আল্লাহ তোমাকে না উঠায়। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11210

 
Hadith   46



Esin Hadith ID


11211" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: وصف بعض نعيم القبر وعذابه
থিম:

কবরের নি'আমত ও আযাবের আংশিক বর্ণনা
থিম:

عن أبي هريرة -رضي الله عنه- قال: قال رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: إذا قُبِر الميت -أو قال: أحدكم- أتاه ملكان أسودان أزرقان، يقال لأحدهما: المُنكَر، وللآخر: النَّكِير، فيقولان: ما كنتَ تقول في هذا الرجل؟ فيقول: ما كان يقول: هو عبد الله ورسوله، أشهد أن لا إله إلا الله، وأن محمدا عبده ورسوله، فيقولان: قد كنا نعلم أنك تقول هذا، ثم يُفْسَح له في قبره سبعون ذِراعا في سبعين، ثم يُنَوَّر له فيه، ثم يقال له: نم، فيقول: أرجع إلى أهلي فأخبرهم، فيقولان: نم كنومة العروس الذي لا يوقِظه إلا أحب أهله إليه، حتى يبعثه الله من مَضْجعه ذلك، وإن كان منافقا قال: سمعتُ الناس يقولون، فقلت مثله، لا أدري، فيقولان: قد كنا نعلم أنك تقول ذلك، فيقال للأرض: التَئِمي عليه، فتَلْتَئِم عليه، فتختلف فيها أضلاعه، فلا يزال فيها مُعذَّبا حتى يبعثه الله من مَضْجعه ذلك.
থিম:

আবূ হুরায়রাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন মৃতকে কবর দেওয়া হয়, অথবা বললেন, তোমাদের কাউকে। দুইজন কালো বর্ণের ফিরিশতা আসে তাদের একজনকে মুনকার এবং অপরজনকে নকীর বলা হয়। তারা দুইজন বলবেন এ লোকটি সম্পর্কে তুমি কি বল? তখন সে তাই বলবে যা সে বলত: আল্লাহর বান্দা ও তার রাসূল। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। আর মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। তখন তারা বলবে, আমরা জানতাম তুমি এ কথাই বলবে। তারপর তার জন্য সত্তুরের মধ্যে সত্তুর বাহু পরিমাণ কবরকে প্রসস্থ করা হয় অতঃপর তা আলোকিত করা হয়। তারপর তাকে বলা হবে, ঘুমাও। তখন সে বলবে আমি আমার পরিবারের নিকট যাব এবং তাদের সংবাদ দিব। তারা বলবে তুমি নতুন দুলার মতো ঘুমাও যাকে একমাত্র তার সবচেয়ে প্রিয় লোকটি ছাড়া আর কেউ জাগায় না। অতঃপর আল্লাহ তাকে তার এ ঘুমের বিছানা থেকে প্রেরণ করেবেন। আর যদি সে মুনাফিক হয়, তখন সে বলে, আমি মানুষকে বলতে শুনেছি তাই আমিও তাদের মতো বলেছি। আমি জানি না। তখন তারা দুইজন বলবেন, আমরা জানতাম তুমি এ কথা বলবে। তখন যমীনকে বলাবে তার ওপর মিলে যাও তখন যমীন মিলে যাবে। তার হাঁড় চুর্ণবিচুর্ণ হবে। তখন সে যতক্ষণ না আল্লাহ তাকে তার বিছানা থেকে না উঠাবেন ততক্ষণ পর্যন্ত সে শাস্তি পেতে থাকবে।
থিম:

إذا دُفن الميت أتاه ملكان أسودان أزرقان، اسم أحدهما: المنكر، والآخر: النكير، فيقولان له: ما كنت تقول في هذا الرجل؟ يريدان النبي -عليه الصلاة والسلام-، فيقول: هو عبد الله ورسوله، أشهد أن لا إله إلا الله، وأن محمدا عبده ورسوله، فيقولان: قد كنا نعلم أنك تقول هذا؟ ثم يوسع له في قبره سبعون ذراعا في سبعين ذراعا، ثم ينوَّر له في قبره، ثم يقال له: نم. فيقول: أريد الرجوع إلى أهلي، فأخبرهم بأن حالي طيب؛ فيفرحوا بذلك ولا يحزنوا عليَّ. فيقولان له: نم كنومة العروس الذي لا يوقظه من نومه إلا أحب أهله إليه، فينام نومًا طيبا حتى يبعثه الله يوم القيامة، وإن كان منافقا قال: سمعتُ الناس يقولون قولا، وهو أن محمدا رسول الله، فقلت مثل قولهم، ولا أدري أنه نبي في الحقيقة أم لا، فيقولان: قد كنا نعلم أنك تقول ذلك، فيقال للأرض: انضمي واجتمعي عليه وضيقي عليه، فتجتمع أجزاؤها عليه، حتى تزول أضلاعه عن الهيئة المستوية التي كانت عليها، من شدة انضمامها عليه، وشدة الضغطة وانعصار أعضائه، وتجاوز جنبيه من كل جنب إلى جنب آخر، فلا يزال في تلك الحالة معذبا حتى يبعثه الله -عز وجل- يوم القيامة.
থিম:

যখন মৃতকে কবর দেওয়া হয়, তখন দুইজন কালো বর্ণের ফিরিশতা আসে তাদের একজনের নাম মুনকার এবং অপরজনের নাম নকীর। তারা দুইজন তাকে বলে, এ লোকটি সম্পর্কে তুমি কি বলতে? তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উদ্দেশ্য করেন। তখন সে বলে তিনি আল্লাহর বান্দা ও তার রাসূল। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। আর মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও তার রাসূল। তখন তারা বলবে, আমরা জানতাম তুমি এ কথাই বলবে। তারপর তার জন্য সত্তুরের মধ্যে সত্তুর বাহু পরিমাণ কবরকে প্রসস্থ করা হয়। তারপর তার জন্য কবর আলোকিত করা হয়। তারপর তাকে বলা হবে ঘুমাও। তখন সে বলবে আমি আমার পরিবারে নিকট যেতে চাই। তারপর তাদের সংবাদ দেব যে, আমি ভালো আছি যাতে তারা শোনে খুশি হয় এবং আমার জন্য দুশ্চিন্তা না করে। তারা বলবে, তুমি নতুন দুলার মতো ঘুমাও যাকে একমাত্র তার সবচেয়ে প্রিয় লোকটি ছাড়া আর কেউ জাগায় না। তারপর সে খুব আরামের ঘুম ঘুমাবে যতক্ষণ না আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিন উত্থিত করেবেন। আর যদি সে মুনাফিক হয়, তখন সে বলে, আমি মানুষকে বলতে শুনেছি তারা একটি কথা বলত, আর তা হলো তিনি হলে আল্লাহর রাসূল। তাই আমিও তাদের মতো বলেছি। আমি জানি না তিনি বাস্তবে নবী কি নবী নয়। তখন তারা দুইজন বলবেন, আমরা জানতাম তুমি এ কথা বলবে। তখন যমীনকে বলা হবে, তার ওপর মিলে যাও ও একত্র হও এবং তার ওপর সংকীর্ণ হও। তখন তার অঙ্গগুলো একত্র হয়ে যাবে। এমনকি তার ওপর কঠিন চাপ, শক্তি প্রয়োগ ও তার অঙ্গগুলোকে সংকীর্ণ করার ফলে হাঁড়গুলো সঠিক অবস্থা থেকে সরে যাবে যে সঠিক অবস্থার ওপর ইতিপূর্বে ছিল এবং তার এক পাশ অপর পাশের মধ্যে ঢুকে যাবে। সে এ অবস্থায় শাস্তি পেতে থাকবে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত যেদিন আল্লাহ তাকে উত্থিত করবেন। Esin Hadith Grade English


[হাসান]    ← →   

[এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11211

 
Hadith   47



Esin Hadith ID


11212" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: ذكر نعيم القبر وعذابه في حديث البراء بن عازب -رضي الله عنهما-
থিম:

বারা ইবন আযেবের হাদীসে কবরের নি'আমত ও শাস্তির আলোচনা।
থিম:

عن البراء بن عازب -رضي الله عنه-، قال: خرجنا مع رسول الله -صلى الله عليه وسلم- في جنازة رجل من الأنصار، فانتهينا إلى القبر ولمَّا يُلْحَد، فجلس رسول الله -صلى الله عليه وسلم- وجلسنا حوله كأنما على رءوسنا الطير، وفي يده عود يَنكتُ به في الأرض، فرفع رأسه، فقال:   استعيذوا بالله من عذاب القبر   مرتين، أو ثلاثا، زاد في رواية: "وإنه ليسمع خَفْقَ نعالهم إذا وَلَّوا مُدْبِرين حين يقال له: يا هذا، من ربك؟ وما دينك؟ ومن نبيك؟" قال هناد: قال: "ويأتيه ملكان فيُجلِسانه فيقولان له: من ربك؟ فيقول: ربي الله، فيقولان له: ما دينك؟ فيقول: ديني الإسلام، فيقولان له: ما هذا الرجل الذي بُعث فيكم؟" قال: "فيقول: هو رسول الله -صلى الله عليه وسلم-، فيقولان: وما يُدريك؟ فيقول: قرأتُ كتاب الله فآمنت به وصدقت، <زاد في حديث جرير   فذلك قول الله -عز وجل- {يُثَبِّتُ اللهُ الذين آمنوا} [إبراهيم: 27]" الآية -ثم اتفقا- قال: "فينادي مُناد من السماء: أن قد صدق عبدي، فأفرشوه من الجنة، وافتحوا له بابا إلى الجنة، وألبسوه من الجنة" قال:   فيأتيه من رَوْحها وطِيبها   قال:   ويُفتَح له فيها مدَّ بصره   قال:   وإن الكافر   فذكر موته قال: "وتُعاد روحه في جسده، ويأتيه ملكان فيُجلسانه فيقولان: له من ربُّك؟ فيقول: هَاهْ هَاهْ هَاهْ، لا أدري، فيقولان له: ما دينك؟ فيقول: هَاهْ هَاهْ، لا أدري، فيقولان: ما هذا الرجل الذي بُعث فيكم؟ فيقول: هَاهْ هَاهْ، لا أدري، فينادي مناد من السماء: أن كذب، فأفرشوه من النار، وألبسوه من النار، وافتحوا له بابا إلى النار" قال:   فيأتيه من حَرِّها وسَمُومها   قال:   ويُضيَّق عليه قبره حتى تختلف فيه أضلاعه   زاد في حديث جرير قال:   ثم يُقَيَّض له أعمى أَبْكَم معه مِرْزَبّة من حديد، لو ضُرب بها جبل لصار ترابا   قال:   فيضربه بها ضربة يسمعها ما بين المشرق والمغرب إلا الثَّقَلين، فيصير ترابا   قال:   ثم تُعاد فيه الروح>.
থিম:

বারা ইবন আযেব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে একজন আনসারী সাহাবীর জানাযায় বের হলাম। আমরা কবর পর্যন্ত পৌঁছলাম এখনো কবর খোদা হয়নি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসলেন আমরাও তার আশপাশে বসলাম যেন আমাদের মাথার ওপর পাখি। তার হাতে একটি লাঠি ছিল যা দ্বারা তিনি মাটি খুড়তে ছিলেন। তারপর তিনি মাথা উঠালেন এবং দুইবার বা তিনবার বললেন, তোমরা আল্লাহর নিকট জাহান্নামের আযাব থেকে আশ্রয় কামনা কর। অন্য একটি বর্ণনায় বৃদ্ধি করা হয়, যখন তাকে বলা হয়, হে অমুক তোমার রব কে, তোমার দীন কি এবং তোমার নবী কি? তখন তাদের খড়মের আওয়াজ সে শুনতে পায় যখন তারা বাড়ি ফিরে যায়। হান্নাদ বলল, তিনি বলেন, দুইজন ফিরিশতা তার কাছে আসবে। তখন তারা দুইজন তাকে বসাবে এবং তাকে বলবে তোমার রব কে? সে বলবে, আমার রব আল্লাহ। তারা দুইজন বলবে, তোমার দীন কি? সে বলবে, আমার দীন ইসলাম। তারা বলবে এ লোকটি কে যাকে তোমাদের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে? সে উত্তর দেবে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তারা বলবে, তুমি কীভাবে জানতে পারলে? সে বলবে আল্লাহর কিতাব পড়েছি, তার প্রতি বিশ্বাস করছি এবং ঈমান এনেছি। জারীরের হাদীসে বৃদ্ধি করা হয়েছে যে, এটিই আল্লাহ তা'আলার বাণী: "যারা ঈমান আনে আল্লাহ তাদের অটুট রাখেন"। [সূরা ইব্রাহীম, আয়াত: ২৭] অতঃপর তারা অভিন্নভাবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আসমান থেকে একজন আহ্বানকারী আহ্বান করে বলেন, আমার বান্দা সত্য বলছে, তার জন্য জান্নাতের বিছানা বিছাও, তার জন্য জান্নাতের দিকে দরজা খুলে দাও এবং তাকে জান্নাতের পোশাক পরিধান করাও। তখন জান্নাতের সুঘ্রাণ ও সুবাতাস সে পেতে থাকবে। তিনি বলেন, তার জন্য তাতে তার চোখের দৃষ্টি পরিমাণ প্রসস্ত করা হবে। তিনি বলেন, তারপর তিনি কাফিরের মৃত্যুর আলোচনা করেন। তার দেহে তার রূহ প্রেরণ করা হবে। দুইজন ফিরিশতা এসে তাকে বসাবে এবং তারা দুইজন তাকে জিজ্ঞাসা করবে তোমার রব কে? সে বলবে হা হা আমি জানিনা। তারা জিজ্ঞাসা করবে তোমার দীন কি? সে বলবে হা হা আমি জানিনা। তারা জিজ্ঞাসা করবে এ লোকটি কে যাকে তোমার নিকট প্রেরণ করা হয়েছে? সে বলবে হা হা আমি জানিনা। তখন একজন আহ্বানকারী আসমান থেকে আহ্বান করে বলবে, লোকটি মিথ্যা বলেছিল, তাকে জাহান্নামের বিছানা বিছিয়ে দাও, জাহান্নামের পোশাক পরিয়ে দাও এবং জাহান্নামের দিকে দরজা খুলে দাও। তিনি বলেন, ফলে তার গরম ও বিষাক্ত বাতাস নিকট আসতে থাকবে। তিনি বলেন, "এবং তার ওপর তার কবরকে সংকীর্ণ করা হবে, ফলে তার হাড়গুলো একটি অপরটির ভেতর ঢুকে যাবে"। জারীরের বর্ণনা বৃদ্ধি করেছেন যে, "তারপর তার জন্য একজন অন্ধ বোবা ফিরিশতা নিয়োজিত করা হবে। তার সাথে থাকবে একটি মাথা বাঁকা লোহার লাঠি। তা দিয়ে যদি পাহাড়ে আঘাত করা হয় তবে তা মাটি হয়ে যাবে"। তিনি বলেন, "তারপর তা দ্বারা তাকে আঘাত করা হবে জীন আর ইনসান ছাড়া পশ্চিম ও পুবের মাঝে যা কিছু আছে সবাই তা শুনতে পাবে। তারপর সে মাটি হয়ে যাবে"। তিনি বলেন, "অতঃপর তার মধ্যেআবার রূহ প্রেরণ করা হবে"।
থিম:

يحكي البراء بن عازب أنهم خرجوا مع رسول الله -صلى الله عليه وسلم- في جنازة رجل من الأنصار، فوصلوا إلى القبر قبل أن يُدفن، فجلس رسول الله -صلى الله عليه وسلم- وجلسوا حوله صامتين، لا يتكلمون من هيبته -صلى الله عليه وسلم-، وفي يده -صلى الله عليه وسلم- عود يضرب به في الأرض كما يفعل المتفكر المهموم، فرفع رأسه فقال: اطلبوا من الله أن يجنِّبكم ويخلصكم من عذاب القبر، قال ذلك مرتين أو ثلاث مرات، ثم أخبرهم أن الميت يسمع صوت نعال مشيعيه إذا انصرفوا عنه، وأنه في هذا الوقت يأتيه ملكان فيجلسانه، فيقولان له: من ربك؟ فيقول: ربي الله. فيقولان له: ما دينك؟ فيقول: ديني الإسلام. فيقولان له: ما هذا الرجل الذي بُعث فيكم؟ فيقول: هو رسول الله -صلى الله عليه وسلم-. فيقولان له: وما يدريك بذلك؟ فيقول: قرأت كتاب الله فآمنت به وصدقت به. وجريان لسانه بالجواب المذكور هو التثبيت الذي تضمنه قوله -تعالى-: {يثبت الله الذين آمنوا بالقول الثابت} [إبراهيم: 27] الآية. ثم قال النبي -صلى الله عليه وسلم-: فينادي مناد من السماء: أن صدق عبدي فيما يقول، فإنه كان في الدنيا على هذا الاعتقاد؛ فهو مستحق للإكرام، فاجعلوا له فرشا من فرش الجنة، وألبسوه من ثياب أهل الجنة، وافتحوا له بابا إلى الجنة، فيُفتح له فيأتيه من نسيمها ورائحتها الطيبة، ويوسع له في قبره مسافة ما يمتد إليه بصره.
وأما الكافر فذكر -صلى الله عليه وسلم- حال موته وشدته، وأنه تعاد روحه بعد الدفن في جسده، ويأتيه ملكان، فيجلسانه فيقولان له: من ربك؟ فيقول متحيرا: هاه هاه لا أدري، فيقولان له: ما دينك؟ فيقول: هاه هاه لا أدري، فيقولان له: ما تقول في حق هذا الرجل الذي بُعث فيكم أنبي أم لا؟ فيقول: هاه هاه لا أدري، فينادي مناد من السماء: أن كذب هذا الكافر؛ لعدم إيمانه وجحوده الذي كان سببًا في قوله هذا؛ ولأن دين الله -تعالى- ونبوة محمد -صلى الله عليه وسلم- كان ظاهرا في مشارق الأرض ومغاربها، فاجعلوا له فرشا من فرش النار، وألبسوه من ثياب أهل النار، وافتحوا له بابا إلى النار، فيأتيه من حر النار، ويضيق عليه قبره حتى تتداخل أضلاعه، وتزول عن هيئتها المستوية التي كانت عليها، ثم يُسلَّط عليه ملك أعمى أخرس لا يتكلم، معه مطرقة كبيرة من حديد، لو ضُرب بها جبل لصار ترابا، فيضربه بها ضربة يسمعها كل ما بين المشرق والمغرب إلا الجن والإنس، فيصير ترابا، ثم يعاد فيه الروح؛ ليذوق العذاب، ويستمر العذاب عليه في قبره.

থিম:

বারা ইবন আযেব রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে একজন আনসারী সাহাবীর জানাযায় বের হলেন। দাফন করার পূর্বে তারা কবর পর্যন্ত পৌঁছলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসলেন তারাও তার আশপাশে চুপচাপ বসলেন রাসূলের ভয়ে কেউ কথা বললেন না। তার হাতে একটি লাঠি ছিল যা দ্বারা তিনি মাটিতে আঘাত করতে ছিলেন, যেমনটি একজন চিন্তিত মানুষ করে থাকে। তারপর তিনি মাথা উঠালেন এবং দুইবার বা তিনবার বললেন, তোমরা আল্লাহর নিকট জাহান্নামের আগুন থেকে আশ্রয় কামনা কর। তারপর তিনি তাদের সংবাদ দেন যে, মৃত ব্যক্তি তাকে বিদাই জানাতে আসা লোকদের জুতার আওয়ায শুনতে পান যখন তারা বাড়িতে ফিরে যায়। আর তখন তার কাছে দুইজন ফিরিশতা আসেন এবং তারা তাকে বসান এবং তাকে বলেন তোমার রব কে? সে বলে, আমার রব আল্লাহ। তারা দুইজন বলে, তোমার দীন কি? সে বলে, আমার দীন ইসলাম। তারা বলে এ লোকটি কে যাকে তোমাদের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে? সে উত্তর দেয় তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তারপা তারা বলে, তুমি কীভাবে জানতে পারলে? সে বলে আল্লাহর কিতাব পড়েছি, তার প্রতি বিশ্বাস করছি এবং ঈমান এনেছি। মুখ থেকে উল্লেখিত উত্তর বের হওয়াই হলো তাসবীত বা অটুট থাকা যার বর্ণনা আল্লাহর বাণীতে এসেছে: আল্লাহ বলেন, "যারা ঈমান আনে আল্লাহ তাদের প্রতিষ্ঠিত কথা দ্বারা অটুট রাখেন"। [সূরা ইব্রাহীম, আয়াত: ২৭] অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "আসমান থেকে একজন আহ্বানকারী আহ্বান করে বলেন, আমার বান্দা যা বলেছে তা সত্য বলছে, কারণ, দুনিয়াতে সে এ বিশ্বাসের ওপর ছিল। তাই সে সম্মানের অধিকারী। তোমরা তার জন্য জান্নাতের বিছানাসমূহ থেকে বিছানা বিছিয়ে দাও, তাকে জান্নাতের পোশাক পরিধান করাও এবং তার জন্য জান্নাতের দিকে দরজা খুলে দাও। তখন তার জন্য খুলে দেওয়া হবে আর জান্নাতের সুঘ্রাণ ও সুবাতাস সে পেতে থাকবে। আর তার জন্য কবরকে তার চোখের দৃষ্টির দূরত্ব পরিমাণ প্রসস্ত করা হবে। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাফিরের মৃত্যুর অবস্থা ও কঠিন হওয়ার বিষয়টি আলোচনা করেন। দাফন করার পর তার দেহে তার রূহ প্রেরণ করা হবে। আর দুইজন ফিরিশতা এসে তাকে বসাবে এবং তারা দুইজন তাকে জিজ্ঞাসা করবে তোমার রব কে? সে হয়রান হয়ে বলবে হা হা আমি জানিনা। তারা জিজ্ঞাসা করবে তোমার দীন কি? সে বলবে হা হা আমি জানিনা। তারা জিজ্ঞাসা করবে এ লোকটি কে যাকে তোমাদের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে, তিনি কি নবী বা নবী নয়? সে বলবে হা হা আমি জানিনা। তখন একজন আহ্বানকারী আসমান থেকে আহ্বান করে বলবে, কাফের লোকটি ঈমান না আনা এবং অস্বীকার করার কারণে এ সব মিথ্যাচার করছিল। কারণ, আল্লাহর দীন এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নুবুওয়াত যমীনে পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। তাই তোমরা তাকে জাহান্নামের বিছানাসমূহ থেকে বিছানা বিছিয়ে দাও, তাকে জাহান্নামীদের পোশাক পরিয়ে দাও এবং জাহান্নামের দিকে দরজা খুলে দাও। তখন জাহান্নামের তাপ তার গায়ে লাগবে। তারপর তার ওপর কবর চাপা দেওয়া হবে ফলে একপাশের হাঁড় অপর হাড়ের মধ্যে প্রবেশ করবে এবং আপন অবস্থা থেকে সরে যাবে। তারপর তার জন্য একজন অন্ধ বোবা ফিরিশতা নিয়োজিত করা হবে, সে তার সাথে কথা বলবে না। তার সাথে থাকবে লোহাড় একটি বড় হাতুড়ি। তা দিয়ে যদি পাহাড়ে আঘাত করা হয় তবে তা মাটি হয়ে যাবে। তারপর তা দ্বারা তাকে আঘাত করা হবে জীন আর ইনসান ছাড়া পশ্চিম ও পুবের মাঝে যা কিছু আছে সবাই তা শুনতে পাবে। তারপর সে মাটি হয়ে যাবে। অতঃপর তার মধ্যে রূহ ফিরিয়ে দেওয়া হবে যেন আযাব আস্বাদ করে আর তার কবরে শাস্তি চিরকাল চলতে থাকবে। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11212

 
Hadith   48



Esin Hadith ID


11213" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: أشرف النبي -صلى الله عليه وسلم- على أطم من آطام المدينة، فقال: هل ترون ما أرى، قالوا: لا، قال: فإني لأرى الفتن تقع خلال بيوتكم كوقع القطر
থিম:

নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনার কোন একটি পাথর নির্মিত গৃহের উপর আরোহণ করে বললেন, আমি যা দেখি তোমরা কি তা দেখতে পাচ্ছ? (তিনি বললেন) বৃষ্টি বিন্দু পতিত হওয়ার মত আমি তোমাদের গৃহসমূহের মাঝে ফিতনা পতিত হতে দেখতে পাচ্ছি।
থিম:

عن أسامة بن زيد -رضي الله عنهما- قال: أشرفَ النبيُّ -صلى الله عليه وسلم- على أُطُم من آطام المدينة، فقال:   هل ترون ما أرى؟   قالوا: لا، قال:   فإنِّي لأرى الفتنَ تقع خِلال بيوتكم كوَقْع القَطْر>.
থিম:

উসামা ইবন যায়েদ রাদিয়াল্লাহু <'আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনার কোন একটি পাথর নির্মিত গৃহের উপর আরোহণ করে বললেন, আমি যা দেখি তোমরা কি তা দেখতে পাচ্ছ? (তিনি বললেন) বৃষ্টি বিন্দু পতিত হওয়ার মত আমি তোমাদের গৃহসমূহের মাঝে ফিতনা পতিত হতে দেখতে পাচ্ছি।
থিম:

نظر النبي -صلى الله عليه وسلم- من مكانٍ عالٍ فوق حصن من حصون المدينة فقال لأصحابه: هل ترون ما أرى؟ إني أرى الفتن تقع وسط بيوتكم كما يقع المطر بكثرة وغزارة. وهو إشارة إلى الحروب والفتن الواقعة في المدينة، كمقتل عثمان، ووقعة الحرة وغيرها.
থিম:

নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনার কোন একটি পাথর নির্মিত গৃহের উপর থেকে তাকিয়ে তার সাহাবীদের বললেন, আমি যা দেখি তোমরা কি তা দেখতে পাচ্ছ? (তিনি বললেন) বৃষ্টি বিন্দু পতিত হওয়ার মত আমি তোমাদের গৃহসমূহের মাঝে ফিতনা সংঘটিত হতে দেখতে পাচ্ছি। এটি মদীনায় সংঘটিত যুদ্ধ, বিদ্রোহ ও ফিতনার প্রতি ইঙ্গিত। যেমন, উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর ফিতনা, হাররার ঘটনা ইত্যাদি। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11213

 
Hadith   49



Esin Hadith ID


11214" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: اعدد ستًّا بين يدي الساعة
থিম:

কিয়ামতের পূর্বেকার ছয়টি আলামত গণনা কর। একটি হচ্ছে আমার মৃত্যু। অতঃপর বাইতুল মুকাদ্দাস বিজয়। অতঃপর দু'টি মৃত্যু তোমাদের মধ্যে থেকে মেষপালের ন্যায় (অধিকহারে লোক) গ্রহণ করবে। তারপর সম্পদের প্রাচুর্য হবে, এমনকি মাথাপিছু শত দীনার (স্বর্ণমুদ্রা) পেয়েও মানুষ সন্তুষ্ট হবে না। তারপর তোমাদের মধ্যে এমন বিপর্যয় সৃষ্টি হবে, যা থেকে আরবের কোন ঘর রেহাই পাবে না। এরপর বনু আসফার (রোমক খৃস্টান)-এর সাথে তোমাদের সন্ধি হবে।
থিম:

عن عوف بن مالك -رضي الله عنه-، قال: أتيتُ النبي -صلى الله عليه وسلم- في غزوة تبوك وهو في قُبَّة من أَدَم، فقال:   اعدُد ستًّا بين يدي الساعة: موتي، ثم فتح بيت المقدس، ثم مُوتانٌ يأخذ فيكم كقُعَاص الغنم، ثم استفاضة المال حتى يُعطى الرجل مائة دينار فيظل ساخطا، ثم فتنة لا يبقى بيتٌ من العرب إلا دخلته، ثم هُدْنة تكون بينكم وبين بني الأصفر، فيغدرون فيأتونكم تحت ثمانين غاية، تحت كل غاية اثنا عشر ألفا>.
থিম:

আওফ ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তাবূক যুদ্ধকালে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উপস্থিত হলাম। তিনি একটি চামড়ার তাঁবুর ভেতরে ছিলেন। তিনি বললেন, "কিয়ামতের পূর্বেকার ছয়টি আলামত গণনা কর। একটি হচ্ছে আমার মৃত্যু। অতঃপর বাইতুল মুকাদ্দাস বিজয়। অতঃপর দু'টি মৃত্যু তোমাদের মধ্যে থেকে মেষপালের ন্যায় (অধিকহারে লোক) গ্রহণ করবে। তারপর সম্পদের প্রাচুর্য হবে, এমনকি মাথাপিছু শত দীনার (স্বর্ণমুদ্রা) পেয়েও মানুষ সন্তুষ্ট হবে না। তারপর তোমাদের মধ্যে এমন বিপর্যয় সৃষ্টি হবে, যা থেকে আরবের কোন ঘর রেহাই পাবে না। এরপর বনু আসফার (রোমক খৃস্টান)-এর সাথে তোমাদের সন্ধি হবে। কিন্তু তারা তোমাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে এবং আশিটি পতাকা তলে সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। প্রতিটি পতাকার অধীনে থাকবে বারো হাজার সৈন্য"।
থিম:

جاء عوف بن مالك إلى النبي -صلى الله تعالى عليه وسلم- في غزوة تبوك، وهو في خيمة من جلد مدبوغ، فقال له النبي -صلى الله تعالى عليه وسلم-: احسب ست علامات من العلامات الواقعة قبل قيام الساعة: موتي، ثم فتح بيت المقدس، وهذا وقع في عهد عمر -رضي الله عنه-، ثم وباء ينتشر فيكم؛ فيموت كثير منكم بسرعة، كما ينتشر الوباء في الغنم فتموت، ثم كثرة المال حتى إنه إذا أُعطي الرجل مائة دينار يغضب؛ لأنه مبلغ قليل في نظره، وقيل: إن هذه الكثرة ظهرت في خلافة عثمان -رضي الله تعالى عنه- عند الفتوح، ثم تقع فتنة عظيمة لا يبقى بيت من بيوت العرب إلا دخلته، قيل: هي مقتل عثمان وما بعده من الفتن المترتبة عليها، ثم صلح يكون بين المسلمين وبين الروم، فينقضون الصلح ويغدرون بالمسلمين، فيأتون لقتال المسلمين في ثمانين راية وهي العَلَم، تحت كل راية اثنا عشر ألف مقاتل، جملتهم تسعمائة ألف وستون ألفًا.
থিম:

আওফ ইবনে মালেক তাবূক যুদ্ধকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উপস্থিত হল। তখন তিনি একটি চামড়ার তাঁবুর ভেতরে ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, "কিয়ামতে পূর্বেকার আলামতসমূহ হতে ছয়টি আলামত গণনা কর। একটি হচ্ছে আমার মৃত্যু। অতঃপর বাইতুল মুকাদ্দাস বিজয়। এটি উমার রাদিয়াল্লাহু খিলাফত যুগে সংঘটিত হয়। অতঃপর তোমাদের মধ্যে একটি মহামারি ছড়িয়ে পড়বে। তখন তোমাদের মধ্যে কতক মানুষ খুব দ্রুত মারা যাবে যেমনিভাবে বকরির মধ্যে এ ধরনের মহাবারি ছড়িয়ে পড়লে সেগুলো খুব দ্রুত মারা যায়। তারপর তোমাদের সম্পদের প্রাচুর্য হবে, এমনকি মাথাপিছু শত দীনার (স্বর্ণমুদ্রা) পেয়েও মানুষ সন্তুষ্ট হবে না। সে ক্ষুব্ধ হবে। কারণ, তার দৃষ্টিতে তার পরিমাণ কম। কেউ কেউ বলেছেন, এ ধরনের অবস্থা উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর খিলাফত আমলে বিজয়সমূহের সময় দেখা গিয়েছিল। তারপর তোমাদের মধ্যে এমন মহা বিপর্যয় সৃষ্টি হবে, যা থেকে আরবের কোন ঘরই রেহাই পাবে না। কেউ কেউ বলেছেন, তা হলো উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর হত্যা এবং তারপর তাকে কেন্দ্র করে যে সব ফিতনা দেখা দিয়েছেল। এরপর মুসলিমদের মাঝে এবং বনু আসফার (রোমক খৃস্টান)-এর সাথে তোমাদের সন্ধি হবে। কিন্তু তারা চুক্তি ভঙ্গ করবে এবং মুসলিমদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে। ফলে মুসলিমদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য আশিটি পতাকা তলে সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে অগ্রসর হবে। প্রতিটি পতাকার অধীনে থাকবে বারো হাজার সৈন্য। যার সমষ্টি হবে নয় লক্ষ ষাট হাজার। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11214

 
Hadith   50



Esin Hadith ID


11215" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: أن النبي -صلى الله عليه وسلم- قال: بعثت أنا والساعة هكذا، ويشير بإصبعيه فيمد بهما
থিম:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমাকে প্রেরণ করা হয়েছে কিয়ামতের সাথে এ রকম, এ কথা বলে তিনি আঙ্গুল দু'টিকে প্রসারিত করে ইশারা করেন।
থিম:

عن سهل بن سعد -رضي الله عنه- عن رسول الله -صلى الله عليه وسلم- قال:   بُعِثْتُ أنا والساعةَ هكذا>، ويُشير بإصبعيه فيَمُدُّ بهما.
থিম:

সাহল ইবন সা'দ রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমাকে প্রেরণ করা হয়েছে কিয়ামতের সাথে এ রকম, এ কথা বলে তিনি আঙ্গুল দু'টিকে প্রসারিত করে ইশারা করেন।
থিম:

يخبر النبي -صلى الله عليه وسلم- عن قرب مجيء يوم القيامة، فإن بعثته -صلى الله عليه وسلم- ويوم القيامة متقاربان كتقارب ما بين إصبعيه -صلى الله عليه وسلم-، ومد -صلى الله عليه وسلم- إصبعيه ليميزهما عن سائر الأصابع.
وقد ورد في بعض الأحاديث الأخرى أن الإصبعين هما: السبابة والوسطى، السبابة: هي التي بين الوسطى والإبهام، وأنت إذا قرنت بينهما وجدتهما متجاورين، ووجدت أنه ليس بينهما إلا فرق يسير، ليس بين الوسطى والسبابة إلا فرق يسير مقدار الظفر أو نصف الظفر، وتسمى السبابة؛ لأن الإنسان إذا أراد أن يسب أحد أشار إليه بها، وتسمى السباحة أيضاً؛ لأن الإنسان عند الإشارة إلى تعظيم الله -عز وجل- يرفعها، ويشير بها إلى السماء، والمعنى أن أجل الدنيا قريب وأنه ليس ببعيد.

থিম:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিয়ামত নিকটবর্তী হওয়ার সংবাদ দিয়েছেন। কেননা তাঁর প্রেরণের সময় ও কিয়ামতের দিন অত্যন্ত নিকটবর্তী যেমন তাঁর দু'টি আঙ্গুল পরস্পর নিকটবর্তী। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দু'টি আঙ্গুল প্রসারিত করে অন্যসব আঙ্গুলের থেকে এদু'টিকে পৃথক করেছেন।
অন্য হাদীসে তাঁর উক্ত আঙ্গুলদ্বয় সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, তা ছিলো তর্জনী (শাহাদত অঙ্গুলী) ও মধ্যমা। তর্জনী অঙ্গুলী হলো মধ্যমা ও বৃদ্ধাঙ্গুলীর মধ্যকার অঙ্গুলী। আপনি যখন এ অঙ্গুলীদ্বয়ের দূরত্ব তুলনা করবেন তখন দেখবেন এ দু'টি আঙ্গুল পাশাপাশি এবং তাদের দূরত্ব অত্যন্ত কম। তর্জনী ও মধ্যমা অঙ্গুলীদ্বয়ের মধ্যকার দূরত্ব এক নখ বা অর্ধনখ পরিমাণ। তর্জনী অঙ্গুলীকে আরবীতে সাব্বাবা বলার কারণ হলো মানুষ যখন কাউকে গালি দেয় তখন এ অঙ্গুলী দ্বারা ইশারা করে। এ অঙ্গুলীকে সাব্বাহা তথা (তাসবীহ পাঠকারী) অঙ্গুলীও বলা হয়। কেননা মহান আল্লাহর সম্মানে যখন তাঁর দিকে ইশারা করে তখন এ অঙ্গুলী দ্বারা আকাশ পানে ইশারা করে। মূলকথা হলো দুনিয়ার বয়স শেষপ্রান্তে এসে গেছে, তা আর বেশি অবশিষ্ট নেই। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11215

 
Hadith   51



Esin Hadith ID


11216" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: لا تقوم الساعة حتى تخرج نار من أرض الحجاز تضيء أعناق الإبل ببصرى
থিম:

ততক্ষণ কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষন হিজাযের জমিন থেকে আগুন বের না হবে, যা বুসরার উটগুলোর গর্দান আলোকিত করে দিবে।
থিম:

عن أبي هريرة رضي الله عنه مرفوعًا:   لا تقومُ الساعةُ حتى تخرجَ نارٌ من أرض الحِجاز تُضيءُ أعناقَ الإبل ببُصْرى>.
থিম:

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে মারফু' হিসেবে বর্ণিত, "ততক্ষণ কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না হিজাযের জমিন থেকে আগুন বের হবে, যা বুসরার উটগুলোর গর্দান আলোকিত করে দিবে।"
থিম:

لا تقوم الساعة حتى تخرج نار من مكة والمدينة وما حولهما تنور أعناق الإبل بمدينة بصرى بالشام، وقد خرجت نار بالمدينة سنة أربع وخمسين وستمائة من الهجرة (654 ه)، وكانت نارًا عظيمةً خرجت من جنب المدينة الشرقي وراء الحرة، وتواتر العلم بها عند جميع أهل الشام، وسائر البلدان، وذكرها العلماء المعاصرون لها في كتبهم كالنووي والقرطبي وأبي شامة.
থিম:

ততক্ষণ কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না মক্কা-মদীনা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জমিন থেকে আগুন বের হবে, যা শামের (সিরিয়া) বুসরা শহরের উটগুলোর গর্দান আলোকিত করে দিবে। এ ধরণের আগুন ছয়শ চুয়ান্ন হিজরীতে মদীনায় দেখা দিয়েছিল। সে অগ্নি অনেক বড় আকারের ছিলো যা মদীনার পূর্বাঞ্চলের প্রস্তরময় পাহাড় থেকে বের হয়েছিল এবং এ সংবাদ সিরিয়াবাসী ও অন্যান্যদের কাছে অবগত ছিলো। সমকালীন আলেমগণ বিশেষ করে ইমাম নাওয়াওয়ী, কুরত্ববী ও আবূ শামাহ রহ. প্রমুখ তাদের কিতাবে উল্লেখ করেছেন। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11216

 
Hadith   52



Esin Hadith ID


11217" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: منعت العراق درهمها وقفيزها، ومنعت الشأم مديها ودينارها، ومنعت مصر إردبها ودينارها، وعدتم من حيث بدأتم، وعدتم من حيث بدأتم، وعدتم من حيث بدأتم
থিম:

ইরাক দিরহাম ও কাফীয প্রদান থেকে বিরত থাকবে। শাম মুদ ও দিনার আর মিসর ইরদাব ও দিনার থেকে বিরত থাকবে। আর তোমরা যেখান থেকে শুরু করছিলে সেখানে ফিরে যাবে। আর তোমরা যেখান থেকে শুরু করছিলে সেখানে ফিরে যাবে। আর তোমরা সেখান থেকে শুরু করছিলে সেখানে ফিরে যাবে।
থিম:

عن أبي هريرة -رضي الله عنه-، قال: قال رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: <مَنعت العراق دِرْهَمِها وقِفِّيزها، ومنعت الشام مُدْيها ودينارها، ومنعت مصر إردَبَّها ودينارها، وعُدتم مِن حيث بَدَأتُم، وعُدتم من حيث بدأتم، وعُدتم من حيث بدأتم   شَهِد على ذلك لحم أبي هريرة ودمه.
থিম:

আবূ হুরায়রাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "ইরাক দিরহাম ও কাফীয প্রদান থেকে বিরত থাকবে। শাম মুদ ও দিনার আর মিসর ইরদাব ও দিনার থেকে বিরত থাকবে। আর তোমরা যেখান থেকে শুরু করছিলে সেখানে ফিরে যাবে। আর তোমরা যেখান থেকে শুরু করছিলে সেখানে ফিরে যাবে। আর তোমরা সেখান থেকে শুরু করছিলে সেখানে ফিরে যাবে।" আবূ হুরায়রার গোস্ত ও রক্ত তার ওপর সাক্ষী।
থিম:

يخبر النبي -صلى الله عليه وسلم- أن المسلمين سوف يفتحون العراق والشام ومصر، وسيوضع عليها شيء مقدر بالمكاييل والأوزان يؤدونه للمسلمين، وسيُمنع ذلك في آخر الزمان: إما لأن الكفار الذين في هذه البلاد سينقضون العهد ولا يدفعون الأموال المقررة عليهم، وإما لاستيلاء كفار العجم على هذه البلاد، فيمنعون وصول هذه الأموال إلى المسلمين، ويصبح المسلمون حينئذ ضعفاء فقراء غرباء، كما كانوا في بداية الإسلام.
থিম:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দেন যে, অচীরেই মুসলিমগণ ইরাক, শাম এবং মিসর জয় করবে। তখন তারা তাদের ওপর মীকাল এবং ওজনের মাধ্যমে কিছু সম্পদ নির্ধারণ করে দেবে যা তারা মুসলিমদের জন্য পরিশোধ করবে। কিন্তু শেষ যামানায় তারা তা আদায় করবে না। কারণ, হয়তো তখন যে কাফির এ দেশগুলোতে বসবাস করবে তারা চুক্তি ভঙ্গ করবে এবং তারা তাদের ওপর নির্ধারিত সম্পদ প্রদান করবে না। অথবা এ সব দেশে বহির বিশ্বের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে ফলে তারা এ সব সম্পদ মুসলিমদের কাছে পৌঁছতে নিষেধ করবে। তখন মুসলিমগণ দুর্বল হয়ে পড়বে যেমনটি তারা প্রথম যুগে দুর্বল ছিল। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11217

 
Hadith   53



Esin Hadith ID


11218" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: يكون في آخر أمتي خليفة يحثي المال حثيًا، لا يعده عددًا
থিম:

শেষ যামানায় আমার উম্মতের মধ্যে একজন খলীফা হবেন যিনি সম্পদকে দুই হাত দ্বারা ছিটাতে থাকবে হিসাব করবে না।
থিম:

عن أبي نَضْرَة، قال: كنا عند جابر بن عبد الله فقال: يُوشِك أهلُ العراق أن لا يُجبى إليهم قَفِيز ولا درهم، قلنا: من أين ذاك؟ قال: من قِبل العَجَم يمنعون ذاك، ثم قال: يُوشك أهل الشام أن لا يُجبى إليهم دينار ولا مُدْي، قلنا: من أين ذاك؟ قال: من قِبل الروم، ثم سكت هُنيَّة، ثم قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:   يكون في آخر أمتي خليفة يَحثي المال حَثْيا، لا يَعُدُّه عددا   قال قلتُ لأبي نَضرَة وأبي العلاء: أتَرَيان أنه عمر بن عبد العزيز، فقالا: لا.
থিম:

আবূ নাধরাহ হতে বর্ণিত তিনি বলেন, একদা আমরা জাবের ইবন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু <'আনহুর নিকট ছিলাম। তখন তিনি বললেন, অচীরেই ইরাকীদের নিকট কাফীয ও দিরহাম একত্র করা হবে না। আমরা বললাম, তা কোথা বাধা প্রাপ্ত হবে? তিনি বললেন, অনারবদের পক্ষ হতে তারা তা বারণ করবে। তারপর তিনি বলেন, অচীরেই সিরিয়াবাসীর কাছে কোন দীনার ও মুদ একত্র করা হবে না। আমরা বললাম, তা কোথা থেকে? বললেন, রুমের পক্ষ হতে। তারপর তিনি কিছু সময় চুপ রইলেন। তারপর তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "শেষ যামানায় আমার উম্মতের মধ্যে একজন খলীফা হবেন যিনি সম্পদকে দুই হাত দ্বারা ছিটাতে থাকবে হিসাব করবে না"। তিনি বলেন, আমি আবূ নাধরাহ ও আবূল 'আলাকে বললাম, তোমরা কি বিশ্বাস কর যে, তিনি উমার ইবনে আব্দুল আযীয? তারা বললেন, না।
থিম:

يخبر النبي صلى الله عليه وسلم أن المسلمين سوف يفتحون العراق، وسيوضع عليها شيء مقدر بالمكاييل والأوزان يؤدونه للمسلمين، وسيُمنع ذلك في آخر الزمان؛ وذلك لاستيلاء كفار العجم على هذه البلاد فيمنعون وصول هذه الأموال إلى المسلمين، ويخبر كذلك أن المسلمين سوف يفتحون الشام، وسيوضع عليها شيء مقدر بالمكاييل والأوزان يؤدونه للمسلمين، وسيُمنع ذلك في آخر الزمان؛ وذلك لاستيلاء الروم على هذه البلاد فيمنعون وصول هذه الأموال إلى المسلمين، وأخبر صلى الله عليه وسلم أنه سيكون في آخر هذه الأمة خليفة يحثي المال ولا يعده، أى: لكثرته واتساع الفتوحات عليه، فهو يلقي المال للناس بيده كما يفعل بالتراب إذا رمى به بيديه.
ويخبر الراوي أنه سأل بعض أهل العلم من التابعين: هل هذا الخليفة هو عمر بن عبد العزيز؟ فقالوا: لا.

থিম:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দেন যে, অচীরেই মুসলিমগণ ইরাক জয় করবেন। আর মুসলিমরা তাদের ওপর এমন কিছু জিনিস কর হিসেবে নির্ধারণ করবে যা তারা মুসলিমদেরকে মেপে ও ওজন করে পরিশোধ করবে, কিন্তু শেষ যামানায় তা পরিশোধ করা হবে না। কারণ অনারব কাফিরগণ এ শহরসমূহের ওপর বিজয় লাভ করবে, তখন তারা এসব সম্পদ মুসলিমদের নিকট পৌঁছতে বাঁধা দিবে। তিনি আরও সংবাদ দেন যে, মুসলিমগণ অচীরেই সিরিয়া জয় করবে, আর মুসলিমরা তাদের ওপর এমন কিছু জিনিস কর হিসেবে নির্ধারণ করবে যা তারা মুসলিমদেরকে মেপে ও ওজন করে পরিশোধ করবে, কিন্তু শেষ যামানায় তা পরিশোধ করা হবে না। কারণ রোম এ শহরসমূহের ওপর বিজয় লাভ করবে, তখন তারা এসব সম্পদ মুসলিমদের নিকট পৌঁছতে বাঁধা দিবে। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও সংবাদ দেন যে, এ উম্মতের শেষাংশে এমন একজন খলীফা হবেন যিনি সম্পদ এবং বিজয় তার হাতে অধিক হওয়ার কারণে সম্পদকে দুই হাত দ্বারা ছিটাতে থাকবেন গণনা করবেন না। তিনি সম্পদকে মানুষের জন্য নিজ হাতে ডালবেন যেমনিভাবে মাটিকে দুই হাত দ্বারা নিক্ষেপ করা হয়। বর্ণনাকারী সংবাদ দেন যে, তিনি তাবেঈদের থেকে কতক আহলে ইলমকে জিজ্ঞাসা করেন, সে খলীফা কি উমার ইবন আব্দুল আযীয? তারা বলল, না। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11218

 
Hadith   54



Esin Hadith ID


11219" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: تغزون جزيرة العرب فيفتحها الله، ثم فارس فيفتحها الله، ثم تغزون الروم فيفتحها الله، ثم تغزون الدجال فيفتحه الله
থিম:

তোমরা জাযিরাতুল আরবে যূদ্ধ করবে, আল্লাহ তা বিজিত করে দিবেন। অতঃপর পারস্যবাসীদের সাথে যুদ্ধ করবে, আল্লাহ তাও বিজিত করে দিবেন। এরপর রোমীয়দের সাথে যুদ্ধ করবে, আল্লাহ তা'আলা এতেও তোমাদের বিজয়ী করবেন। অবশেষে তোমরা দাজ্জালের সাথে যুদ্ধ করবে। এখানেও আল্লাহ তা'আলা তোমাদেরকে বিজয়ী করবেন।
থিম:

عن نافع بن عتبة -رضي الله عنه-، قال: كنا مع رسول الله -صلى الله عليه وسلم- في غزوة، قال: فأَتَى النبيَّ -صلى الله عليه وسلم- قومٌ من قِبَل المغرب، عليهم ثياب الصوف، فوافقوه عند أَكَمة، فإنهم لَقيامٌ ورسول الله -صلى الله عليه وسلم- قاعد، قال: فقالت لي نفسي: ائتِهم فقُم بينهم وبينه لا يَغتالونه، قال: ثم قلتُ: لعله نَجِيّ معهم، فأَتَيتُهم فقمتُ بينهم وبينه، قال: فحفِظتُ منه أربع كلمات أَعُدُّهن في يدي، قال:   تَغزون جزيرة العرب فيَفتحها الله، ثم فارس فيفتحها الله، ثم تغزون الروم فيفتحها الله، ثم تغزون الدَّجَّال فيفتحه الله   قال: فقال نافع: يا جابر، لا نرى الدجال يخرج، حتى تُفتح الروم.
থিম:

নাফে' ইবন 'উতবাহ রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন এক যুদ্ধে আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম। তখন পশ্চিম দিক থেকে নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে একদল লোক আসল। তাদের গায়ে ছিল পশমের কাপড়। তারা এক টিলার নিকট এসে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সাক্ষাৎ করলো। এ সময় তারা ছিল দণ্ডায়মান এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন উপবিষ্ট। আমার মন তখন আমাকে বলল, তুমি যাও এবং তাদের ও রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাঝে গিয়ে দাঁড়াও, যেন তারা প্রতারণা করে তাকে হত্যা করতে না পারে। পুনরায় আবার আমার মনে আসল, সম্ভবত তিনি তাদের সাথে কোন গোপন আলাপ করছেন। তথাপিও আমি গেলাম এবং তাদের ও রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের মধ্যখানে দাঁড়িয়ে রইলাম। এ সময় আমি তার থেকে চারটি কথা মুখস্থ করলাম এবং এ কথাগুলো আমি হাত দ্বারা গণনা করতে পারি। তিনি বললেন, "তোমরা জাযিরাতুল আরবে যূদ্ধ করবে, আল্লাহ তা বিজিত করে দিবেন। অতপর পারস্যবাসীদের সাথে যুদ্ধ করবে, আল্লাহ তাও বিজিত করে দিবেন। এরপর রোমীয়দের সাথে যুদ্ধ করবে, আল্লাহ তা'আলা এতেও তোমাদের বিজয়ী করবেন। অবশেষে তোমরা দাজ্জালের সাথে যুদ্ধ করবে। এখানেও আল্লাহ তা'আলা তোমাদেরকে বিজয়ী করবেন।" বর্ণনাকারী নাফে' (ইবন 'উতবাহ) বলেন, হে জাবির! আমাদের ধারণা রোম বিজয়ের পর দাজ্জালের আবির্ভাব হবে।
থিম:

يحكي الصحابي نافع بن عتبة -رضي الله عنه- أنه كان مع رسول الله -صلى الله عليه وسلم- في غزوة، فجاء ناس من ناحية المغرب إلى النبي -صلى الله عليه وسلم- يلبسون ثيابًا من الصوف، وكان النبي -صلى الله عليه وسلم- جالسا على مكان مرتفع، فوقفوا ورسول الله -صلى الله عليه وسلم- قاعد، فقال نافع لنفسه: لا تترك رسول الله بمفرده مع هؤلاء الغرباء، اذهب فكن معهم حتى لا يقتلوه ولا يراهم أحد. ثم قال لنفسه: لعله يكون يتكلم معهم كلام سر لا يريد أن يطلع عليه أحد. فما كان منه إلا أن ذهب فوقف بينهم وبينه -صلى الله عليه وسلم-، قال نافع: فحفِظتُ من رسول الله أربع جمل أُعدها على يدي، حيث أخبر -صلى الله عليه وسلم- أن المسلمين من بعده يقاتلون كفار العرب، فيدخل العرب كلهم في الإسلام، وتصير الجزيرة العربية كلها تحت حكم المسلمين، ثم أخبرهم أنهم يقاتلون الفرس فينتصرون عليهم، ويفتحون بلاد فارس كلها، ثم يقاتلون الروم فينتصرون عليهم، ويفتحون بلادهم، ثم يقاتلون الدَّجَّال فيجعله الله -تعالى- مقهورا مغلوبا. ثم قال نافع لجابر بن سمرة: يا جابر، لا أظن الدجال يخرج حتى تُفتح بلاد الروم.
وكلها قد وقعت وبقي قتال الدجال، وهذا يكون بين يدي الساعة، قريبا منها.

থিম:

সাহাবী নাফে' ইবন 'উতবাহ রাদিয়াল্লাহু <'আনহু ঘটনা বর্ণনা করেন যে, তিনি এক যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলেন। তখন পশ্চিম দিক থেকে নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে একদল লোক আসল। তাদের গায়ে ছিল পশমের কাপড়। তখন নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি উচু টিলায় বসা ছিলেন। এসময় তারা ছিল দণ্ডায়মান এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন উপবিষ্ট। তখন নাফে' রাদিয়াল্লাহু <'আনহু মনে মনে বললেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ওসব অপরিচিত মানুষের মাঝে একা রেখে যেওনা। তুমি সেখানে যাও এবং তাদের মাঝে গিয়ে দাঁড়াও, যেন তারা প্রতারণা করে তাঁকে হত্যা করতে না পারে। ফলে কেউ তাদেরকে দেখবে না। পুনরায় তিনি মনে মনে বললেন, সম্ভবত তিনি তাদের সাথে কোন গোপন কথাবার্তা বলছেন যা তিনি কাউকে জানাতে চান না। তথাপিও তিনি সেখানে গেলেন এবং তাদের ও রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের মধ্যখানে দাঁড়িয়ে রইলেন। নাফে' বলেন, এ সময় আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের থেকে চারটি কথা মুখস্থ করলাম এবং কথাগুলো আমি হাত দ্বারা গণনা করতে পারি। তিনি সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন যে, তাঁর পরে মুসলিমরা আরবে কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, আল্লাহ তা বিজিত করে দিবেন। ফলে সকল আরব ইসলামে প্রবেশ করবে। তখন জাযিরাতুল আরব পুরোটাই মুসলিম শাসনের অধীনস্থ হবে। অতপর তিনি সংবাদ দিয়েছেন যে, তারা পারস্যবাসীদের সাথে যুদ্ধ করবে, তারা তাদের উপর বিজয় লাভ করবে। পুরো পারস্য মুসলিমগণ বিজয় করবে। এরপর রোমীয়দের সাথে যুদ্ধ করবে, আল্লাহ তা'আলা এতেও তাদেরকে বিজয়ী করবেন। অবশেষে তারা দাজ্জালের সাথে যুদ্ধ করবে। এখানে আল্লাহ তা'আলা দাজ্জালকে পরাজিত করে মুসলিমকে বিজয়ী করবেন।" অতপর বর্ণনাকারী নাফে' জাবির ইবন সামুরাহকে বলেন, হে জাবির! আমাদের ধারণা রোম বিজয়ের পর দাজ্জালের আবির্ভাব হবে।
উপরোক্ত সমস্ত ভবিষ্যৎবাণী সংঘটিত হয়ে গেছে, শুধু দাজ্জালকে হত্যা করা বাকী আছে। আর কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তা সংঘটিত হবে। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11219

 
Hadith   55



Esin Hadith ID


11220" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: ليبلغن هذا الأمر ما بلغ الليل والنهار، ولا يترك الله بيت مدر ولا وبر إلا أدخله الله هذا الدين، بعز عزيز أو بذل ذليل، عزا يعز الله به الإسلام، وذلا يذل الله به الكفر
থিম:

এ দীন যেখানে রাত ও দিন পৌঁছে সেখানে পৌঁছবে। এ দীনকে প্রবেশ করানো ছাড়া গ্রাম ও শহরের কোন ঘরকে আল্লাহ ছাড়বেন না সম্মানীতকে সম্মানী করে এবং অসম্মানীকে অসম্মানিত করে। এমন ইজ্জত যার দ্বারা আল্লাহ ইসলামকে সম্মানীত ও কুফরকে অসম্মানীত করবেন।
থিম:

عن تَميم الداري -رضي الله عنه-، قال: سمعتُ رسول الله -صلى الله عليه وسلم- يقول:   ليَبْلغنَّ هذا الأمرُ ما بلغ الليلُ والنهارُ، ولا يترك اللهُ بيت مَدَر ولا وَبَر إلا أدخله الله هذا الدين، بعِزِّ عزيز أو بذُلِّ ذليل، عزا يُعِزُّ الله به الإسلام، وذُلا يُذل الله به الكفر   وكان تميم الداري، يقول: قد عرفتُ ذلك في أهل بيتي، لقد أصاب مَن أسلم منهم الخير والشرف والعز، ولقد أصاب من كان منهم كافرا الذل والصَّغَار والجِزية.
থিম:

তামীম আদ দারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, এ বিষয়টি (দীনকে) যেখানে রাত ও দিন পৌঁছে সেখানে পৌঁছবে। এ দীনকে প্রবেশ করানো ছাড়া গ্রাম ও শহরের কোন ঘরকে আল্লাহ ছাড়বেন না। সম্মানীকে সম্মানের সাথে অথবা অসম্মানীকে অসম্মানের সাথে এ দীনকে প্রতিটি ঘরে পৌঁছাবেন। এমন সম্মান যার দ্বারা আল্লাহ ইসলামকে সম্মানীত করবেন এবং এমন অসম্মান যার দ্বারা আল্লাহ কুফরকে অসম্মান করবেন। তামীম আদ-দারী বলতেন, এটি আমি আমার পরিবারের মধ্যে উপলব্ধি করেছি। তাদের মধ্যে যারা ইসলাম গ্রহণ করেছে তারা কল্যাণ, ইজ্জত ও সম্মান লাভ করেছে আর তাদের মধ্যে যারা কাফির ছিল, তারা বে ইজ্জতী, অপমান ও টেক্সের আওতায় পড়েছে।
থিম:

يخبر رسول الله -صلى الله عليه وسلم- أن هذا الدين سوف يعم جميع أجزاء الأرض، فأي مكان وصله الليل والنهار سيصله هذا الدين، ولن يترك الله -تعالى- بيتًا في المدن والقرى ولا في البوادي والصحراء إلا أدخل عليه هذا الدين، فمن قبل هذا الدين وآمن به فإنه يكون عزيزًا بعزة الإسلام، ومن رفضه وكفر به فإنه يكون ذليلا مهانا. ويخبر الصحابي الجليل تميم الداري راوي هذا الحديث أنه عرف ذلك الذي أخبر به رسول الله -صلى الله عليه وسلم- في أهل بيته خاصة، فإن من أسلم منهم ناله الخير والشرف والعز، ومن كفر منهم ناله الذل والهوان هذا مع ما يدفعه للمسلمين من أموال.
থিম:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংবাদ দেন যে, এ দীন অচীরেই যমীনের সব অংশে ছড়িয়ে পড়বে। যে স্থানে রাত ও দিন পৌঁছে সেখানে এ দীনও পৌঁছে যাবে। আল্লাহ তা'আলা গ্রাম ও শহর এবং মরুভুমি ও জঙ্গলে নির্মিত কোন ঘরকে এ দীন প্রবেশ করানো ছাড়া ছাড়বেন না। যে ব্যক্তি এ দীনকে কবুল করবে এবং তার প্রতি বিশ্বাস করবে সে অবশ্যই ইসলামের ইজ্জতের কারণে সম্মানি হবে আর যে ব্যক্তি তা প্রত্যাখ্যান করবে এবং অস্বীকার করবে সে অবশ্যই অপমান অপদস্থ হবে। এ হাদীসের বর্ণনাকারী বিশিষ্ট সাহাবী তামীম আদ-দারী সংবাদ দেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে বিষয়টি সংবাদ দেন তা সে তার পরিবাবের মধ্যেই উপলব্ধি করতে পেরেছেন। তাদের মধ্যে যারা ইসলাম গ্রহণ করেছে তারা কল্যাণ, ইজ্জত ও সম্মান লাভ করেছে আর তাদের মধ্যে যারা কাফির ছিল, তারা মুসলিমদের জন্য সম্পদ পরিশোধ করার সাথে সাথে বে ইজ্জ ও অপমানিত হয়েছে। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11220

 
Hadith   56



Esin Hadith ID


11221" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: عصابتان من أمتي أحرزهما الله من النار: عصابة تغزو الهند، وعصابة تكون مع عيسى ابن مريم -عليهما السلام-
থিম:

আমার উম্মতের দুটি জামা'আত আল্লাহ তাদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন। এক জামা'আত যারা হিন্দুস্থানের বিপক্ষে যুদ্ধ করবে আর অপর জামা'আত যারা ঈসা ইবন মারইয়ামের সাথে থাকবে।
থিম:

عن ثوبان مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم مرفوعًا:   عِصابتان من أُمَّتي أحرزهما اللهُ من النار: عصابةٌ تغزو الهندَ، وعصابةٌ تكون مع عيسى ابن مريم عليهما السلام>.
থিম:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাওলা সাওবান থেকে মারফূ' হিসেবে বর্ণিত: আমার উম্মতের দুটি জামা'আত আল্লাহ তাদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন। এক জামা'আত যারা হিন্দুস্থানের বিপক্ষে যুদ্ধ করবে আর অপর জামা'আত যারা ঈসা ইবন মারইয়ামের সাথে থাকবে।
থিম:

جماعتان من أمة محمد -صلى الله عليه وسلم- حفظهما الله من النار، جماعة تغزو بلاد الهند فتقاتل الكفار في سبيل الله، وجماعة تكون مع عيسى ابن مريم -عليه السلام- حينما ينزل آخر الزمان، بعد خروج الدجال، فيقتله عيسى -عليه السلام-.
থিম:

মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতদের থেকে দুটি জামা'আতকে আল্লাহ তা'আলা জাহান্নাম থেকে রক্ষা করবেন। এক জামা'আত যারা হিন্দুস্থানের বিপক্ষে যুদ্ধ করবেন এবং আল্লাহর রাস্তায় কাফিরদের হত্যা করবে। আর অপর জামা'আত যারা ঈসা আলাইহিস সালামের সাথে থাকবে যখন তিনি শেষ জামানায় দাজ্জালের আবির্ভাবের পর অবতরণ করবেন এবং তিনি তাকে হত্যা করবেন। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11221

 
Hadith   57



Esin Hadith ID


11222" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: لا تقوم الساعة حتى تقاتلوا الترك: صغار الأعين، حمر الوجوه، ذلف الأنوف، كأن وجوههم المجان المطرقة، ولا تقوم الساعة حتى تقاتلوا قوما نعالهم الشعر
থিম:

ততদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না তোমরা এমন তুর্ক জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, যাদের চোখ ছোট, চেহারা লাল, নাক চেপ্টা এবং মুখমণ্ডল পেটানো চামড়ার ঢালের ন্যায়। আর ততদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতদিন না তোমরা এমন এক জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, যাদের জুতা হবে পশমের।
থিম:

عن أبي هريرة رضي الله عنه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال:   لا تقومُ الساعةُ حتى تُقاتلوا التُّرْكَ: صِغارَ الأَعين، حُمْرَ الوجوه، ذُلْفَ الأنوف، كأنَّ وجوهَهم المِجانُّ المُطْرَقة، ولا تقومُ الساعةُ حتى تقاتلوا قومًا نِعالُهم الشَّعر>.
থিম:

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু <'আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, "ততদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না তোমরা এমন তুর্ক জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, যাদের চোখ ছোট, চেহারা লাল, নাক চেপ্টা এবং মুখমণ্ডল পেটানো চামড়ার ঢালের ন্যায়। আর ততদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতদিন না তোমরা এমন এক জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, যাদের জুতা হবে পশমের।"
থিম:

لا تقوم الساعة حتى يقاتل المسلمون الترك، ومن صفتهم: أن أعينهم صغيرة، ووجوههم بيضاء مشربة بحمرة لغلبة البرد على أجسامهم، وأنوفهم قصيرة منبطحة، ووجوههم تشبه الترس في انبساطها وتدويرها، وتشبه المطرقة؛ لغلظها وكثرة لحمها، ولا تقوم الساعة حتى يقاتل المسلمون قوما يمشون في نعال من الشعر، وهم الترك أنفسهم، ولكنه ذكرهم بصفة أخرى.
থিম:

ততক্ষণ কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না মুসলিমগণ তুর্ক জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, যাদের শারীরিক গঠন হলো, তাদের চোখ ছোট, তাদের শরীরে অতিরিক্ত শীতলতার কারণে তাদের চেহারা লাল, তাদের নাক ছোট চেপ্টা এবং চওড়া ও গোলাকার হিসেবে তাদের মুখমণ্ডল হবে ঢালের ন্যায়। আর অধিক শক্ত ও গোস্তের কারণে তাদের চেহারা হবে হাতুড়ির মত। আর ততদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতদিন না মুসলিমগণ এমন এক জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, যারা পশমের জুতা পরিধান করে চলাফেরা করে। তারাও তুর্কি জাতি। তবে তাদেরকে অন্য গুণে উল্লেখ করা হয়েছে। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11222

 
Hadith   58



Esin Hadith ID


11223" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: لا تقوم الساعة حتى تقاتلوا خوزا، وكرمان من الأعاجم: حمر الوجوه، فطس الأنوف، صغار الأعين، وجوههم المجان المطرقة، نعالهم الشعر
থিম:

যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা লাল বর্ণ বিশিষ্ট চেহারা, চেপটা উঁচা নাক, ছোট চোখ বিশিষ্ট অনারবী খূয ও কিরমাদের সাথে যুদ্ধ না করবে ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না। তাদের চেহারা হবে মোটা হাতুড়ির ন্যায় আর তাদের পাদুকা পশম।
থিম:

عن أبي هريرة رضي الله عنه مرفوعًا:   لا تقوم الساعة حتى تُقاتِلوا خُوزًا وكِرْمان من الأعاجم، حُمْر الوجوه، فُطْس الأُنوف، صِغار الأعين، وجوههم المِجَانُّ المُطْرَقة، نعالهم الشعر>.
থিম:

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মারফ' হিসেবে বর্ণিত: যতক্ষণ পর্যন্ত লাল বর্ণ বিশিষ্ট চেহারা,চেপটা উঁচা নাক এবং ছোট চোখ বিশিষ্ট অনারবী খূয ও কিরমাদের সাথে যুদ্ধ না করবে ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না। তাদের চেহারা হবে মোটা হাতুড়ির ন্যায় আর তাদের পাদুকা পশম।
থিম:

لا تقوم الساعة حتى يقاتل المسلمون أهل خوز وكرمان من بلاد العجم، ومن صفتهم أن وجوههم بيضاء مشربة بحمرة؛ لغلبة البرد على أجسامهم، وأنوفهم منبطحة، وأعينهم صغيرة، ووجوههم تشبه الترس في انبساطها وتدويرها، وتشبه المطرقة لغلظها وكثرة لحمها، يمشون في نعال من الشعر.
থিম:

মুসলিমগণ অনারব শহরসমূহ থেকে খুয ও কিরমানের অধিবাসীদের সাথে যুদ্ধ না করা পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না। তাদের আলামত হলো, তাদের দেহের ওপর ঠান্ডার প্রভাব বেশি হওয়া কারণে তাদের চেহারা হবে লাল বর্ণের সাথে মিশ্রিত সাদা, তাদরে নাক হবে চেপটা আর তাদের চোখ হবে ক্ষুদ্র। আর তাদের চেহারা প্রসস্থতা ও গোলাকার হওয়ার দিকে দিয়ে ধনুকের মতো হবে। মোট ও গোস্ত বেশি হওয়ার কারণে হাতুড়ির মতো মোটা হবে। তারা পশমের জুতায় চলাচল করবে। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11223

 
Hadith   59



Esin Hadith ID


11229" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: صلى النبي -صلى الله عليه وسلم- إحدى صلاتي العشي -قال محمد: وأكثر ظني العصر- ركعتين، ثم سلم، ثم قام إلى خشبة في مقدم المسجد، فوضع يده عليها
থিম:

আবূ হুরাইরাহ্ রাদয়িাল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা বিকালের এক সfলাত দু'রাকাত আদায় করলেন। মুহাম্মাদ বলেন, আমার অধিক ধারণা আসরের সালাত। অতঃপর সালাম ফিরালেন। অতঃপর মাসজিদে অগ্রাভাগে রাখা এক টুকরা কাঠের উপর ভর দিয়ে দাঁড়ালেন এবং তার ওপর তার হাত রাখলেন। উপস্থিত লোকজনের মধ্যে আবূ বকর ও 'উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা-ও ছিলেন। কিন্তু তাঁরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের-এর সঙ্গে কথা বলতে ভয় পেলেন। যাদের তাড়া ছিল তারা বের হয়ে পড়ল। তারা বলল, সালাত কি সংক্ষেপ করা হয়েছে? একজন লোককে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'যুল-ইয়াদাইন' বলে ডাকতেন। সে বলল, আপনি কি ভুলে গেছেন, নাকি সালাত সংক্ষেপ করা হয়েছে? তিনি বললেন, আমি ভুলিনি এবং সালাত সংক্ষেপও করা হয়নি। সে বলল, অবশ্যই, আপনি ভুলে গিয়েছেন। তারপর তিনি দু্ই রাকা'আত সালাত আদায় করলেন, সালাম ফিরালেন ও তাকবীর বললেন এবং স্বাভাবিকভাবে সাজদাহ'র মতো বা একটু দীর্ঘ সাজদাহ করলেন। অতঃপর তার মাথা তুললেন ও তাকবীর বললেন। অতঃপর তার মাথা রাখলেন ও তাকবীর বললেন এবং স্বাভাবিকভাবে সাজদাহ'র মত বা একটু দীর্ঘ সাজদাহ করলেন। অতঃপর তার মাথা তুললেন ও তাকবীর বললেন।" সহীহ বুখারী।
থিম:

عن أبي هريرة -رضي الله عنه- قال: صَلَّى النبي -صلى الله عليه وسلم- إِحْدَى صَلاَتَيِ العَشِيّ -قال محمد: وَأَكْثَرُ ظَنِّي العصر- رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ سَلَّمَ، ثم قام إلى خَشَبَةٍ فِي مُقَدَّمِ المَسْجِدِ، فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَيْهَا، وفيهم أبو بكر، وعمر -رضي الله عنهما-، فَهَابَا أَنْ يُكَلِّمَاهُ، وخرج سَرَعَانُ النَّاسِ فَقَالُوا: أَقَصُرَتِ الصلاة؟ وَرَجُلٌ يَدْعُوهُ النبي -صلى الله عليه وسلم- ذُو اليَدَيْنِ، فَقَالَ: أَنَسِيتَ أَمْ قَصُرَتْ؟ فَقَالَ: لَمْ أَنْسَ وَلَمْ تُقْصَرْ، قَالَ:   بَلَى قَدْ نَسِيتَ، فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ سَلَّمَ، ثُمَّ كَبَّرَ، فَسَجَدَ مِثْلَ سُجُودِهِ أَوْ أَطْوَلَ، ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ، فَكَبَّرَ، ثُمَّ وَضَعَ رَأْسَهُ، فكبر، فَسَجَدَ مِثْلَ سُجُودِهِ أَوْ أَطْوَلَ، ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ وَكَبَّرَ>.
থিম:

আবূ হুরাইরাহ্ রাদয়িাল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা বিকালের এক সfলাত দু'রাকাত আদায় করলেন। মুহাম্মাদ বলেন, আমার অধিক ধারণা আসরের সালাত। অতঃপর সালাম ফিরালেন। অতঃপর মাসজিদে অগ্রাভাগে রাখা এক টুকরা কাঠের উপর ভর দিয়ে দাঁড়ালেন এবং তার ওপর তার হাত রাখলেন। উপস্থিত লোকজনের মধ্যে আবূ বকর ও 'উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা-ও ছিলেন। কিন্তু তাঁরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের-এর সঙ্গে কথা বলতে ভয় পেলেন। যাদের তাড়া ছিল তারা বের হয়ে পড়ল। তারা বলল, সালাত কি সংক্ষেপ করা হয়েছে? একজন লোককে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'যুল-ইয়াদাইন' বলে ডাকতেন। সে বলল, আপনি কি ভুলে গেছেন, নাকি সালাত সংক্ষেপ করা হয়েছে? তিনি বললেন, আমি ভুলিনি এবং সালাত সংক্ষেপও করা হয়নি। সে বলল, অবশ্যই, আপনি ভুলে গিয়েছেন। তারপর তিনি দু্ই রাকা'আত সালাত আদায় করলেন, সালাম ফিরালেন ও তাকবীর বললেন এবং স্বাভাবিকভাবে সাজদাহ'র মতো বা একটু দীর্ঘ সাজদাহ করলেন। অতঃপর তার মাথা তুললেন ও তাকবীর বললেন। অতঃপর তার মাথা রাখলেন ও তাকবীর বললেন এবং স্বাভাবিকভাবে সাজদাহ'র মত বা একটু দীর্ঘ সাজদাহ করলেন। অতঃপর তার মাথা তুললেন ও তাকবীর বললেন।"
থিম:

يبين الحديث الشريف ما على المصلي فعله إذا نسي وأنقص في صلاته؛ بأنه يكمل ما تبقى عليه ثم يسلم ثم يسجد سجدتين للسهو تجبر ما حصل، ويروي أبو هريرة، -رضى الله عنه-، أن النبي -صلى الله عليه وسلم-، صلى بأصحابه إما صلاة الظهر أو العصر، فلما صلى الركعتين الأوليين سلّم.
ولما كان -صلى الله عليه وسلم- كاملا، لا تطمئن نفسه إلا بالعمل التام، شعر بنقص وخلل، لا يدرى ما سببه.
فقام إلى خشبة في المسجد واتكأ عليها كأنه غضبان، وَشبَّك بين أصابعه، لأن نفسه الكبيرة تحس بأن هناك شيئا لم تستكمله.
وخرج المسرعون من المصلين من أبواب المسجد، وهم يتناجون بينهم، بأن أمراً حدث، وهو قصر الصلاة، وكأنهم أكبروا مقام النبوة أن يطرأ عليه النسيان.
ولهيبته -صلى الله عليه وسلم- في صدورهم لم يَجْرُؤ واحد منهم أن يفاتحه في هذا الموضوع، بما في ذلك أبو بكر، وعمر -رضي الله عنهما-.
إلا أن رجلا من الصحابة يقال له "ذو اليدين" قطع هذا الصمت بأن سأل النبي -صلى الله عليه وسلم- بقوله: يا رسول الله، أنسيت أم قصرت الصلاة؟
فقال صلى الله عليه وسلم -بناء على ظنه-: لم أنس ولم تقصر.
حينئذ لما علم ذو اليدين -رضي الله عنه-    أن الصلاة لم تقصر، وكان متيقنا أنه لم يصلها إلا ركعتين، فعلم أنه -صلى الله عليه وسلم- قد نَسِيَ، فقال: بل نسيت.
فأراد -صلى الله عليه وسلم- أن يتأكد من صحة خبر ذي اليدين، فقال لمن حوله من أصحابه: أكما يقول ذو اليدين من أني لم أصل إلا ركعتين؟ فقالوا: نعم، حينئذ تقدم -صلى الله عليه وسلم-، فصلى ما ترك من الصلاة.
وبعد التشهد سلم ثم كبر وهو جالس، و سجد مثل سجود صُلْب الصلاة أو أطول، ثم رفع رأسه من السجود فكَبَّرَ، ثم كبر وسجد مثل سجوده أو أطول، ثم رفع رأسه وكبر، ثم سلم ولم يتشهد.

থিম:

মুসল্লি যখন ভুলে যায় ও তার সালাত হ্রাস করে ফেলে তখন কি করবে হাদীসটি তাই বর্ণনা করছে। যেমন সে অবশিষ্ট সালাত আদায় করবে অতঃপর সালাম ফিরাবে অতঃপর ভুলের দু'টি সাজদাহ করবে, এটি যা হয়েছে তার প্রতিবিধান করে ফেলবে। আর আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহ বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন সাহাবীদের নিয়ে যোহর বা আসরের সালাত আদায় করলেন। যখন তিনি প্রথম দু'রাকাত পড়লেন সালাম ফিরিয়ে ফেললেন।
যেহেতু আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন পরিপূর্ণ- তার আত্মা কখনো পূর্ণাঙ্গ আমল ছাড়া পরিতৃপ্ত হত না, তাই তিনি কোন দূর্বলতা বা বিঘ্নতার বিষয়টি অনুভব করলেন। তিনি তার কারণটি বুঝতে পারছিলেন না।
ফলে তিনি মসজিদের সামনের দিকে রাখা একটি লাকড়ির ওপর হেলান দিয়ে ভারাক্রান্ত মনে দাড়ালেন এবং এক হাতের আঙুল অপর হাতের আঙুলের মধ্যে প্রবেশ করালেন। কারণ, তার মহান নফস অনুভব করছিল কিছু অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে যা পূর্ণ করা হয়নি।
যাঁদের তাড়া ছিল তাঁরা মসজিদের দরজা দিয়ে বাইরে চলে গেলো এবং তারা বলাবলি করতেছিল নিশ্চয় কোন একটি ঘটনা ঘটেছে। আর তা হলো সালাত সংক্ষিপ্ত করণ। তারা যেন নবুওয়তের অবস্থানকে ভূল ভ্রান্তি থেকে অনেক বড় মনে করলেন। তাদের অন্তরে রাসূলের ভীতির কারণে তাদের কেউ এ ক্ষেত্রে তাকে সংশোধনি দিতে সাহস করল না। কারণ, বিশেষ করে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে আবূ বকর এবং 'উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা-ও ছিলেন। তবে সাহাবীদের মধ্যে এক ব্যক্তি ছিল, যাঁকে 'যুল-ইয়াদাইন' বলা হতো, তিনি এ নীরবতাকে ভাঙলেন, যেমন তিনি এ বলে রাসূলুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি ভুলে গেছেন, নাকি সালাত সংক্ষেপ করা হয়েছে?
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ধারনার ওপর বললেন: ভুলিনি এবং সংক্ষেপও করা হয়নি।
যখন যুল ইয়াদাইন জানতে পারল যে, সালাত সংক্ষিপ্ত করা হয়নি আর সে নিশ্চিত ছিল যে, তিনি দুই রাকা'আত আদায় করছেন, অতএব সে নিশ্চিত জানলো তিনি ভুলে গেছেন, তাই সে বলল, বরং আপনি ভুলে গেছেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল ইয়াদাইনের সংবাদটি নিশ্চিত হতে চাইলেন। তাই তার আশপাশের সাহাবীদের জিজ্ঞেস করলেন, যুল-ইয়াদাইনের কথা কি ঠিক, আমি নাকি কেবল দুই রাকা'আত সালাত আদায় করছি? তাঁরা বললেন, হাঁ। অতঃপর তিনি এগিয়ে এলেন এবং সলাতের বাদপড়া অংশটুকু আদায় করলেন।
তাশাহুদের পর সালাম ফিরালেন ও বসা অবস্থায় তাকবীর বললেন এবং সালাতের শুরুর ন্যায় স্বাভাবিক সাজদাহ'র মতো বা একটু দীর্ঘ সাজদাহ করলেন। অতঃপর সাজদাহ থেকে তার মাথা তুললেন ও তাকবীর বললেন। পরে পুনরায় তাকবীর বললেন এবং স্বাভাবিকভাবে সাজদাহ'র মত বা একটু দীর্ঘ সাজদাহ করলেন। অতঃপর তিনি মাথা তুললেন ও তাকবীর বললেন। অতঃপর তিনি সালাম ফিরালেন, কিন্তু তাশাহুদ পড়েননি। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11229

 
Hadith   60



Esin Hadith ID


11231" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: إذا شك أحدكم في صلاته، فلم يدر كم صلى ثلاثا أم أربعا؟ فليطرح الشك وليبن على ما استيقن، ثم يسجد سجدتين قبل أن يسلم، فإن كان صلى خمسا شفعن له صلاته، وإن كان صلى إتماما لأربع؛ كانتا ترغيما للشيطان.
থিম:

তোমাদের কারো সালাতে যদি সন্দেহ হয়-কত রাকা'আত পড়ছে তিনি না চার তা জানে না, সে যেন সন্দেহ পরিহার করে প্রবল ধারণার উপর ভিত্তি করে। তারপর সালাত শেষ করার পর সালামের পূর্বে দু'টি (সাহু) সাজদাহ করবে। যদি সে পাঁচ রাকা'আত পড়ে থাকে তাহলে তা তার সালাতকে জোড় করবে। আর যদি সালাত চার রাকা'আত পূর্ণ করার জন্য আদায় করে থাকে, তাহলে সাজদাহ দু'টি হবে শয়তানের জন্য নাকে খত দেয়ার মত অপ্রীতিকর।
থিম:

عن أبي سعيد الخدري -رضي الله عنه- عن النبي -صلى الله عليه وسلم-: <إذا شك أحَدُكم في صلاته، فلم يَدْرِ كم صلى ثلاثا أم أربعا؟ فَلْيَطْرَحِ الشك وَلْيَبْنِ على ما اسْتَيْقَنَ، ثم يسجد سجدتين قبل أن يُسَلِّمَ، فإن كان صلى خمسا شَفَعْنَ له صَلَاته، وإن كان صلى إِتْمَاماً لِأْرْبَعٍ؛ كانتا تَرْغِيمًا للشيطان>.
থিম:

আবূ সা'ঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কারো সালাতে যদি সন্দেহ হয়-কত রাকা'আত পড়ছে তিনি না চার তা জানে না, সে যেন সন্দেহ পরিহার করে প্রবল ধারণার উপর ভিত্তি করে। তারপর সালাত শেষ করার পর সালামের পূর্বে দু'টি (সাহু) সাজদাহ করবে। যদি সে পাঁচ রাকা'আত পড়ে থাকে তাহলে তা তার সালাতকে জোড় করবে। আর যদি সালাত চার রাকা'আত পূর্ণ করার জন্য আদায় করে থাকে, তাহলে সাজদাহ দু'টি হবে শয়তানের জন্য নাকে খত দেয়ার মত অপ্রীতিকর।
থিম:

يبين الحديث الشريف كيفية التعامل مع الشكوك التي ترد للمسلم حال الصلاة، وذلك أن يبني على اليقين، فإن كان الشك في عدد الركعات فاليقين العدد الأقل، ثم يسجد سجدتين للسهو قبل السلام.
ففي الحديث عن أبي سعيد قال: قال رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: "إذا شك أحدكم في صلاته" أي: تردد بلا رجحان فإنه مع الظن يبني عليه، "فلم يدر كم صلى ثلاثا أو أربعا؟" أي: مثلا "فليطرح الشك"، أي: ما يشك فيه وهو الركعة الرابعة "ولْيَبْنِ على ما استيقن" أي: علمه يقينا، وهو ثلاث ركعات.
قوله: "ثم يسجد سجدتين    قبل أن يسلم"، هذا الأفضل أن يكون السجود قبل السلام.
قوله: "فان كان صلى خمسا" تعليل للأمر بالسجود، أي: فإن كان ما صلاه في الواقع أربعا فصار خمسا بإضافته إليه ركعة أخرى، "شَفَعْنَ له صلاته"، أي: السجدتان تشفعان له الصلاة؛ لأنها بمقام ركعة، والصلاة التي يصليها في أصلها شفع وليست وتر؛ لأنها أربع ركعات على المثال المضروب في الحديث، وقوله: "وإن كان صلى إتماما لأربع"، إن كان صلى أربعا في الواقع فيكون قد أدى ما عليه من غير زيادة ولا نقصان.
قوله: "كانتا ترغيما للشيطان"، أي: وإن صارت صلاته بتلك الركعة أربعا كانتا، أي: السجدتان ترغيما، أي: إذلالا للشيطان، والله أعلم.

থিম:

হাদীস শরীফটি সালাত অবস্থায় একজন মুসলিমের সন্দেহ হলে কী করবে তার প্রদ্ধতি সম্পর্কে বর্ণনা দেয়। আর তা হলো, সে বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করবে। যদি তার সন্দেহ রাকা'আত সংখ্যা সম্পর্কে হয়, তখন কম সংখ্যা হওয়া নিশ্চিত। তারপর সে সালামের পূর্বে দুই সেজদা করবে। তোমাদের কারো সালাতে যদি সন্দেহ হয়-কত রাকা'আত পড়ছে তিন না চার তা জানে না, সে যেন সন্দেহ পরিহার করে প্রবল ধারণার উপর ভিত্তি করে। তারপর সালাত শেষ করার পর সালামের পূর্বে দু'টি (সাহু) সাজদাহ করে। আবূ সাঈদ থেকে বর্ণিত এসেছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কারো সালাতে যদি সন্দেহ হয়-কোন দিক প্রাধান্য ছাড়া ঘুরপাক খাইতে থাকে। কারণ, যদি ধারণা কোন দিক প্রবল হয় তবে তার ওপর ভিত্তি করবে। সে কত রাকা'আত পড়ছে তিন না চার তা জানে না, সে যেন সন্দেহ পরিহার করে। অর্থাৎ যে রাকা'আত সম্পর্কে সন্দেহ হয়। আর তা হলো চতুর্থ রাকা'আত।তবে সে যেন তার প্রবল ধারণার উপর ভিত্তি করে। অর্থাৎ যা সে নিশ্চিত জানে। আর তা হলো তৃতীয় রাকা'আত। তারপর সালাত শেষ করার পর সালামের পূর্বে দু'টি (সাহু) সাজদাহ করবে। সালামের পূর্বে সেজদা সাহু করাই উত্তম। তার বাণী: যদি সে পাঁচ রাকা'আত পড়ে থাকে" এটি সেজদা সাহু করার কারণ।অর্থাৎ যদি সে বাস্তবে চার রাকা'আত আদায় করে তাহলে তার সাথে এক রাকা'আত যোগ করার কারণে তা হবে পাঁচ। তাহলে তা তার সালাতকে জোড় করবে। অর্থাৎ সেজদা দুটি তার সালাতকে জোড় করবে। কারণ, তা এক রাকা'আতের স্থলাভিষিক্ত। আর সে যে সালাত আদায় করছে তা মুলতঃ জোড়, বিজোড় নয়। কারণ, হাদীসে বর্ণিত দৃষ্টান্ত অনুযায়ী তা হলো চার রাকা'আত। আর যদি সালাত বাস্তবে চার রাকা'আত পূর্ণ করে, তাহলে সে তার ওপর করনীয় দায়িত্ব কোন প্রকার কম বেশ করা ছাড়াই আদায় করল। তাহলে সাজদাহ দু'টি হবে শয়তানের জন্য নাকে খত দেয়ার মত অপ্রীতিকর। অর্থাৎ এ রাকা'আতের কারণে যদি তার সালাত চার হয়ে থাকে, তবে এ দুটি সাজদাহ হবে শয়তানের জন্য অবমাননা। আল্লাহই ভালো জানেন। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11231

 
Hadith   61



Esin Hadith ID


11232" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: إنه لو حدث في الصلاة شيء لنبأتكم به، ولكن إنما أنا بشر مثلكم، أنسى كما تنسون، فإذا نسيت فذكروني، وإذا شك أحدكم في صلاته، فليتحر الصواب فليتم عليه، ثم ليسلم، ثم يسجد سجدتين
থিম:

যদি সালাত সম্পর্কে নতুন কিছু হতো, তবে অবশ্যই তোমাদের তা জানিয়ে দিতাম। কিন্তু আমি তো তোমাদের মত একজন মানুষ। তোমরা যেমন ভুল করে থাক, আমিও ভুলে যাই। আমি কোন সময় ভুলে গেলে তোমরা আমাকে স্মরণ করিয়ে দেবে। তোমাদের কেউ সালাত সম্বন্ধে সন্দেহে পতিত হলে সে যেন নিঃসন্দেহ হবার চেষ্টা করে এবং সে অনুযায়ী সালাত পূর্ণ করে। অতঃপর যেন সালাম ফিরিয়ে দু'টি সাজদাহ দেয়।
থিম:

عن عبد الله بن مسعود -رضي الله عنه- قال: صلى النبي -صلى الله عليه وسلم- -قال إبراهيم: لا أدري زاد أو نقص- فلما سلم قيل له: يا رسول الله، أحَدَثَ في الصلاة شيء؟ قال:   وما ذاك>، قالوا: صليتَ كذا وكذا، فَثَنَّى رِجليْهِ، واستقبل القبلة، وسَجَدَ سجدتين، ثم سلم، فلما أقبل علينا بوجهه، قال:   إنه لو حَدَثَ في الصلاة شيءٌ لنَبَّأَتُكُم به، ولكن إنما أنا بَشَرٌ مثلكم، أنسى كما تَنْسَوْن، فإذا نسَيِتُ فذَكِّرُوني، وإذا شَكَّ أحدكم في صلاته، فَلْيَتَحَرَّ الصَّوَابَ فليُتِمَّ عليه، ثم ليسلم، ثم يسجد سجدتين>.
থিম:

'আবদুল্লাহ<- রাদয়িাল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সলাত আদায় করলেন। রাবী ইব্রাহীম বলেন, আমার জানা নেই, তিনি বেশী করেছেন অথবা কম করেছেন। সালাম ফিরানোর পর তাঁকে বলা হলো, হে আল্লাহ্র রসূল! সলাতের মধ্যে নতুন কিছু হয়েছে কি? তিনি বললেন, তা কী? তাঁরা বললেন, আপনি তো এরূপ এরূপ সলাত আদায় করলেন। তিনি তখন তাঁর দু'পা ঘুরিয়ে ক্বিবলাহমুখী হলেন। আর দু'টি সাজদাহ আদায় করলেন। অতঃপর সালাম ফিরালেন। পরে তিনি আমাদের দিকে ফিরে বললেন, যদি সলাত সম্পর্কে নতুন কিছু হতো, তবে অবশ্যই তোমাদের তা জানিয়ে দিতাম। কিন্তু আমি তো তোমাদের মত একজন মানুষ। তোমরা যেমন ভুল করে থাক, আমিও ভুলে যাই। আমি কোন সময় ভুলে গেলে তোমরা আমাকে স্মরণ করিয়ে দেবে। তোমাদের কেউ সালাত সম্বন্ধে সন্দেহে পতিত হলে সে যেন নিঃসন্দেহ হবার চেষ্টা করে এবং সে অনুযায়ী সালাত পূর্ণ করে। অতঃপর যেন সালাম ফিরিয়ে দু'টি সাজদাহ দেয়।
থিম:

يبين الحديث الشريف    أن النبي -صلى الله عليه وسلم- صلى بهم صلاة زاد فيها أو نقص، فسأله الصحابة هل حدث في الصلاة تغيير؟ فأخبرهم بأنه لو حدث فيها شيء لأخبرهم، ثم ذكر أنه بشر مثلنا ينسى لزيادته في الصلاة أو نقصانه، ثم ذكر الحكم فيمن زاد أو نقص في الصلاة ناسياً ثم ذكر أن يتحقق من عدد الركعات ثم يتم إن كان فيها نقص أو يسجد سجدتين للسهو ثم يسلم منهما.
থিম:

হাদীস শরীফ বর্ণনা করে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিয়ে একবার সালাত আদায় করেন যাতে তিনি কম বা বেশ করেন। তখন সাহাবীগণ তাকে জিজ্ঞাসা করল, সালাতে কোন পরিবর্তন হয়েছে কি? তিনি তাদের সংবাদ দেন যে, যদি তাতে কোন পরিবর্তন হতো তিনি অবশ্যই তাদের জানাতেন। তারপর তিনি বলেন, তিনি আমাদের মতোই মানুষ সালাতে বেশি বা কম করাতে তিনিও ভুলে যান। তারপর তিনি যে ব্যক্তি ভুল করে সালাতে বেশি বা কম করার পর স্মরণ আসে তার বিধান আলোচনা করেন। প্রথমে রাকা'আত সংখ্যার ব্যাপারে নিশ্চিত হবে। যদি কম হয়ে তা পূর্ণ করবে অথবা ভুলের জন্য দুটি সেজদা করবে। তারপর সালাম ফিরাবে। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11232

 
Hadith   62



Esin Hadith ID


11234" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: صلى بنا المغيرة بن شعبة فنهض في الركعتين، قلنا: سبحان الله، قال: سبحان الله ومضى، فلما أتم صلاته وسلم، سجد سجدتي السهو، فلما انصرف، قال: رأيت رسول الله -صلى الله عليه وسلم- يصنع كما صنعت
থিম:

যিয়াদ বিন আলাকাহ বলেন, মুগীরাহ বিন শু'বা একদা আমাদের সালাতে ইমামতি করলেন। তিনি দুই রাকআতের পর দাঁড়িয়ে গেলে আমরা বললাম সুবহানাল্লাহ। তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ এবং সালাত চালিয়ে গেলেন। যখন সালাত শেষ করলেন এবং সালাম ফিরালেন এবং দুটি সেজদা সাহু করলেন। তারপর যখন তিনি সালাত শেষ করে ঘুরে বসলেন, তখন তিনি বললেন,    রাসূলুল্লাহ   সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমি এমনটি করতে দেখেছি।
থিম:

عن زياد بن علاقة قال: صَلَّى بِنَا المغيرة بنُ شُعْبَةَ فَنَهَضَ في الركعتين، قلنا: سبحان الله، قال: سبحان الله وَمَضَى، فَلَمَّا أَتَمَّ صَلَاتَهُ وَسَلَّمَ، سَجَدَ سَجْدَتَيِ السَّهْوِ، فَلَمَّا انْصَرَفَ، قَالَ:   رَأَيْتُ رسول الله -صلى الله عليه وسلم- يَصْنَعُ كَمَا صَنَعْتُ>.
থিম:

যিয়াদ বিন আলাকাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা মুগীরা বিন শু'বা আমাদের সালাতে ইমামতি করলেন। তিনি দুই রাকআতের পর দাঁড়িয়ে গেলে আমরা বললাম সুবহানাল্লাহ। তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ এবং সালাত চালিয়ে গেলেন। যখন সালাত শেষ করলেন এবং সালাম ফিরালেন তখন দুটি সাহু সিজদা করলেন। তারপর যখন তিনি সালাত থেকে ঘুরে বসলেন, তখন তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অনুরূপ করতে দেখেছি।
থিম:

يبين الحديث من فعل المغيرة بن شعبة -رضي الله عنه- أنه سها في صلاته، فلم يتشهد وسبح خلفه الناس ففطن، ولكنه أكمل صلاته، وبعد السلام سجد سجدتين للسهو؛ وعزا فعله ذاك لفعل الرسول -صلى الله عليه وسلم-.
الأصح أن سجود السهو يكون قبل السلام؛ لحديث عبد الله بن مالك ابن بحينة، متفق عليه.

থিম:

হাদীসটিতে মুগীরা ইবন শ'বার আমল তুলে ধরা হয়েছে যে, তিনি তার সালাতে ভুল করে তাশাহুদ পড়েননি। তার পিছনে লোকেরা তাসবীহ পড়ে তাকে সতর্ক করলে তিনি বিষয়টি বুঝতে পারেন। কিন্তু তিনি তার প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করে সালাত সম্পন্ন করলেন এবং সালামের পর দুটি সাহু সিজদা করলেন। আর তিনি তার এ আমলকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আমল বলে দাবি করলেন। তবে সর্বাধিক সহীহ কথা হলো এ ভুলের জন্য সাহু সিজদা সালামের পূর্বে হবে। আব্দুল্লাহ বিন মালিক বিন বুহাইনা রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদীছটি এর প্রমাণ। হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ইমাম বুখারী ও মুসলিম। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন। - এটি দারিমী বর্ণনা করেছেন] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11234

 
Hadith   63



Esin Hadith ID


11236" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: لكل سهو سجدتان بعدما يسلم
থিম:

প্রত্যেক ভুলের জন্য সালামের পর দুই সেজদা।
থিম:

عن ثوبان -رضي الله عنه-: أن النبي -صلى الله عليه وسلم- قال:   لكل سهو سجدتان بعدما يُسَلِّمُ>.
থিম:

সাওবান রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "প্রত্যেক ভুলের জন্য সালামের পর দুই সেজদা"।
থিম:

المراد بذلك: أن أي سهو يقع في الصلاة بزيادة، أو نقص، أو شك؛ فإنه يوجب سجود السهو، والحديث من أدلة من يرى أن سجود السهو بعد السلام؛ والجمع بين الأدلة في هذا الباب يقتضي أن السجود الذي بعد السلام في حالتين: إذا سلم عن نقص، وإذا شك وبنى على غالب ظنه، وما عاداهما يكون قبل السلام.
থিম:

এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো সালাতে যে ধরণের ভুল সংঘটিত হোক চাই তা বৃদ্ধি করা বা কম করা বা সন্দেহ করার কারণে হোক তার ওপর সেজদা সাহু করা ওয়াজিব হয়ে যায়। যারা বলে সাজদা সাহু সালামের পরে হাদীসটি তাদের পক্ষে দলীল। এ অধ্যায়ে বিভিন্ন দলীলের মধ্যে সামঞ্জস্য হলো, দুই অবস্থায় সালামের পর সেজদা হয়: যদি কম করার কারণে সালাম ফিরায় এবং যদি সন্দেহের কারণ প্রবল ধারণার ওপর ভিত্তি করে। এ দুটি কারণ ছাড়া অন্য কারণে হলে সাজদা সাহু সালামের পূর্বে হবে। Esin Hadith Grade English


[হাসান]    ← →   

[এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11236

 
Hadith   64



Esin Hadith ID


11237" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: أن أبا هريرة قرأ لهم: إذا السماء انشقت فسجد فيها، فلما انصرف أخبرهم أن رسول الله -صلى الله عليه وسلم- سجد فيها
থিম:

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু <'আনহু তাদের কাছে সূরা ইনশিকাক তিলাওয়াত করলেন। তিনি এতে সিজদা দিলেন। অতপর সিজদা শেষে তিনি বললেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সূরা তিলাওয়াত করে সিজদা দিয়েছেন।
থিম:

عن أبي رافع أن أبا هريرة -رضي الله عنه- قرأ لهم:   إذا السماء انْشَقَّتْ   فسجد فيها، فلما انصَرَفَ أخبرهم أن رسول الله -صلى الله عليه وسلم- سجد فيها.
থিম:

আবূ রাফি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু 'আনহু তাদের কাছে সূরা ইনশিকাক তিলাওয়াত করলেন। তিনি এতে সিজদা দিলেন। অতপর সিজদা শেষে তিনি বললেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সূরা তিলাওয়াত করে সিজদা দিয়েছেন।
থিম:

ذكر    أبو هريرة -رضي الله عنه- أنه    قرأ سورة الانشقاق، فسجد فيها عند قوله تعالى: (وإذا قُرِىءَ عليهم القرآن لا يسجدون).
"فقيل له في ذلك" أي: فأنْكَر عليه أبو رافع -رضي الله عنه- السجود فيها، كما في رواية أخرى عن أبي رافع -رضي الله عنه-، قال: "فقلت ما هذه السجدة؟" وإنما أنكر عليه لما روي عنه -صلى الله عليه وسلم- أنّه لم يسجد في المفصل منذ تحوله إلى المدينة.
فقال أبو هريرة -رضي الله عنه-: "لو لم أر النبي -صلى الله عليه وسلم- يسجد لم أسجد" أي وإنما سجدت اقتداءً به -صلى الله عليه وسلم-.

থিম:

বর্ণনা করা হয যে, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু <'আনহু সূরা ইনশিকাক তিলাওয়াত করার সময় এ আয়াত পাঠকালে সিজদা করেন "আর যখন তাদের কাছে কুরআন তিলাওয়াত করা হয় তখন তারা সিজদা করে না।" [সূরা আল-ইনশিকাক, আয়াত: 21]
তাকে বলা হলো, অর্থাৎ আবূ রাফি রাদিয়াল্লাহু <'আনহু এ সূরাতে সিজদা করার ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করেন। যেমন আবূ রাফি রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে অন্য বর্ণনায় রয়েছে, তিনি বলেছেন, আমি বললাম এটি কিসের সিজদা? তিনি এ সূরাতে সিজদা দেওয়া অস্বীকার করেছেন; কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, "তিনি মদীনায় হিজরত করার পরে মুফাসসাল সূরাতে সিজদা করেন নি।"
তখন আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু <'আনহু বললেন, "আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ সূরাতে সিজদা করতে না দেখলে আমিও কখনো সিজদা করতাম না।" অর্থাৎ তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণে সিজদা করেছেন। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11237

 
Hadith   65



Esin Hadith ID


11238" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: ص ليس من عزائم السجود، وقد رأيت النبي -صلى الله عليه وسلم- يسجد فيها
থিম:

সূরাহ্ সা-দ এর সাজদাহ্ অত্যাবশ্যক সাজদাহ্সমূহের মধ্যে গণ্য নয়, তবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি তা তিলাওয়াতের পর সাজদাহ্ করতে দেখেছি।
থিম:

عن ابن عباس -رضي الله عنهما- قال:   ص ليس من عَزَائِمِ السُّجود، وقد رأيت النبي -صلى الله عليه وسلم- يَسجد فيها>.
থিম:

ইবন 'আব্বাস রাদয়িাল্লাহু <'আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সূরাহ্ সা-দ এর সাজদাহ্ অত্যাবশ্যক সাজদাহ্সমূহের মধ্যে গণ্য নয়, তবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে আমি তা তিলাওয়াতের পর সাজদাহ্ করতে দেখেছি।
থিম:

معنى حديث: "ص ليس من عَزَائِمِ السُّجود" أن سجدة التلاوة التي في سورة ص سنة غير واجبة؛ لأنه لم يرد فيها أَمر على تأكيد فعلها، بل الوارد بصيغة الإخبار؛ بأنَّ داود -عليه الصلاة والسلام- فعلها توبة لله -تعالى-، وسَجَدَها نبيُّنَا -صلى الله عليه وسلم- شكرا؛ لمَّا أنْعَم اللَّهُ على داودَ -عليه الصلاة والسلام- بالغُفْرَان، ويدل له ما رواه النسائي، أنَّه -صلى الله عليه وسلم- قال: (سجدها داود توبة، ونسْجُدها شكرًا).
থিম:

"সা-দ এর সাজদাহ্ অত্যাবশ্যক সাজদাহ্সমূহের মধ্যে গণ্য নয়" হাদীসটির অর্থ: অর্থাৎ সূরা সা-দ এর তিলাওয়াতের সেজদা সুন্নাত ওয়াজিব নয়। কারণ, তা করার গুরুত্বের ওপর কোন নির্দেশমুলক বর্ণনা বর্ণিত হয়নি। বরং সংবাদের বাক্য বর্ণিত। দাঊদ আলাইহিস সালাম তা করেছেন আল্লাহর জন্য তাওবা করার উদ্দেশ্যে। আর আল্লাহ তা'আলা দাউদ আলাইহিস সালামকে ক্ষমা দ্বারা অনুগ্রহ করেছে তার শুকরিয়া আদায়ার্থে আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি সালাম সেজদা করেন। নাসা'ঈর বর্ণনায় তা প্রমাণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "দাউদ আলাইহিস সালাম সেজদা করেছেন তাওবা স্বরূপ আর আমরা সেজদা করবো শুকরিয়া হিসেবে"। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11238

 
Hadith   66



Esin Hadith ID


11240" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: قرأت على النبي -صلى الله عليه وسلم- والنجم فلم يسجد فيها
থিম:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট সূরাহ্ ওয়ান্ন নাজ্ম তিলাওয়াত করা হল কিন্তু তাতে তিনি সাজদাহ্ করেননি।
থিম:

عن زيد بن ثابت -رضي الله عنه- قال:   قَرأت على النبي -صلى الله عليه وسلم- والنَّجم فلم يسجد فيها>.
থিম:

যায়দ ইব্নু সাবিত রাদয়িাল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট সূরাহ্ ওয়ান্ন নাজ্ম তিলাওয়াত করলাম কিন্তু তাতে তিনি সাজদাহ্ করেননি"।
থিম:

أن زيد بن ثابت -رضي الله عنه- قرأ على النبي -صلى الله عليه وسلم- سورة النَّجم، فلما مَرَّ بآية السجود لم يسجد فيها.
وترك السجود فيها في هذه الحالة لا يدل على تركه مطلقا؛ لاحتمال أن يكون السبب في الترك إذ ذاك لبيان الجواز، وهذا أرجح الاحتمالات وبه جزم الشافعي؛ لأنه لو كان واجبا لأمره بالسجود ولو بعد ذلك.

থিম:

যায়েদ ইবনে সাবেত রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহর কাছে সূরা নাজম তিলাওয়াত করেন। যখন সেজদার আয়াত তিলাওয়াত করেন তখন তিনি সেজদা করেননি। এ অবস্থায় সেজদা করা ছেড়ে দেওয়া এ কথা প্রমাণ করে না যে, একেবারেই সেজদা ছেড়ে দিয়েছেন। কারণ, হতে পারে এখানে সেজদা করা ছেড়ে দিয়ে সেজদা না করা বৈধ প্রমাণ করেছেন। এটিই সর্বাধিক প্রাধান্য প্রাপ্ত সম্ভাবনা। এটিই নিশ্চিত করেছেন ইমাম শাফে'ঈ। কারণ, সেজদা যদি ওয়াজিব হতো তাহলে তিনি তাকে পরে হলেও সেজদা করার নির্দেশ দিতেন। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11240

 
Hadith   67



Esin Hadith ID


11241" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: قلت لرسول الله -صلى الله عليه وسلم-: أفي سورة الحج سجدتان؟ قال: نعم، ومن لم يسجدهما، فلا يقرأهما
থিম:

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললাম, সূরা হজে কি দুটি সেজদাহ রয়েছে? সে বলল, হ্যাঁ। আর যে ব্যক্তি সেজদাহ দুইটি না করবে সে যেন সে দুটি তিলাওয়া না করে।
থিম:

عن عُقْبَة بن عامر -رضي الله عنه- قال: قلت لرسول الله -صلى الله عليه وسلم-: أفِي سورة الحج سَجدَتَان؟ قال:   نعم، ومن لم يَسْجُدْهما؛ فلا يَقْرَأْهما>.
থিম:

'উকবা ইবন 'আমের রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললাম, সূরা হজে কি দুটি সেজদাহ রয়েছে? সে বলল, "হ্যাঁ। আর যে ব্যক্তি সেজদাহ দুইটি না করবে সে যেন সে দুটি তিলাওয়া না করে"।
থিম:

في هذا الحديث: يسأل عُقبة بن عامر -رضي الله عنه- النبي -صلى الله عليه وسلم- ويَستفهم منه عن سورة الحج، أفيها سجدتان؟ فأجابه النبي -صلى الله عليه وسلم- بنعم، فيهما سجدتان.
ثم زاده حكما آخر، وهو: "ومن لم يَسجدهما فلا يَقرأهما" أي: من أتى على هاتين الآيتين، ولم يُرد السُّجود فيهما فلا يقرأهما، وهذا النهي ليس للتحريم ولكنه للكراهة، وسجود التلاوة سُنة.

থিম:

এ হাদীসটিতে উকবাহ ইবন আমের রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সূরা হাজ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে জানতে চান যে, তাতে কি দুটি সেজদা আছে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাহ তাকে হ্যাঁ বলে উত্তর দিয়ে জানিয়ে দেন যে, তাতে দুটি সেজদা আছে। তারপর তিনি তাকে আরেকটি বিধান জানিয়ে দেন যে, যে সেজদা করবে না সে যেন আয়াত দুটি তিলাওয়াত না করে। অর্থাৎ যে ব্যক্তি এ দুটি আয়াত পর্যন্ত এসে পৌঁছবে এবং সেজদা করার ইচ্ছা তার নাই, তাহলে সে তা পড়বে না। এ নিষেধ করাটি হারামের জন্য নয়। তবে মাকরুহের জন্য। তিলাওয়াতের সেজদা সুন্নাত। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11241

 
Hadith   68



Esin Hadith ID


11244" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: إذا جاءه أمرُ سرورٍ أو بُشِّر به خَرَّ ساجدًا شاكرًا لله
থিম:

যখন কোন খুশীর খবর আসতো বা তাঁকে কোন সুসংবাদ দেওয়া হতো, তখনই তিনি আল্লাহর উদ্দেশ্যে শোকর-সূচক সিজদা আদায় করতেন।
থিম:

عن أبي بكرة، عن النبي -صلى الله عليه وسلم- أنه كان <إذا جاءه أمرُ سرورٍ، أو بُشِّرَ به خَرَّ ساجدًا شاكرًا لله>.
থিম:

আবূ বাকরাহ রাদিয়াল্লাহু <'আনহু নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, "রাসূল্লাহ সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট যখন কোন খুশীর খবর আসতো অথবা তাঁকে কোন সুসংবাদ দেওয়া হতো, তখনই তিনি আল্লাহর উদ্দেশ্যে শোকর-সূচক সিজদা আদায় করতেন।"
থিম:

يبين الحديث الشريف فعل النبي -صلى الله عليه وسلم- كلما جاءه أمر يسره أو بشارة بشيء حسن؛ أنه كان يخر ساجداً سجود شكر لله -تعالى-.
سجود الشكر شرع عند النعم المتجددة، أما النعم المستمرة كنعمة الإسلام ونعمة العافية والغنى عن الناس ونحو ذلك فهذه لا يشرع السجود لها؛ لأن نعم الله دائمة لا تنقطع، فلو شرع السجود لذلك لاستغرق الإنسان عمره في السجود، وإنما يكون شكر هذه النعم وغيرهما بالعبادة والطاعة لله -تعالى-.

থিম:

উপরোক্ত হাদীস শরীফে নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লামের কর্ম বর্ণিত হয়েছে যে, তাঁর নিকট যখন কোন খুশীর খবর আসতো অথবা তাঁকে কোন সুসংবাদ দেওয়া হতো, তখনই তিনি আল্লাহর উদ্দেশ্যে শোকর-সূচক সিজদা আদায় করতেন।
নতুন নি'আমত লাভে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে সিজদা দেওয়া শরী'আতসম্মত। তবে যেসব নি'আমত সর্বদা বহমান যেমন ইসলাম লাভের নি'আমত, সুস্থতা, পরবিমুখতা ও ধনাট্যতা ইত্যাদি নি'আমতের বিনিময়ে শুকরিয়ার সিজদা দেওয়া শরী'আতসম্মত নয়। কেননা আল্লাহর নি'আমত বান্দার উপর সর্বদা বর্ষিত, যা কখনো বিচ্ছিন্ন হয় না। সুতরাং এসব নি'আমতের জন্য যদি সিজদাতুশ শুকর আদায় করা শরী'আতসম্মত করা হতো তবে মানুষ সারাজীবনই সিজদা আদায়ে নিমজ্জিত থাকতে হতো। এসব নি'আমত ও এ ধরনের ন্যান্য নি'আমতের শুকরিয়া ইবাদত ও আল্লাহ আনুগত্যের মাধ্যমে আদায় হয়। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি ইবন মাজাহ বর্ণনা করেছেন। - এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11244

 
Hadith   69



Esin Hadith ID


11245" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: إن جبريل -عليه السلام-، أتاني فَبَشَّرَنِي ، فقال: إن الله -عز وجل- يقول: من صلى عليك صليت عليه، ومن سلم عليك سلمت عليه، فسجدت لله -عز وجل- شكرًا
থিম:

জিবরীল আলাইহিস সালাম আমার কাছে এসে সুসংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মহান আল্লাহ বলেছেন যে, যে ব্যক্তি আপনার প্রতি দরুদ পাঠ করবে আমি (আল্লাহ) তার প্রতি দরুদ (রহমত বর্ষণ) পাঠ করব। আর যে ব্যক্তি আপনার প্রতি সালাম পেশ করবে আমি (আল্লাহ) তার প্রতি সালাম (শান্তি ও নিরাপত্তা) পেশ করব। ফলে আমি মহান আল্লাহর শুকরিয়া জ্ঞাপন করে সিজদা দিয়েছিলাম।
থিম:

عن عبد الرحمن بن عوف -رضي الله عنه- قال: خرج رسول الله -صلى الله عليه وسلم-، فتوجه نحو صدقته فدخل، فاستقبل القبلة فَخَرَّ ساجداً، فأطال السجود حتى ظننت أن الله -عز وجل- قبض نفسه فيها، فَدَنَوْتُ منه، ثم جلستُ فرفع رأسه، فقال: من هذا؟ قلت عبد الرحمن، قال: ما شأنك؟ قلت: يا رسول الله سجدت سجدة خشيت أن يكون الله عز وجل قد قَبَضَ نَفْسَكَ فيها، فقال: إن جبريل -عليه السلام-، أتاني فَبَشَّرَنِي ، فقال: إن الله -عز وجل- يقول: من صلى عليك صَلَّيْتُ عليه، ومن سلم عليك سَلَّمْتُ عليه، فسجدت لله -عز وجل- شكراً.
থিম:

আব্দুর রহমান ইবন 'আউফ রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে তাঁর সদকার বাগানের দিকে গেলেন এবং সেখানে প্রবেশ করে কিবলামুখী হয়ে সিজদা করলেন।সিজদা এতো দীর্ঘ করলেন যে, আমি ভাবলাম মহান আল্লাহ হয়ত তার রূহ কবয করে নিয়েছেন। অতঃপর আমি তাঁর কাছে গিয়ে বসলাম। তিনি মাথা উঠিয়ে বললেন, তুমি কে? আমি বললাম, আমি আব্দুর রহমান। তিনি বললেন, কী ব্যাপার? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এতো দীর্ঘ সিজদা দিয়েছেন যে, আমি ভাবলাম মহান আল্লাহ হয়ত আপনার রূহ কবয করে নিয়েছেন।তিনি বললেন, জিবরীল আলাইহিস সালাম আমার কাছে এসে সুসংবাদ দিয়েছেন, মহান আল্লাহ বলেছেন যে, যে ব্যক্তি আপনার প্রতি দরুদ পাঠ করবে আমি (আল্লাহ) তার প্রতি দরুদ (রহমত বর্ষণ) পাঠ করব। আর যে ব্যক্তি আপনার প্রতি সালাম পেশ করবে আমি (আল্লাহ) তার প্রতি সালাম (শান্তি ও নিরাপত্তা) পেশ করব। ফলে আমি মহান আল্লাহর শুকরিয়া জ্ঞাপন করে সিজদা দিয়েছিলাম।"
থিম:

يبين الحديث الشريف مشروعية سجود الشكر عند تجدد النعم وسماع الأخبار السارة والمبشرات كما حصل مع النبي -صلى الله عليه وسلم- حيث كان في صلاة وجاءه جبريل -عليه السلام- فبشره بأن من صلى عليه من أمته صلى الله عليه وكذلك حال من سلم عليه، كما أنه من السنة الإطالة في سجود الشكر لفعله -صلى الله عليه وسلم- حيث إن الصحابة -رضوان الله عليهم- شكوا في أن يكون قد مات.
থিম:

উপরোক্ত হাদীস শরীফে নতুন নতুন নি'আমত প্রাপ্তি, আনন্দদায়ক ও সুসংবাদ শ্রবণে শুকরিয়া জ্ঞাপন সিজদার প্রচলন বর্ণিত হয়েছে। যেমন, নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে যা ঘটেছিল, তিনি সালাতরত অবস্থায় ছিলেন, এমনসময় জিবরীল আলাইহিস সালাম তাঁর কাছে এসে সুসংবাদ দিয়েছেন যে, তাঁর উম্মতের মধ্যে যে ব্যক্তি তাঁর প্রতি দরুদ পাঠ করবে এবং যে ব্যক্তি তাঁর প্রতি সালাম পেশ করবে আল্লাহ তার প্রতি রহমত ও শান্তি বর্ষণ করবেন। সাধারণত শুকরিয়ার সিজদা দীর্ঘ করা সুন্নাত; কারণ নবী এতো দীর্ঘ সিজদা করেছেন যে সাহাবীগণ ভেবেছিলেন তিনি মারা গেছেন। Esin Hadith Grade English


[হাসান]    ← →   

[এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11245

 
Hadith   70



Esin Hadith ID


11246" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: بعث النبي -صلى الله عليه وسلم- خالد بن الوليد إلى أهل اليمن يدعوهم إلى الإسلام فلم يجيبوه، ثم إن النبي -صلى الله عليه وسلم- بعث علي بن أبي طالب
থিম:

বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খালিদ ইবন ওয়ালিদকে ইয়ামনের দিকে প্রেরণ করেন যাতে তিনি তাদের ইসলামের দিকে দাওয়াত দেয়। কিন্তু তারা তাকে সাড়া দেয়নি। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী ইবন আবী তালেব রাদিয়াল্লাহু আনহুকে পাঠালেন এবং তাকে নির্দেশ দিলেন যে, খালিদ এবং তার সাথে আরও যারা আছে তাদের ফেরত পাঠাতে। তবে যদি খালিদের সাথে থাকা কোন লোক আলীর সাথে থাকতে চায় সে যেন তার সাথে থাকে। বারা বলেন, আমি তাদের মধ্যে একজন ছিলাম সে তার সাথে রয়ে গেল। তারপর যখন আমরা সম্প্রদায়ের লোকদের কাছাকাছি গেলাম, তারা আমাদের কাছে বের হয়ে আসল। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদের সালাত পড়ালেন এবং এক কাতার করে দাড়ালাম। তারপর তিনি আমাদের সামনে অগ্রসর হলেন। তারপর তাদেরকে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চিঠি পড়ে শুনালেন, ফলে হামদান গোত্রের সব লোক ইসলাম গ্রহণ করে ফেলল। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট তাদের ইসলাম গ্রহণের সংবাদ জানিয়ে চিঠি লিখলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন চিঠিটি পড়লো সেজদায় লুটে পড়ল। তারপর তিনি তার মাথা তুললেন এবং বললেন, হামদান সম্প্রদায়ে ওপর শান্তি। হামদান সম্প্রদায়ে ওপর শান্তি। সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী।
থিম:

عن البراء    -رضي الله عنه- قال: بعث النبي -صلى الله عليه وسلم- خالد بن الوليد إلى أهل اليمن يَدْعُوهُمْ إلى الإسلام فَلَمْ يُجِيبُوهُ، ثم إنَّ النبي -صلى الله عليه وسلم- بعث علي بن أبي طالب، وأمره أن يَقْفُلَ خالد ومن كان معه إلا رجل ممن كان مع خالد أحب أن يُعَقِّبَ مع علي -رضي الله عنه- فَلْيُعَقِّبْ معه قال البراء فَكُنْتُ مِمَّنْ عَقَّبَ مَعَهُ، فَلَمَّا دَنَوْنَا مِنَ القوم خرجوا إلينا فصلى بنا عليٌّ -رضي الله عنه- وَصَفَّنَا صَفًّا واحدا، ثم تقدَّم بين أيدينا، فقرأ عليهم كتاب رسول الله -صلى الله عليه وسلم- فَأَسْلَمَتْ هَمْدَانُ جَمِيعًا، فكتب علي -رضي الله عنه- إلى رسول الله -صلى الله عليه وسلم- بإسلامهم، فلمَّا قرأ رسول الله -صلى الله عليه وسلم- الكتاب خَرَّ ساجدا، ثم رفع رأسه، فقال: السَّلَامُ عَلَى هَمْدَانَ، السلامُ على هَمْدَانَ.
থিম:

বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খালিদ ইবন ওয়ালিদকে ইয়ামনের দিকে প্রেরণ করেন যাতে তিনি তাদের ইসলামের দিকে দাওয়াত দেয়। কিন্তু তারা তাকে সাড়া দেয়নি। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী ইবন আবী তালেব রাদিয়াল্লাহু আনহুকে পাঠালেন এবং তাকে নির্দেশ দিলেন যে, খালিদ এবং তার সাথে আরও যারা আছে তাদের ফেরত পাঠাতে। তবে যদি খালিদের সাথে থাকা কোন লোক আলীর সাথে থাকতে চায় সে যেন তার সাথে থাকে। বারা বলেন, আমি তাদের মধ্যে একজন ছিলাম সে তার সাথে রয়ে গেল। তারপর যখন আমরা সম্প্রদায়ের লোকদের কাছাকাছি গেলাম, তারা আমাদের কাছে বের হয়ে আসল। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদের সালাত পড়ালেন এবং এক কাতার করে দাড়ালাম। তারপর তিনি আমাদের সামনে অগ্রসর হলেন। তারপর তাদেরকে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চিঠি পড়ে শুনালেন, ফলে হামদান গোত্রের সব লোক ইসলাম গ্রহণ করে ফেলল। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট তাদের ইসলাম গ্রহণের সংবাদ জানিয়ে চিঠি লিখলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন চিঠিটি পড়লো সেজদায় লুটে পড়ল। তারপর তিনি তার মাথা তুললেন এবং বললেন, হামদান সম্প্রদায়ে ওপর শান্তি। হামদান সম্প্রদায়ে ওপর শান্তি।
থিম:

يبين الحديث أن النبي -صلى الله عليه وسلم- كان يخر ساجداً شكراً لله كلما جاءه أمر يسره، ومن ذلك ما حدث مع علي -رضي الله عنه- حينما أرسله النبي -صلى الله عليه وسلم- إلى اليمن ليدعوهم بعد أن أبوا أن يسلموا على يد خالد بن الوليد -رضي الله عنه-، فلما دعاهم علي أسلمت همدان كلها فكتب بذلك إلى النبي -صلى الله عليه وسلم- فخر ساجداً؛ شكراً لله -تعالى-.
থিম:

হাদীসটি বর্ণনা করে যে, যখনই এমন কোন সংবাদ আসে যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে খুশি করে, তখন তিনি আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের লক্ষ্যে সেজদায় পড়ে যান। এ ধরনের একটি ঘটনা যা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে সংঘটিত হয়। খালেদ ইবন ওয়ালিদের হাতে ইসলাম গ্রহণ করতে অস্বীকার করার পর যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ইয়ামানের দিকে তার অধিবাসীদের ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার জন্য পাঠান, তখন আলী তাদের ইসলামের দাওয়াত দিলে হামদান গোত্রের সবাই তার হাতে ইসলাম গ্রহণ করেন। তখন তিনি বিষয়টি জানিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে চিঠি লেখেন। তা পড়ে আল্লাহর শুকরিয়া স্বরূপ তিনি সেজদায় পড়ে যান। Esin Hadith Grade English


[হাসান]    ← →   

[এটি বাইহাকী বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11246

 
Hadith   71



Esin Hadith ID


11248" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: أن النبي -صلى الله عليه وسلم- كان يصلي ركعتين خفيفتين بعد ما يطلع الفجر
থিম:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাজর হবার পর জামা'আত দাঁড়ানোর পূর্বে সংক্ষিপ্ত দু'রাক'আত সলাত আদায় করতেন।
থিম:

عن حفصة -رضي الله عنها- <أن النبي -صلى الله عليه وسلم- كان يُصلي ركعتين خَفيفتين بعد ما يَطلع الفجر>، وفي رواية: قبل أن تُقام الصلاة.
থিম:

হাফসাহ রাদিয়াল্লাহু <'আনহা থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাজর হবার পর জামা'আত দাঁড়ানোর পূর্বে সংক্ষিপ্ত দু'রাক'আত সলাত আদায় করতেন। অপর বর্ণনায়, ইকামাতের পূর্বে।
থিম:

تخبر حفصة -رضي الله عنها- في هذا الحديث عن حاله -صلى الله عليه وسلم- وأنه كان يُصلي ركعتين، وهي راتبة الفجر، ولا يَزيد عليهما؛ لما رواه مسلم من حديث حفصة -رضي الله عنها- أنها قالت: (إذا طلع الفجر، لا يصلي إلا ركعتين خَفيفتين).
وقولها في هذا الحديث "خَفيفتين" تعني: يخفف في القيام والرُّكوع والسُّجود، ومن شِدَّةِ تخفيفه -صلى الله عليه وسلم- تقول عائشة -رضي الله عنها- كما في البخاري: "هل قرأ بأم الكتاب؟" وفي رواية في الموطأ: "إن كان رسول الله -صلى الله عليه وسلم- ليُخفف ركعتي الفجر، حتى إني لأقول: أقرأ بأم القرآن أم لا؟" وليس معنى هذا أنه كان -صلى الله عليه وسلم- يُسرع فيهما بحيث يخل بأركانها، من القيام والرُّكوع والسُّجود، والمعنى الصحيح: أنه -صلى الله عليه وسلم- كان يخففهما مقارنة ببقية التطوعات، التي عُهد عنه الإطالة فيها.
"بعد ما يَطلع الفجر" تعني: إذا طلع الفجر بَادر بهاتين الركعتين"قبل أن تُقام الصلاة" وهذا يعني أن وقت ركعتي الفَجر من وقت طلوع الفجر إلى صلاة الصُّبح.

থিম:

এ হাদীসটিতে হাফসা রাদিয়াল্লাহু আনহা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবস্থা সম্পর্কে সংবাদ দেন যে, তিনি ফজরের দুই রাকা'আত সুন্নাত পড়তেন। এর বেশি পড়তেন না। কারণ ইমাম মুসলিম হাফসা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, যখন ফজর উদয় হতো তখন কেবল দুই রাকা'আত সংক্ষিপ্ত সালাত আদায় করতেন। এ হাদীসে তার কথা, "সংক্ষিপ্ত" অর্থাৎ কিয়াম, রুকূ ও সেজদায় সংক্ষেপ করতেন। অধিক সংক্ষিপ্ত করার কারণে, সহীহ বুখারির বর্ণনায় আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, তিনি কি সূরা ফাতিহা পড়েছেন? মুয়া'আত্তার একটি বর্ণনায় বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের দুই রাকা'আত এত সংক্ষেপ করতেন এমনকি আমি বলতাম, সূরা ফাতিহা পড়ছেন নাকি পড়েন নাই। এর অর্থ এ নয় যে, তিনি দুই রাকা'আতে এতো বেশি সংংক্ষেপ করতেন যাতে রুকনসমূহ কিয়াম, রুকূ, সেজদা ইত্যাদি আদায়ে বিঘ্ন ঘটতো। সহীহ কথা হলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্যান্য নফল সালাত যেগুলো তিনি খুব দীর্ঘ করতেন বলে জানা যায় তার তুলনায় সংক্ষেপ করতেন। ফজর উদয় হওয়ার পর" অর্থাৎ যখন ফজর উদয় হয়, তখন ইকামাতের পূর্বে। এর অর্থ হলো, ফজরের দুই রাকা'আতের সময় হলো, ফজর উদয় হওয়া থেকে নিয়ে ফজরের সালাত পর্যন্ত। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11248

 
Hadith   72



Esin Hadith ID


11249" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: أن النبي -صلى الله عليه وسلم- كان لا يدع أربعًا قبل الظهر وركعتين قبل الغداة
থিম:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের পূর্বে চার রাক'আত এবং সকালের (ফজের পূর্বে) দু'রাক'আত সালাত ছাড়তেন না।
থিম:

عن عائشة -رضي الله عنها- أن النبي -صلى الله عليه وسلم- كان لا يَدع أربعا قَبل الظهر وركعتين قبل الغَدَاة.
থিম:

আয়িশাহ্ রাদয়িাল্লাহু <'আনহা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের পূর্বে চার রাক'আত এবং সকালের (ফজের পূর্বে) দু'রাক'আত সালাত ছাড়তেন না।
থিম:

أن النبي -صلى الله عليه وسلم- كان يُداوم ويحافظ على صلاة أربع ركعات قبل صلاة الظهر، وهذا لا ينافي حديث ابن عمر -رضي الله عنه- وفيه: "ركعتين قبل الظهر"، ووجه الجمع بينهما أنه تارةً يصلي ركعتين، وتارةً أربعًا، فأخبر كل منهما عن أحد الأمرين، وهذا موجود في كثير من نوافل العبادات.
ويصلي أربعًا قبل الظهر بتسليمتين، وإن صلاها أربعًا بتسليمة واحدة جاز.
كما كان يُداوم ويحافظ على صلاة ركعتين قبل صلاة الفجر، وهي الغداة.

থিম:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের পূর্বে চার রাক'আত সালাত সবসময় আদায় ও সংরক্ষণ করতেন। এটি ইবন উমারের হাদীসের সাথে সাংঘর্সিক নয়, তাতে বলা হয়, "যুহরের পূর্বে দুই রাকা'আত" উভয় বর্ণনার মধ্যে সামঞ্জস্য হলো, তিনি কখনো দুই রাকা'আত আবার কখনো চার রাকা'আত আদায় করতেন। তাই তাদের প্রত্যেকে যে কোন একটি বিষয় সম্পর্কে সংবাদ দেন। এরূপ বর্ণনা অনেক নফল ইবাদাতে বর্ণিত আছে। আর যুহরের পূর্বে চার রাকা'আত দুই সালামে পড়বে যদিও তিনি চার রাকা'আত এক সালামে আদায় করেছেন। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11249

 
Hadith   73



Esin Hadith ID


11251" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: من حافظ على أربع ركعات قبل الظهر وأربع بعدها حرمه الله على النار
থিম:

যে ব্যক্তি যুহরের পূর্বে এবং পরে চার রাকা'আত সালাতের হিফাযত করে তাকে আল্লাহ জাহান্নামের ওপর হারাম করে দেবেন।
থিম:

عن أم حبيبة -رضي الله عنها- مرفوعًا:   من حَافَظ على أربع رَكعات قبل الظهر وأربع بعدها حَرَّمَه الله على النَّار>.
থিম:

উম্মে হাবীবাহ রাদিয়াল্লাহু <'আনহা থেকে মারফূ' হিসেবে বর্ণিত: "যে ব্যক্তি যুহরের পূর্বে এবং পরে চার রাকা'আত সালাতের হিফাযত করে তাকে আল্লাহ জাহান্নামের ওপর হারাম করে দেবেন।
থিম:

معنى حديث : "من حَافَظ على أربع رَكعات قبل الظهر" يعني: ثَابر وواظب على أربع ركعات قبل الظهر.
"وأربع بعدها" أي: وواظب على أربع بعد صلاة الظَّهر.
"حَرَّمَه الله على النَّار" هذا جزاؤه، وهو أنَّ الله -تعالى- يمنعه من دخول النَّار، وفي رواية "حَرَّم الله لحَمه على النَّار"، وفي أخرى "لم تَمَسَّه النَّار".   
فحديث أم حبيبة -رضي الله عنها- فيه تحريم النَّار فلا تَمسه النَّار ولا تَقربه إذا حافظ المرء على أربع قبل الظهر، وأربع بعدها منعه الله بفضله من دخول النار.

থিম:

হাদীসের অর্থ: "যে ব্যক্তি যুহরের আগে চার রাকাআত সুন্নাত সালাতের হিফাযত করে"।
অর্থাৎ যুহরের পূর্বে চার রাকাআত সালাত নিয়মিত আদায় করে।
"এবং তার পরে চার রাকাআত" অর্থাৎ যুহরের সালাতের পর চার রাকাআত সালাত সবসময় আদায় করে।
আল্লাহ তাকে জাহান্নামের ওপর হারাম করে দেবেন। এটি তার বিনিময়। আর তা হলো আল্লাহ তাআলা তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখবেন। অপর বর্ণনায় আছে, "আল্লাহ তার গোস্তকে জাহান্নামের ওপর হারাম করে দেবেন"। অপর বর্ণনায়, "তাকে আগুন স্পর্শ করবে না"। সুতরাং উম্মে হাবীবাহ রাদিয়াল্লাহু আনহার হাদীসে জাহান্নাম হারাম হওয়ার কথা রয়েছে, ফলে যখন কোন ব্যক্তি যুহরের পূর্বে এবঙ পরে চার রাকাআত সালাতের হিফাযত করবে তাকে আগুন স্পর্শ করবে না এবং আল্লাহ স্বীয় অনুগ্রহে তাকে আগুনে প্রবেশ থেকে বিরত রাখবেন। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি ইবন মাজাহ বর্ণনা করেছেন। - এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11251

 
Hadith   74



Esin Hadith ID


11252" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: رحم الله امرأ صلى قبل العصر أربعًا
থিম:

আল্লাহ সে ব্যক্তির উপর রহমত বর্ষণ করেন যে আসরের (ফরযের) পূর্বে চার রাক'আত (নফল) সালাত আদায় করে।
থিম:

عن عبدالله بن عمر -رضي الله عنهما- قال: قال رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: <رحم الله امرأ صلى قبل العصر أربعًا>.
থিম:

আব্দুল্লাহ ইবন 'উমার রাদিয়াল্লাহু <'আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "আল্লাহ সে ব্যক্তির উপর রহমত বর্ষণ করেন যে আসরের (ফরযের) পূর্বে চার রাক'আত (নফল) সালাত আদায় করে।"
থিম:

يبين الحديث الشريف فضيلة من يصلي أربع ركعات قبل العصر؛ تنفلاً، وذلك بأن دعا له بالرحمة.
থিম:

হাদীস শরীফটি তার ফজিলত বর্ণনা করছে যে ব্যক্তি আসর সালাতের পূর্বে চার রাক'আত নফল সালাত আদায় করে। কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য আল্লাহর রহমতের দু'আ করেছেন। Esin Hadith Grade English


[হাসান]    ← →   

[এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন   ।   - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11252

 
Hadith   75



Esin Hadith ID


11253" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: صلوا قبل المغرب ركعتين
থিম:

আব্দুল্লাহ মুযানী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "তোমরা মাগরেবের পূর্বে (দু' রাকআত) নামায পড়।" অতঃপর বললেন, "যার ইচ্ছা হবে মাগরিবের পূর্বে দু'রাকাত সালাত পড়বে"। মানুষ এটাকে সুন্নত হিসেবে গ্রহণ করতে পারে আশঙ্কায়। সুনানু আবূ দাউদ, এটা তারই শব্দ, তবে বুখারীতে অনুরূপ হাদীস রয়েছে।
থিম:

عن عبد الله بنِ مُغَفَّلِ المُزَنِيِّ -رضي الله عنهما- قال: قال رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: <صَلُّوا قبل المغرب ركعتين>، ثم قال:   صَلُّوا قبل المغرب ركعتين لمن شاء>، خشية أن يتخذها الناس سُنة.
থিম:

আব্দুল্লাহ ইবনে মুগাফ্ফাল মুযানী রাদিয়াল্লাহু <'আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "তোমরা মাগরেবের পূর্বে (দু' রাকআত) নামায পড়।" অতঃপর বললেন, "যার ইচ্ছা হবে মাগরিবের পূর্বে দু'রাকাত সালাত পড়বে"। মানুষ এটাকে সুন্নত হিসেবে গ্রহণ করতে পারে আশঙ্কায়"।
থিম:

في الحديث الشريف الحث على صلاة ركعتين قبل صلاة المغرب، وذلك بعد أذان المغرب تنفلاً لمن شاء، ولكنهما ليستا من السنن الرواتب المؤكدة، فيستحب عدم المداومة عليها؛ لئلا تشبه الرواتب، وقد وردت هاتين الركعتين عن النبي -صلى الله عليه وسلم- بأقسام السنة الثلاثة، فقد أمر بها بقوله: "صَلُّوا قبل المغرب"، وفعَلَهُما كما في رواية ابن حبان، ورأى الصحابة يصلونها فأقرَّهم عليها.
থিম:

হাদীসটিতে মাগরিবের সালাতের পূর্বে দুই রাকা'আত সালাত আদায়ের প্রতি উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে। এটি হলো মাগরিবের আযানের পর যে ব্যক্তি নফল হিসেবে আদায় করতে চায় তার জন্য। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11253

 
Hadith   76



Esin Hadith ID


11256" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: أن النبي -صلى الله عليه وسلم- قرأ في ركعتي الفجر: ﴿قل يا أيها الكافرون﴾ و﴿قل هو الله أحد﴾
থিম:

আবূ হুরায়রাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের দুই রাকা'আতে সূরা কাফিরুন এবং সূরা ইখলাস পড়েন। সহীহ মুসলিম।
থিম:

عن أبي هريرة -رضي الله عنه-: أن النبي -صلى الله عليه وسلم- قرأ في ركعتي الفجر: ﴿قل يا أيها الكافرون﴾ و﴿قل هو الله أحد﴾.
থিম:

আবূ হুরায়রাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের দুই রাকা'আতে সূরা কাফিরুন এবং সূরা ইখলাস পড়েন।
থিম:

يبين الحديث هدي النبي -صلى الله عليه وسلم- في القراءة في راتبة الفجر، وهي قراءة سورة الكافرون في الركعة الأولى، وسورة الإخلاص في الركعة الثانية .
ففي قوله -رضي الله عنه-: (قرأ في ركعتي الفجر) أي في سنة الفجر وهي المشهورة بهذا الاسم.
قوله: "{قل يا أيها الكافرون} و {قل هو الله أحد}" أي كل سورة بعد الفاتحة؛ إلا أن الراوي ترك ذكرها -أي الفاتحة- لظهورها، وهذا شائع كثير في الأحاديث المرفوعة القولية والفعلية ذكر فيها السور دون الفاتحة؛ لظهورها وشهرتها، وهذا يدل على تأكد وجوب الفاتحة.

থিম:

হাদীসটি ফজরের সুন্নাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়াসাল্লামের আদর্শের কথা বর্ণনা করছে, আর তা হচ্ছে: প্রথম রাকা'আতে সূরা কাফিরুন এবং দ্বিতীয় রাকা'আতে সূরা ইখলাস পড়া।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথা: "ফজরের দুই রাকা'আতে পড়েছেন"। অর্থাৎ ফজরের সুন্নাত। আর তা এ নামেই প্রসিদ্ধ।
তার বাণী, "সূরা কাফিরুন ও ইখলাস"। অর্থাৎ প্রত্যেক সূরাই ফাতিহা পড়ার পর পড়বে। তবে বর্ণনাকারী সূরা ফাতিহার বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার কারণে তার আলোচনা ছেড়ে দিয়েছেন। বর্ণনামুলক ও আমলী মারফ' হাদীসসমূহে এ ধরনের প্রচলন ব্যাপক রয়েছে স্পষ্ট ও প্রসিদ্ধ হওয়ার কারণে তাতে সূরা উল্লেখ করা হয়, ফাতিহা উল্লেখ করা হয় না। এটি ফাতিহা ওয়াজিব হওয়ার গুরুত্বের ওপর প্রমাণ বহন করে। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11256

 
Hadith   77



Esin Hadith ID


11257" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: كان رسول الله -صلى الله عليه وسلم- إذا سكت المؤذن بالأولى من صلاة الفجر قام، فركع ركعتين خفيفتين قبل صلاة الفجر، بعد أن يستبين الفجر، ثم اضطجع على شقه الأيمن، حتى يأتيه المؤذن للإقامة
থিম:

মুয়াযযিন যখন ফজরের প্রথম আযান শেষ করত তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়াতেন এবং দু'রাকাত হালকা সালাত আদায় করতেন ফজরের সালাতের পূর্বে ফজর স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পর। তারপর তিনি ডান কাত হয়ে শুয়ে পড়তেন। যতক্ষণ না একামত দেওয়ার জন্যে মুয়াযযিন তার নিকট আসতেন।
থিম:

عن عائشة -رضي الله عنها- قالت:   كان رسول الله -صلى الله عليه وسلم- إذا سَكَتَ المؤذن بالأولى من صلاة الفجر قام، فركع ركعتين خفيفتين قبل صلاة الفجر، بعد أن يَسْتَبينَ الفجر، ثم اضطجع على شِقِّهِ الأيمن، حتى يأتيه المؤذن للإقامة>.
থিম:

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু <'আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "মুয়াযযিন যখন ফজরের প্রথম আযান শেষ করত তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়াতেন এবং দু'রাকাত হালকা সালাত আদায় করতেন ফজরের সালাতের পূর্বে ফজর স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পর। তারপর তিনি ডান কাত হয়ে শুয়ে পড়তেন। যতক্ষণ না একামত দেওয়ার জন্যে মুয়াযযিন তার নিকট আসতেন।"
থিম:

يبين الحديث الشريف أن النبي -صلى الله عليه وسلم- كان إذا أذن المؤذن لصلاة الفجر يقوم فيصلي ركعتين ثم يضطجع على شقه الأيمن حتى يأتيه المؤذن للإقامة.
থিম:

উপরোক্ত হাদীস শরীফ বর্ণিত, মুয়াযযিন যখন ফজরের আযান দিতো তখন নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে দু'রাক'আত সালাত আদায় করতেন। অতঃপর তিনি ডান কাত হয়ে শুয়ে পড়তেন, যতক্ষণ মুয়াযযিন পুনরায় ইক্বামতের জন্য না আসত। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11257

 
Hadith   78



Esin Hadith ID


11258" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: إذا صلى أحدكم الركعتين قبل الصبح، فليضطجع على يمينه
থিম:

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু <'আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "তোমাদের কেউ যখন ফজরের দু' রাকআত সুন্নত পড়বে, তখন সে যেন তার ডান পার্শ্বে শুয়ে যায়।" মারওয়ান ইবন হাকাম তাকে বলল, আমাদের কারো মসজিদের দিকে গমন করা ডান পার্শ্বে শুয়ার জন্য যথেষ্ট হবে না। উবাউদুল্লাহ স্বীয় হাদীসে বলেন: তিনি বললেন, না, তিনি বলেন: বিষয়টি ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট পৌঁছলে তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু তার ওপর বাড়াবাড়ি করল। তখন ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলা হলো, তিনি যা বলেন তার কোন কিছু কি আপনি অস্বকীর করেন। সে বলল, "না, তবে সে সাহস দেখিয়েছে আর আমরা ভীরুতা প্রদর্শন করেছি।" তিনি বলেন, বিষয়টি আবূ হুরায়রার নিকট পৌঁছলে তিনি বললেন, আমার কি অপরাধ যদি আমি স্মরণ রাখি এবং তারা ভুলে যায়। সুনানে আবূ দাউদ।
থিম:

عن أبي هريرة -رضي الله عنه-، قال: قال رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: <إذا صلى أحدكم الركعتين قبل الصبح، فليضطجع على يمينه>، فقال له مروان بن الحكم: أما يجزئ أحدنا ممشاه إلى المسجد حتى يضطجع على يمينه، قال عبيد الله في حديثه: قال: لا، قال: فبلغ ذلك ابن عمر، فقال: أكثر أبو هريرة على نفسه، قال: فقيل لابن عمر: هل تنكر شيئا مما يقول؟ قال:   لا، ولكنه اجترأ وجبنا>، قال: فبلغ ذلك أبا هريرة، قال:   فما ذنبي إن كنت حفظت ونسوا>.
থিম:

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু <'আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "তোমাদের কেউ যখন ফজরের দু' রাকআত সুন্নত পড়বে, তখন সে যেন তার ডান পার্শ্বে শুয়ে যায়।" মারওয়ান ইবন হাকাম তাকে বলল, আমাদের কারো মসজিদের দিকে গমন করা ডান পার্শ্বে শুয়ার জন্য যথেষ্ট হবে না। উবাউদুল্লাহ স্বীয় হাদীসে বলেন: তিনি বললেন, না, তিনি বলেন: বিষয়টি ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট পৌঁছলে তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু তার ওপর বাড়াবাড়ি করল। তখন ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলা হলো, তিনি যা বলেন তার কোন কিছু কি আপনি অস্বকীর করেন। সে বলল, "না, তবে সে সাহস দেখিয়েছে আর আমরা ভীরুতা প্রদর্শন করেছি।" তিনি বলেন, বিষয়টি আবূ হুরায়রার নিকট পৌঁছলে তিনি বললেন, আমার কি অপরাধ যদি আমি স্মরণ রাখি এবং তারা ভুলে যায়। সুনানে আবূ দাউদ।
থিম:

يبين الحديث أن السنة بعد أن يصلي الإنسان ركعتي الفجر أن يضطجع على شقه الأيمن حتى تقام الصلاة.
حكمة تخصيص الأيمن لئلا يستغرق في النوم؛ لأنَّ القلب من جهة اليسار، متعلق حينئذ غير مستقر، وإذا نام على اليسار كان في دَعَة واستراحة، فيستغرق.

থিম:

হাদীস শরীফটি স্পষ্ট করে যে, একজন মানুষের জন্য ফজরের দুই রাকা'আত আদায় করার পর সুন্নাত হলো ইকামাতের পূর্ব পর্যন্ত সে যেন তার ডান পার্শ্বে শুয়ে যায়।
ডান কাতকে খাস করার কারণ হলো যাতে ঘুমের মধ্যে মগ্ন না হয়ে যায়। কারণ, অন্তর হলো বাম পাশে। তখন অন্তর ঝুলন্ত থাকে স্থীর থাকে না। যখন সে বাম পাশের ওপর ঘুমাবে তখন তা স্বাধীন ও আরামে থাকবে ফলে ঘুমে অচেতন হয়ে পড়বে। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11258

 
Hadith   79



Esin Hadith ID


11259" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: سأل رجل النبي -صلى الله عليه وسلم- وهو على المنبر، ما ترى في صلاة الليل؟ قال: مثنى مثنى، فإذا خشي الصبح صلى واحدة، فأوترت له ما صلى
থিম:

এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করল, তখন তিনি মিম্বারে ছিলেন- আপনি রাতের সালাত কীভাবে আদায় করতে বলেন? তিনি বললেন, দু'রাক'আত দু'রাক'আত করে আদায় করবে। যখন তোমাদের কারো ভোর হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হয় তখন সে আরো এক রাক'আত আদায় করে নিবে। আর এটি তার পূর্ববর্তী সালাতকে বিতর করে দেবে।
থিম:

عن ابن عمر -رضي الله عنهما- قال: سَأل رَجُل النبي -صلَّى الله عليه وسلم- وهو على المِنْبَر، ما تَرى في صلاة الليل؟ قال: < مَثْنَى مَثْنَى، فإذا خَشْيَ الصُّبح صلَّى واحِدَة، فأَوْتَرت له ما صلَّى   وإنَّه كان يقول: اجْعَلُوا آخِر صَلاَتِكُمْ وتْرَا، فإنَّ النبِيَّ -صلَّى الله عليه وسلَّم- أمَر بِه.
وفي رواية: فقيل لابن عمر: ما مَثْنَى مَثْنَى؟ قال:   أن تُسَلِّم في كل ركعتين>.

থিম:

ইব্নু 'উমার রাদয়িাল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করলেন, তখন তিনি মিম্বারে ছিলেন। আপনি রাতের সলাত কীভাবে আদায় করতে বলেন? তিনি বলেন, দু'রাক'আত দু'রাক'আত করে আদায় করবে। যখন তোমাদের কারো ভোর হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হয় তখন সে আরো এক রাক'আত আদায় করে নিবে। আর এটি তার পূর্ববর্তী সালাতকে বিতির করে দেবে। আর তিনি বলতেন, তোমরা বিতিরকে রাতের শেষ সলাত হিসেবে আদায় কর। কেননা নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশ দিয়েছেন। অপর বর্ণনায় এসেছে, ইবন উমারকে বলা হল : দুই দুই কী? তিনি বললেন: প্রত্যেক দুই রাকাতে সালাম ফিরাবে।
থিম:

معنى الحديث: "سَأل رَجُل النبي -صلى الله عليه وسلم- وهو على المِنْبَر، ما تَرى في صلاة الليل".
أي: ما الحكم الشَّرعي الذي علَّمك الله إياه، عن عدد ركعات صلاة الليل، والفصل فيها، أو الوَصل.
وفي رواية في الصحيحين: (كيف صلاة الليل).
قال: "مَثْنَى مَثْنَى".
أي: اثنين اثنين، وفائدة التَّكرار: المُبالغة في التأكيد.
ومعناه: أن المشروع في صلاة الليل أن يُسلِّم من كل ركعتين، كما فسره ابن عمر -رضي الله عنه-؛ لكن يُستثنى من ذلك صلاة الوتر، فلو أوتر بسبع أو خمس أو ثلاث، فله سردها ثم يسلم في الركعة الأخيرة.   
"فإذا خَشِيَ الصُّبح صلَّى واحدة".
أي: خاف طلوع الفجر بادر بركعة واحدة، أي صلى ركعة بتشهد وسلام.
"فأَوْتَرت له ما صلَّى".
والمعنى: أن الركعة التي أضيفت للشَّفع تُصَيِّر صلاته وترًا.   
"وإنه كان يقول".
أي: أن راوي الحديث، وهو نافع: أخبر أن ابن عمر -رضي الله عنه- كان يقول:
"اجْعَلوا آخر صَلاَتِكُمْ وتْرَا".
وفي رواية مسلم: "اجعلوا آخر صلاتكم بالليل وترا".
والمعنى: اجعلوا آخر تهجدكم بالليل وترا.
ثم بَيَّن ابن عمر -رضي الله عنه- أن قوله: "اجعلوا آخر صلاتكم وترا" أنه من قَبيل المرفوع لا اجتهاد منه -رضي الله عنه-؛ لقوله:
"فإن النبي -صلى الله عليه وسلم- أمَر به".
أي: أمَر؛ بأن نجعل صلاة الوتر ختاما لصلاة الليل، كما أن صلاة المَغرب وِتر صلاة النهار وختامها؛ فكذلك صلاة الوِتر بالنسبة    لقيام الليل.
وفي رواية: فقيل لابن عمر: ما مَثْنَى مَثْنَى؟".
أي: ما معنى قوله -صلى الله عليه وسلم-: "مَثْنَى مَثْنَى؟".
فبَيَّن ابن عمر مُراد النبي -صلى الله عليه وسلم-: بقوله: "أن تُسَلِّم في كل ركعتين".
يعني: تصلِّي ركعتين، ثم تسلِّم، ثم تصلِّي ركعتين، ثم تسلِّم... من غير زيادة عليهما.

থিম:

হাদীসটির অর্থ: এক ব্যক্তি নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে প্রশ্ন করলেন, তখন তিনি মিম্বারে ছিলেন- আপনি রাতের সলাত কীভাবে আদায় করতে বলেন?
অর্থাৎ রাতের সালাতের রাকা'আত সংখ্যা, একত্রে আদায় করা এবং আলাদা আলাদা আদায় করা বিষয়ে আল্লাহ আপনাকে শরী'আতের যে বিধান শিখিয়েছেন তা কি?
সহীহ বুখারী ও মুসলিমের অপর বর্ণনায় বর্ণিত: রাতের সালাত কীভাবে আদায় করব?
তিনি বলেন, দুই দুই।
অর্থাৎ দুই রাকাত দুই রাকাত। আর বেশী গুরুত্ব দেওয়ার জন্যে দ্বিরুক্ত উচ্চারণ করেছেন।
আর তার অর্থ: রাতের সালাতের বিধান হলো, প্রতি দুই রাকা'আত সালাতে সালাম ফিরানো। ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু যেমনটি তাফসীর করেছেন। তবে এ থেকে বিতিরের সালাতকে আদালা করা হবে। যদি কোন ব্যক্তি সাত রাকা'আত বা পাঁচ রাকা'আ বা তিন রাকা'আত বিতির আদায় করে, সে সালাত চালিয়ে যাবে (বিনা বৈঠকে) এবং শেষ রাকা'আতে সালাম ফিরাবে।
যখন তোমাদের কারো ভোর হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হয় তখন সে আরো এক রাক'আত আদায় করে নিবে। অর্থাৎ যখন ফজর উদয় হওয়ার আশঙ্কা করে তাড়াতাড়ি এক রাকা'আত করে নিবে। এক তাশাহুদ এবং এক সালামে এক রাকা'আত পড়বে। আর এটি তার পূর্ববর্তী সালাতকে বিতির করে দেবে। অর্থাৎ যে রাকা'আতকে সে (জোড় সালাতের সঙ্গে) বৃদ্ধি করল, তা তার সালাতকে বেজোড় করে দিবে।
আর তিনি বলতেন, অর্থাৎ, হাদীসের বর্ণনাকারী নাফি' বলেন, ইব্নু 'উমার রাদয়িাল্লাহু আনহু বলতেন, তোমরা বিতিরকে রাতের শেষ সালাত হিসেবে আদায় কর। সহীহ মুসলিমের এক বর্ণনায় বর্ণিত: রাতে তোমাদের শেষ সালাতকে বেজোড় করো। অর্থাৎ রাতে তোমাদের শেষ তাহাজ্জুদকে বেজোড় করো। তারপর ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, তার কথা, তোমরা বিতিরকে রাতের শেষ সালাত হিসেবে আদায় কর। মারফু' হিসেবে বলা। এটি তার পক্ষ থেকে কোন ইজতিহাদ নয়। কারণ, তিনি বলেন, নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ নির্দেশ দিয়েছেন। অর্থাৎ তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যাতে সালাতুল বিতিরকে রাতের সালাতের পরিশিষ্ট করা হয়। যেমনটি মাগরিবের সালাত দিনের বিজোড় সালাত এবং পরিশিষ্ট। অনুরূপভাবে রাতের সালাতের তুলনায় বিতিরের সালাত পরিশিষ্ট। অপর এক বর্ণনায় বর্ণিত: ইবন উমারকে জিজ্ঞাসা করা হলো, দুই রাকা'আত দুই রাকা'আ অর্থ কি? অর্থাৎ রাসূলের বাণী দুই রাকা'আত দুই রাকা'আ অর্থ কি? তখন ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলেন যে, তুমি প্রতি দুই রাকা'আতে সালাম ফিরাবে। অর্থাৎ দুই রাকা'আত আদায় করবে তারপর সালাম ফিরাবে। তারপর দুই রাকা'আত আদায় করবে তারপর সালাম ফিরাবে। দুই রাকা'আতের ওপর বাড়াবে না। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11259

 
Hadith   80



Esin Hadith ID


11260" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: صلاة الليل والنهار مثنى مثنى
থিম:

রাত ও দিনের সালাত দুই রাকা'আত দুই রাকা'আত করে।
থিম:

عن ابن عمر-رضي الله عنهما-، عن النبي -صلى الله عليه وسلم- قال:   صلاة الليل والنَّهار مثْنَى مثْنَى>.
থিম:

আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু <'আনহুমা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, "রাত ও দিনের সালাত দুই রাকা'আত দুই রাকা'আত করে।"
থিম:

هذا الحديث: أصله في الصحيحين: بلفظ:(صلاة الليل مثْنَى مثْنَى) زاد بعض الرواة: (والنَّهار) وهي زيادة ضعيفة، والمعنى: أن من أراد أن يتطوع في الليل أو النَّهار، فليُسَلِّم من كل ركعتين؛ كما جاء مُصرحا به في صحيح مسلم عن ابن عمر-رضي الله عنهما- لما سئل: "ما مثْنَى مثْنَى؟" قال: "أن تُسلِّم في كل ركعتين".
وهذا قول أكثر    العلماء في صلاة الليل أي: لا يجوز التطوع بأكثر من ركعتين في صلاة الليل، إلا ما كان من صلاة الوتر، فله الزيادة لثبوت السُّنة بذلك.
أما صلاة النَّهار فلا بأس بالزيادة على ركعتين والأفضل مثْنَى مثْنَى.

থিম:

হাদীসটির অর্থ: রাত ও দিনের সালাত দুই রাকা'আত দুই রাকা'আত।
এ হাদীসটির মূল বুখারী ও মুসলিমে রয়েছে এভাবে: রাতের সালাত দুই রাকা'আত, দুই রাকা'আত। কোন কোন বর্ণনাকারী বৃদ্ধি করেছেন (এবং দিনের।) আর বৃদ্ধিটি দুর্বল। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি রাতে বা দিনে নফল সালাত আদায় করতে চায়, সে যেন প্রতি দুই রাকা'আতে সালাম ফিরায়। যেমনটি সহীহ মুসলিমে ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমার বর্ণনায় বিষয়টি স্পষ্ট এসেছে। যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো যে, দুই দুই অর্থ কি? তিনি বলেন, প্রত্যেক দুই রাকা'আত পর সালাম ফিরাবে।
রাতের সালাত সম্পর্কে এটি অধিকাংশ আলেমদের মতামত। অর্থাৎ রাতের নফল সালাতে দুই রাকা'আত থেকে অধিক একসাথে আদায় করা বৈধ নয়। তবে বিতিরের সালাত ছাড়া। তা বেশি আদায় করা বৈধ। এ বিষয়ে সুন্নাত প্রমাণিত হওয়ার কারণে। তবে দিনের সালাত দুই রাকা'আতের বেশি আদায় করাতে কোন অসুবিধা নেই। তবে উত্তম হলো দুই রাকা'আত দুই রাকা'আত। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি ইবন মাজাহ বর্ণনা করেছেন। - এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11260

 
Hadith   81



Esin Hadith ID


11261" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: أفضل الصيام، بعد رمضان، شهر الله المحرم، وأفضل الصلاة، بعد الفريضة، صلاة الليل
থিম:

রমযান মাসের সিয়ামের পর সর্বোত্তম সিয়াম হচ্ছে আল্লাহর মাস মুহার্রামের সিয়াম। আর ফরয সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হচ্ছে রাতের (তাহাজ্জুুদের) সালাত।"
থিম:

عن أبي هريرة -رضي الله عنه- قال: قال رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: <أفضل الصِّيام، بعد رمضان، شَهر الله المُحَّرم، وأفضل الصلاة، بعد الفَريضة، صلاة الليل>.
থিম:

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু <'আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "রমযান মাসের সিয়ামের পর সর্বোত্তম সিয়াম হচ্ছে আল্লাহর মাস মুহার্রামের সিয়াম। আর ফরয সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হচ্ছে রাতের (তাহাজ্জুুদের) সালাত।"
থিম:

أن صوم شهر مُحرم، وهو أول شهور السنة الهجرية أفضل الصيام بعد صوم رمضان؛ لأنه أول السَّنة المستأنفة فافتتاحها بالصوم الذي هو ضياء أفضل الأعمال؛ فينبغي للمسلم أن يحرص عليه ولا يَدعه إلا لعُذر.
وقوله: "شَهر الله" هذا مما يدل على تعظيمه ومَزيته على غيره من الشَّهور.
وأن صلاة الليل أفضل التَّطوعات بعد الفريضة؛ لأن الخشوع فيه أوفر لاجتماع القلب والخلو بالرَّب قال تعالى:{ إِنَّ نَاشِئَةَ اللَّيْلِ هِيَ أَشَدُّ وَطْئًا وَأَقْوَمُ قِيلًا}، [ سورة المزمل : 6 ]، ولأن الليل وقت السُّكون والرَّاحة فإذا صُرف إلى العِبادة كانت على النَّفْس أشد وأشق وللبدن أتَعب وأنْصَب فكانت أدخل في معنى التكليف وأفضل عند الله.

থিম:

হিজরী সালের মাসসমূহের প্রথম মাস মুহাররাম। রমাযান মাসের সাওমের পর সর্ব উত্তম সাওম হলো এ মাসের সাওম। কারণ, এটি বছরের শুরু মাস। তাই বছরকে সাওম যা কেবলই রশ্মি দ্বারা শুরু করা হবে উত্তম আমল। সব মুসলিমের জন্য উচিত হলো তার প্রতি আগ্রোহী হওয়া এবং কোন রকম ওজর ছাড়া তা না ছাড়া।
আর তার বাণী: "আল্লাহর মাস" কথাটি অন্যান্য মাসের ওপর এ মাসের সম্মান ও বিশেষ বৈশিষ্ট্যকে প্রমাণ করে। আর রাতের সালাত ফরয সালাত সমূহের পর উত্তম সালাত। কারণ, অন্তরের একাগ্রতা ও রবের সাথে একাকী হওয়ার কারণেএ সময় খুশূ অধিক হয়ে থাকে। আল্লাহ তা'আলা বলেন, "এ ছাড়াও রাত হলো আরাম আয়েশ করা সময়। এ সময়টিকে যখন ইবাদাতে নিয়োজিত করা হয়, তখন তা তার আত্মার ওপর কঠিন ও কষ্টকর হয় এবং দেহের জন্য কষ্টদায়ক এবং পরিশ্রম হয়,ফলে তা ইবাদাতের অর্থে গ্রহণযোগ্য এবং আল্লাহর নিকট সর্ব উত্তম। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11261

 
Hadith   82



Esin Hadith ID


11262" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: الوتر حق، فمن شاء أوتر بسبع، ومن شاء أوتر بخمس، ومن شاء أوتر بثلاث، ومن شاء أوتر بواحدة
থিম:

বিতরের সালাত প্রমাণিত (ওয়াজিব)। অতএব, যে ইচ্ছা করবে সে সাত রাক'আত দ্বারা বিতর আদায় করবে, আর যে ইচ্ছা করবে সে পাঁচ রাক'আত দ্বারা বিতর আদায় করবে, আর যে ইচ্ছা করবে সে তিন রাক'আত দ্বারা বিতর আদায় করবে, আর যে ইচ্ছা করবে সে এক রাক'আত দ্বারা বিতর আদায় করবে।
থিম:

عن أبي أيوب الأنصاري -رضي الله عنه- أن النبي -صلى الله عليه وسلم- قال:   الوِتر حَق، فمن شاء أوْتَر بِسبْعٍ، ومن شاء أوْتَر بخمس، ومن شاء أوْتَر بثلاث، ومن شاء أوْتَر بواحدة>.
থিম:

আবূ আইয়ূব আল-আনসারী রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "বিতরের সালাত প্রমাণিত (ওয়াজিব)।


অতএব, যে ইচ্ছা করবে সে সাত রাক'আত দ্বারা বিতর আদায় করবে, আর যে ইচ্ছা করবে সে পাঁচ রাক'আত দ্বারা বিতর আদায় করবে, আর যে ইচ্ছা করবে সে তিন রাক'আত দ্বারা বিতর আদায় করবে, আর যে ইচ্ছা করবে সে এক রাক'আত দ্বারা বিতর আদায় করবে।"

থিম:

معنى الحديث: "الوِتر حَقٌّ" الحَقُّ: يأتي بمعنى الثُّبوت، أي: ثابت في السُّنة، وفيه نوع تأكيد، ويأتي بمعنى الوجوب، والمراد به هنا الأول: تأكد مشروعيته؛ لورود الأدلة الصريحة الدَّالة على عدم وجوبه.   
منها : ما رواه الشيخان من حديث طلحة بن عبيد الله قال جاء رجل إلى رسول الله -صلى الله عليه وسلم- من أهل نَجد الحديث، وفيه فقال رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: (خمس صلوات في اليوم والليلة) قال: "هل عليَّ غيرها" قال: (لا إلا أن تطوع) فلو كان واجبا لذَكره مع الصلوات الخمس.
ومنها: قوله -صلى الله عليه وسلم-: (خمس صلوات كَتبهن الله على العِباد، فمن جاء بِهن لم يُضَيِّع مِنهن شيئا؛ اسْتِخْفَافَا بحقهن، كان له عند الله عهد أن يُدخله الجَنَّة..).
ومن الأدلة على عدم وجوبه: ما رواه الشيخان من حديث بن عباس -رضي الله عنه- أن النبي -صلى الله عليه وسلم-: "بعث معاذا إلى اليمن الحديث" وفيه: "فأعلمهم أن الله افترض عليهم خمس صلوات في اليوم والليلة"
وهذا من أحْسَن ما يُستدل به؛ لأن بَعْث معاذ كان قبل وفاته -صلى الله عليه وسلم- بيسير.
ومن الأدلة أيضا عن علي -رضي الله عنه-: (الوِتر ليس بِحتم..).
وعلى هذا يكون المُراد، بقوله: "حَقٌّ" زيادة في تأكيده وفضيلته، وأنه سُنة مؤكدة وذلك حَق.
"فمن شاء أوْتَر بِسبْعٍ، ومن شاء أوْتَر بخمس".
يعني: يصلي ركعتين ركعتين، ثم يوتر بواحدة، وهذا هو الأصل؛ لقوله -صلى الله عليه وسلم-: (صلاة الليل مثْنَى مثْنَى) متفق عليه.
ويحتمل أن يَسردها سَردا ولا يجلس إلا في الركعة الأخيرة، وهذا جائز، وقد جاء من فعله -صلى الله عليه وسلم- كما في مسند الإمام أحمد من حديث أمِّ سلمة -رضي الله عنها- قالت: "يوتر بِسبع وبِخمس لا يَفصل بينهن بسلام ولا بكلام".
وفي أبي داود من حديث عائشة -رضي الله عنها- :" ويوتر بخمس، لا يقعد بينهن إلا في آخِرهن".
"ومن شاء أوْتَر بثلاث".
يعني: يصلي ركعتين ثم يُسلم، ثم يصلي ركعة واحدة؛ لقوله -صلى الله عليه وسلم-: (صلاة الليل مثْنَى مثْنَى)، متفق عليه.
ويحتمل أن يكون المراد: سَردها، أي: يصلي ثلاثا سردًا لا يجلس إلا في الركعة الأخيرة، وقد ثبت ذلك عن النبي -صلى الله عليه وسلم- من حديث أبي بن كعب قال: "كان رسول الله -صلى الله عليه وسلم- يقرأ في الوتر بسبح اسم ربك الأعلى، وفي الركعة الثانية بقل يا أيها الكافرون، وفي الثالثة بقل هو الله أحد، ولا يُسلِّم إلا في آخِرهن". رواه النسائي.
وعن عائشة -رضي الله عنها- أن النبي -صلى الله عليه وسلم-: "كان لا يُسلم في ركعتي الوتر" رواه النسائي.   
قال الشيخ ابن عثيمين -رحمه الله-: "يجوز الوتر بثلاث، ويجوز بخمس، ويجوز بسبع، ويجوز بتسع، فإن أوتر بثلاث فله صفتان كلتاهما مشروعة:
الصفة الأولى: أن يسرد الثلاث بتشهد واحد.
الصفة الثانية: أن يسلم من ركعتين، ثم يوتر بواحدة".
والأفضل أن يُسلم من كل ركعتين، ثم يصلي واحدة توتر له ما قد صلى؛ لأن فيه زيادة عمل، وهو الأكثر من فعله -صلى الله عليه وسلم-.
"ومن شاء أوْتَر بواحدة".
يعني: ركعة مفردة لا يتقدمها شَفع.

থিম:

হাদীসের অর্থ: নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী, "বিতরের সালাত হক।" হক শব্দটি সাব্যস্ত অর্থে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ এ সালাতটি হাদীস দ্বারা সাব্যস্ত। এতে রয়েছে এ সালাতের প্রতি এক প্রকার গুরুত্ব। আবার হক শব্দটি ওয়াজিব অর্থেও ব্যবহৃত হয়। তবে এখানে হক শব্দটি দ্বারা প্রথমোক্ত অর্থ (অর্থাৎ সুন্নাহ দ্বারা সাব্যস্তই) উদ্দেশ্য (অর্থাৎ) : বিতর খুব গুরুত্বপূর্ণ, (তবে ওয়াজিব নয়), কারণ বিতরের সালাত ওয়াজিব না হওয়ার ব্যাপারে স্পষ্ট দলিল প্রমাণ রয়েছে।
যেমন: বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত, তালহা ইবন 'উবাইদুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন আহলে নাজদের একলোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আগমন করল। পূর্ণ হাদীস। তাতে রয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, (দিনেরাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবে)। তখন লোকটি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, এগুলো ছাড়া কি আমার ওপর অন্য কোন সালাত রয়েছে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, না। (তবে তুমি যদি নফল সালাত আদায় করতে চাও)। সুতরাং বিতরের সালাত যদি ওয়াজিব হতো তাহলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের সাথে এ সালাতের কথাও উল্লেখ করতেন।
আরেকটি দলিল যেমন নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী, (আল্লাহ তা'আলা বান্দাদের ওপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। যে ব্যক্তি এ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবে এবং এগুলোর মধ্যে কোন সালাত হালকা জ্ঞানে ছেড়ে দিবে না তার জন্য আল্লাহর ওয়াদা হলো তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন)।
বিতরের সালাত ওয়াজিব না হওয়ার আরেকটি দলিল হলো বুখারী ও মুসলিমে ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত হাদীস, নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম মু'আয ইবন জাবালকে ইয়ামেনের গভর্নর হিসেবে প্রেরণ করেন। এতে রয়েছে, "তুমি তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, আল্লাহ তাদের ওপর দিনেরাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন।" এ হাদীসটি বিতরের সালাত ওয়াজিব না হওয়ার সর্বোত্তম দলিল। কেননা নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মৃত্যুর কিছুদিন পূর্বে মু'আযকে ইয়ামেনে প্রেরণ করেছিলেন।
আরেকটি দলিল হলো আলী রাদিয়াল্লাহু <'আনহুর বাণী, তিনি বলেছেন, (বিতরের সালাত অত্যাবশ্যকীয় নয়।)
উপরোক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, হাদীসে বর্ণিত হক শব্দ দ্বারা বিতরের সালাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বুঝানো হয়েছে এবং এ সালাত সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ।
"সুতরাং যে ইচ্ছা করবে সে সাত রাক'আত দ্বারা বিতর আদায় করবে, আর যে ইচ্ছা করবে সে পাঁচ রাকা'আত দ্বারা বিতর আদায় করবে।"
অর্থাৎ দু'রাক'আত দু'রাক'আত করে সালাত আদায় করা শেষ হলে এক রাক'আত দ্বারা বিতর করবে। এ পদ্ধতিতে বিতর করা উত্তম। কেননা নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "রাতের সালাত দু'রাক'আত দু'রাক'আত করে।" মুত্তাফাকুন আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।
আবার এটিও হতে পারে যে, একত্রে সব (তিন বা পাঁচ বা সাত) রাকা'আত আদায় করে শুধু শেষ রাকা'আতে বসা। এ পদ্ধতিও জায়েয। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বয়ং এভাবে করেছেন। যেমন মুসনাদে আহমদে উম্মে সালামাহ রাদিয়াল্লাহু 'আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাত ও পাঁচ রাক'আত দ্বারা বিতর করতেন, এর মাঝে সালাম বা কথাবার্তা বলে রাক'আত আলাদা করতেন না।"
আবূ দাউদে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু <'আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঁচ রাক'আত দ্বারা বিতর করতেন, আখেরী বৈঠক ব্যতীত মাঝখানে তিনি বসতেন না।"
"আর যে ইচ্ছা করে তিন রাক'আত দ্বারা বেজোড় করবে।"
অর্থাৎ দু'রাক'আত পড়ে সালাম ফিরাবে, অত:পর এক রাক'আত আদায় করবে। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "রাতের সালাত দু'রাক'আত দু'রাক'আত করে।" মুত্তাফাকুন আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।
অথবা এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তিন রাক'আত একত্রে পড়া; শেষ বৈঠক ব্যতীত কোন রাক'আতে না বসা। এ পদ্ধতিও নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সাব্যস্ত রয়েছে। উবাই ইবন কা'ব রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতরের সালাতের প্রথম রাক'আতে সাব্বি হিসমা রাব্বিকাল আ'লা (সূরা আল-আ'লা), দ্বিতীয় রাক'আতে কুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরূন (সূরা কাফিরূন) এবং তৃতীয় রাক'আতে কুল হুআল্লাহু আহাদ (সূরা ইখলাস) পাঠ করতেন। শেষ রাক'আত ব্যতীত এর মধ্যখানে সালাত ফিরাতেন না। বর্ণনায় নাসায়ী। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু <'আনহা থেকে বর্ণিত, "নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতরের দু'রাক'আতে সালাম ফিরাতেন না।" বর্ণনায় নাসায়ী।
শাইখ 'উসাইমীন রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, বিতরের সালাত তিন, পাঁচ, সাত এবং নয় রাক'আত পর্যন্ত পড়া জায়েয। যদি কেউ তিন রাক'আত দ্বারা বিতর করে তবে শরী'আতে এর দু'টি পদ্ধতি রয়েছে। দু'টিই বৈধ:
প্রথম পদ্ধতি হলো, একই তাশাহহুদে একসাথে তিন রাক'আত আদায় করা (অর্থাৎ সালাম না ফিরিয়ে একত্রে তিন রাক'আত আদায় করা)।
দ্বিতীয় পদ্ধতি হলো, দু'রাক'আত পড়ে সালাম ফিরাবে, অত:পর এক রাক'আত আলাদা আদায় করবে।
তবে উত্তম হলো প্রত্যেক দুই দু'রাক'আত পড়ে সালাম ফিরাবে। অত:পর এক রাকা'আত পড়বে, তাহলে সেটি তার পূর্বের সালাতকে বিতর করে দিবে। কেননা এতে রয়েছে অধিক কাজ। তাছাড়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ পদ্ধতিতে বেশি বিতর সালাত আদায় করেছেন।
"আর কেউ ইচ্ছা করলে এক রাক'আত দ্বারা বিতর করে দিবে।"
অর্থাৎ এর পূর্বে কোনো জোড় সংখ্যক সালাত আদায় না করে শুধু এক রাক'আত আদায় করে বিতর করবে।
দেখুন, শরহুল মিশকাত, তীবী, 4/1224; নাইলুল আওতার, 3/39; মির'আতুল মাফাতীহ, 4/274; সুবুলুস সালাম, 2/342; তাওদীহুল আহকাম, 2/398; তাসহীহুল ইলমাম, 2/370; আশ-শারহুল মুমতি'   4/14   । Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি ইবন মাজাহ বর্ণনা করেছেন। - এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11262

 
Hadith   83



Esin Hadith ID


11263" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: الوتر ليس بحتم كهيئة الصلاة المكتوبة، ولكن سنة سنها رسول الله -صلى الله عليه وسلم-
থিম:

ফরয সালাতসমূহের মতো বিতিরের সালাত আবশ্যক নয়। তবে সুন্নাত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা সুন্নাত করেছেন।
থিম:

عن علي -رضي الله عنه- قال:   الوِتر ليس بِحَتْمٍ كَهَيْئَةِ الصلاة المَكتوبة، ولكن سُنَّة سَنَّها رسول الله -صلى الله عليه وسلم->.
থিম:

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: "ফরয সালাতসমূহের মতো বিতিরের সালাত আবশ্যক নয়। তবে সুন্নাত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা সুন্নাত করেছেন"।
থিম:

معنى الحديث: صلاة الوتر ليس بواجبة، كالصلوات الخَمس، ولكن سُنَّة سَنَّها رسول الله -صلى الله عليه وسلم-، أي: أن النبي -صلى الله عليه وسلم- سَنَّ لنا الوِتر ولم يُوجبه علينا، وهذا تأكيد لقوله: "ليس بِحَتم"، فالوتر صلاة مستحبة ومندوبة فقط.
থিম:

"বিতির আত্যাবশ্যক নয়" এ হাদীসটির অর্থ হলো:
বিতিরের সালাত ওয়াজিব নয়।
অন্যান্য ফরয সালাতের মতো।
অর্থাৎ পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের মতো।
তবে সুন্নাত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা সুন্নাত করেছেন।
এটি অত্যাবশ্যক নয় কথার তাকীদ। সুতরাং বিতিবেরর সালাত মুস্তাহাব ও নফল।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা সুন্নাত করেছেন। অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের জন্য বিতির সুন্নাত করেছেন আমাদের ওপর ওয়াজিব করেননি। তাসহীলুল ইলমাম (২/৩৭১) Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি ইবন মাজাহ বর্ণনা করেছেন। - এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11263

 
Hadith   84



Esin Hadith ID


11264" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: صلى بنا رسول الله -صلى الله عليه وسلم- في رمضان ثمان ركعات والوتر، فلما كان من القابلة اجتمعنا في المسجد ورجونا أن يخرج إلينا، فلم نزل في المسجد حتى أصبحنا
থিম:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানে বিতির ও আট রাকা'আত পড়তেন। তারপর যখন পরবর্তী রাত আসলো আমরা মসজিদে একত্র হলাম এবং আশা করছিলাম যে, তিনি আমাদের মাঝে বের হয়ে আসবেন। আমরা সকাল পর্যন্ত মসজিদে অবস্থান করলাম।
থিম:

عن جابر بن عبد الله -رضي الله عنهما- قال: صلَّى بِنَا رسول الله -صلى الله عليه وسلم- في رمضان ثَمَان رَكَعَات والوِتر، فلمَّا كان من القَابِلَة اجْتَمَعْنَا في المسجد ورَجَونا أن يَخْرُجَ إِلَينَا، فلم نَزَلْ في المسجد حتى أصْبَحْنَا، فدَخَلْنَا على رسول الله -صلى الله عليه وسلم-، فقلنا له: يا رسول الله، رَجَوْنَا أن تَخْرُجَ إِلَينَا فَتُصَلِّي بِنَا، فقال:   كَرِهت أن يُكْتَب عليكُم الوِتر>.
থিম:

জাবের ইবন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, রমযানে আমাদের নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতির ও আট রাকা'আত পড়লেন। তারপর যখন পরবর্তী রাত আসলো আমরা মসজিদে একত্র হলাম এবং আশা করছিলাম যে, তিনি আমাদের মাঝে বের হয়ে আসবেন। আমরা সকাল পর্যন্ত মসজিদে অবস্থান করলাম। তারপর আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রবেশ করলাম এবং তাকে আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল আমরা আশা করছিলাম আপনি আমাদের মাঝে বের হবেন আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করবেন। তখন তিনি বলেলেন, আমি তোমাদের ওপর বিতির ফরয করাকে অপছন্দ করলাম।
থিম:

معنى الحديث: "صلَّى بِنَا رسول الله -صلى الله عليه وسلم- في رمضان ثَمَان ركعات والوِتر".
يعني: صلَّى النبي -صلى الله عليه وسلم- بأصحابه في المسجد ثمان ركعات والوِتر، وكان ذلك في رمضان.
"فلما كان من القَابِلة" أي: في الليلة التي بعدها.
"اجْتَمَعْنَا في المسجد" أي: حضر الصحابة -رضي الله عنهم- ظَنَّا منهم أن النبي -صلى الله عليه وسلم- سيخرج ويصلي بهم كالليلة التي قبلها، ولهذا قالوا: "ورَجَونا أن يخرج إلينَا" أي: ليصلِّي بهم صلاة الليل.
"فلم نَزَلْ في المسجد حتى أصْبَحْنَا" يعني: أنهم انتظروه في المسجد، حتى طلع عليهم الصُّبح.
"فدَخلنَا على رسول الله -صلى الله عليه وسلم-" أي: أتوا النبي -صلى الله عليه وسلم-؛ ليسألوا عن سبب عدم حضوره للصلاة بهم.
"فقلنا له: يا رسول الله، رَجَوْنَا أن تخرج إلينَا فتصلِّي بِنَا" أي: تَمنينا وتأملنا خروجك؛ لتُصلي بِنَا، كما في الليلة الماضية.
"فقال: كَرِهت أن يُكتب عليكم الوِتر"، علَّل النَّبي -صلى الله عليه وسلم- عدم خروجه إليهم بأنه كَرِه أن يُكتب عليهم الوِتر، وفي رواية: "خَشيت أن تُفرض عليكم"، وفي لفظ : "خَشيت أن تفرض عليكم صلاة الليل" فهذا هو السبب الذي جعل النبي -صلى الله عليه وسلم- يمتنع من الخروج إليهم، وهذا من رحمته بأمَّته وشفقَتِه عليهم -صلى الله عليه وسلم-، وقد وصفه الله بقوله: {لَقَدْ جَاءَكُمْ رَسُولٌ مِنْ أَنْفُسِكُمْ عَزِيزٌ عَلَيْهِ مَا عَنِتُّمْ حَرِيصٌ عَلَيْكُمْ بِالْمُؤْمِنِينَ رَءُوفٌ رَحِيمٌ} [التوبة: 128].
وأصل هذا الحديث في الصحيحين من حديث عائشة -رضي الله عنها-: أن رسول الله -صلى الله عليه وسلم- خرج ذات ليلة من جَوف الليل، فصلَّى في المسجد، فصلَّى رجال بصلاته، فأصبح الناس، فتحدَّثُوا، فاجتمع أكثر منهم، فصلَّوا معه، فأصبح الناس، فتحدَّثُوا، فَكثُر أهل المسجد من الليلة الثالثة، فخرج رسول الله -صلى الله عليه وسلم-، فصلُّوا بصلاته، فلما كانت الليلة الرابعة عَجَز المسجد عن أهله حتى خرج لصلاة الصُّبح، فلما قضى الفجر أقبل على الناس، فتشهد، ثم قال:   أما بعد، فإنه لم يَخْفَ عليَّ مكانَكم، لكني خَشِيت أن تُفرض عليكم، فتَعْجَزوا عنها>.

থিম:

হাদীসটির অর্থ: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানে আমাদের নিয়ে বিতির ও আট রাকা'আত সালাত পড়লেন।
অর্থাৎ, মসজিদে তার সাথীদের নিয়ে রমযান মাসে বিতির ও আট রাকা'আত সালাত আদায় করেছেন। "তারপর যখন পরবর্তী পালা আসলো" অর্থাৎ পরবর্তী রাত।
"আমরা মসজিদে একত্র হলাম"। অর্থাৎ, সাহাবীগণ উপস্থিত হলো তারা ধারণা করেছিল যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হবেন এবং পূর্বের রাতের মতো তাদের নিয়ে সালাত আদায় করবেন। এ কারণে তারা বলল, আমরা আশা করছিলাম যে, তিনি আমাদের মাঝে বের হয়ে আসবেন। অর্থাৎ যাতে তিনি তাদের নিয়ে রাতের সালাত আদায় করেন।
"আমরা সকাল পর্যন্ত মসজিদে অবস্থান করলাম"। অর্থাৎ তারা তার অপেক্ষায় ছিলেন এমনকি তাদের ওপর ফজর উদয় হয়ে পড়ল।
"তারপর আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রবেশ করলাম"। অর্থাৎ তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট গেলেন তাদের নিয়ে সালাত আদায় করার জন্য বের না হওয়ার কারণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে।
"ফলে তাকে আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আশা করছিলাম আপনি আমাদের মাঝে বের হবেন আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করবেন"। অর্থাৎ আমরা আপনার বের হওয়ার আকাঙ্খা ও আশা করছিলাম। যাতে পূর্বের রাতের মতো আপনি আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করেন।
তখন তিনি বলেলেন, আমি তোমাদের ওপর বিতির ফরয করাকে অপছন্দ করলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিকট বের না হওয়ার কারণ বর্ণনা করলেন যে, তিনি তাদের ওপর বিতিরের সালাতকে ফরয করা অপছন্দ করলেন। অপর বর্ণনায় বর্ণিত: আমি আশঙ্কা করছিলাম যে, তা তোমাদের ওপর ফরয হয়ে যেতে পারে। অপর শব্দে: আমি ভয় করছিলাম যে, তোমাদের ওপর রাতের সালাত ফরয করে দেয়া হতে পারে। এটিই ছিল কারণ, যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাদের নিকট বের হতে বারণ করেছে। এটি উম্মাতের প্রতি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রহমত ও দয়া। আল্লাহ তা'আলা তার গুণাগুণ করে বলেন, "নিশ্চয় তোমাদের নিজদের মধ্য থেকে তোমাদের নিকট একজন রাসূল এসেছেন, তা তার জন্য কষ্টদায়ক যা তোমাদেরকে পীড়া দেয়। তিনি তোমাদের কল্যাণকামী, মুমিনদের প্রতি স্নেহশীল, পরম দয়ালু।" [আত-তাওবাহ : ১২৮ ]
এ হাদীসের মূল বক্তব্য সহীহ বুখারী ও মুসলিমে আয়েশা রাদিয়াল্লাহ আনহা থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক রাতের মধ্যভাগে বের হলেন এবং মাসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করলেন। তাঁর সঙ্গে সহাবীগণও সলাত আদায় করলেন, সকালে তাঁরা এ নিয়ে আলোচনা করলেন। ফলে (দ্বিতীয় রাতে) এর চেয়ে অধিক সংখ্যক সাহাবা একত্রিত হলেন এবং তাঁর সঙ্গে সলাত আদায় করলেন। পরের দিন সকালেও তাঁরা এ সম্পর্কে আলোচনা করলেন। ফলে তৃতীয় রাতে মাসজিদে লোকসংখ্যা অত্যধিক বৃদ্ধি পেল। আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলেন এবং সহাবীগণ তাঁর সঙ্গে সলাত আদায় করলেন। চতুর্থ রাতে মাসজিদে মুসল্লীগণের স্থান সংকুলান হচ্ছিল না। অবশেষে তিনি ফজরের সলাতের জন্য বের হলেন এবং ফজরের সলাত শেষ করে লোকদের দিকে ফিরলেন। অতঃপর আল্লাহর হামদ ও সানা বর্ণনা করলেন। অতঃপর বললেন, আম্মা বা'দ (তারপর বক্তব্য এই যে) এখানে তোমাদের উপস্থিতি আমার নিকট গোপন ছিল না, কিন্তু তা তোমাদের ওপর ফরয করে দেয়াকে আমি আশঙ্কা করেছি, তখন তোমরা তা আদায় করতে অপারগ হয়ে পড়বে। Esin Hadith Grade English


[হাসান]    ← →   

[ইবন খুযাইমাহ এটি বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11264

 
Hadith   85



Esin Hadith ID


11266" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: إن الله عز وجل زادكم صلاة، فصلوها فيما بين صلاة العشاء إلى صلاة الصبح، الوتر الوتر
থিম:

নিশ্চয় মহান আল্লাহ তোমাদেরকে ইশা ও ফজরের সালাতের মধ্যবর্তী সময়ে একটি অতিরিক্ত সালাত দান করেছেন, আর তা হলো বিতর, তা হলো বিতর।
থিম:

عن أبي تَمِيم الجَيْشَانِيِّ قال: سمعت عمرو بن العَاص يقول: أخبرني رَجُل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم يقول: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال:   إن الله عز وجل زَادَكُمْ صلاة فصلُّوها فيما بَيْن صلاة العِشَاء إلى صلاة الصُّبح، الوِتر الوِتر>، أَلَا وإنَّه أبو بَصْرَة الغِفَاري، قال أبو تَميم: فكنت أنا وأبو ذَرٍ قاعِدَين، قال: فأخذ بِيَدِي أبو ذَرٍّ فانطلقنا إلى أبي بَصْرة فوجدناه عند الباب الذي يَلِي دار عَمرو بن العاص، فقال أبو ذَرٍّ: يا أبا بَصْرَة آنت سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول:   إن الله عز وجل زَادَكُمْ صلاة، فصلُّوها فيما بَيْن صلاة العشاء إلى صلاة الصُّبح الوِتر الوِتر؟   قال: نعم، قال: أنْتَ سَمِعْتَه؟ قال: نعم، قال: أنت سمعته؟ قال: نعم.
থিম:

আবূ তামীম আল-জাইশানী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি 'আমর ইবন 'আসকে বলতে শুনেছি, আমাকে নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লামের একজন সাহাবী সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "নিশ্চয় মহান আল্লাহ তোমাদেরকে ইশা ও ফজরের সালাতের মধ্যবর্তী সময়ে একটি অতিরিক্ত সালাত দান করেছেন, আর তা হলো বিতর, বিতর।" আর বর্ণনাকারী সাহাবী হলেন আবূ বাসরাহ আল-গিফারী। আবূ তামীম বলেন, আমি ও আবূ যার বসা ছিলাম। তিনি বলেন, অতপর আবূ যার আমার হাত ধরলেন এবং আমরা আবূ বাসরাহর কাছে চললাম। তাকে আমরা তার বাড়ির দরজায় পেলাম যা 'আমর ইবন 'আস এর বাড়ির পাশে ছিলো। অতপর আবূ যার জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি কি নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: "নিশ্চয় মহান আল্লাহ তোমাদেরকে ইশা ও ফজরের সালাতের মধ্যবর্তী সময়ে একটি অতিরিক্ত সালাত দান করেছেন, আর তা হলো বিতর, বিতর।" তিনি বললেন, হ্যাঁ। আবূ যার আবার জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি এ হাদীসটি শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি হাদীসটি শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ।
থিম:

"إن الله عز وجل زَادَكُمْ صلاة" المعنى: أن الله -تعالى- زادهم صلاة لم يكونوا يصلونها من قَبْل على تلك الهيئة والصورة، وهي: الوتر، وهذا وارد على سبيل الامتنان، كأنه قال: إن الله فَرض عليكم الصلوات الخَمس ليؤجركم بها ويثيبكم عليها، ولم يَكتف بذلك، فشرع لكم التهجد والوتر؛ ليزيدكم إحسانا على إحسان، "فصلُّوها" وهذا أمر، والأصل في الأمر الوجوب، لكن هذا الحديث وغيره من الأحاديث التي ظاهرها وجوب صلاة الوتر؛ قد صُرفت بالأدلة الصريحة الصحيحة.
ثم جاء تحديد وقت صلاة الوتر الزماني: "فيما بَيْن صلاة العشاء إلى صلاة الصُّبح" يعني: أن وقت صلاة الوتر يدخل بعد الفَراغ من صلاة العشاء، فإذا صلَّى العشاء دخل وقت صلاة الوتر، ولو جَمعها مع المَغرب جمع تقديم، وأمَّا آخر وقتها فطلوع الفجر، فإذا طلع الفجر خرج وقت صلاة الوتر، وإن كان فيها أتمها.
ثم قال عمرو بن العاص رضي    الله عنه: "ألا وإنه أبو بَصْرَة الغِفَاري" أن الذي أخبر عمرو بن العاص هو: أبو بَصْرَة الغِفَاري رضي الله عنه.
" قال أبو تَميم: فكنت أنا وأبو ذَرٍ قاعِدَين، قال: فأخذ بِيَدِي أبو ذَرٍّ فانطلقنا إلى أبي بَصْرة، فوجدناه عند الباب الذي يَلِي دار عَمرو بن العاص" يعني: أنه بعد أن بَلغهما الخَبر عن رسول الله -صلى الله عليه وسلم- أرادا التأكد من صحته، فذهبا إلى أبي بَصْرَة -رضي الله عنه-، فلما وصلا إلى أبي بصرة -رضي الله عنه- سأله أبو ذر عن صحت ما نقله عن النبي -صلى الله عليه وسلم- "قال: نعم، قال: أنت سَمعته؟ قال: نعم، قال: أنت سمعته؟ قال: نعم"، فأكَّد لهما أنَّ ما نُقِل عن النبي -صلى الله عليه وسلم-: "إن الله زادكم صلاة.." صحيح.

থিম:

হাদীসের অর্থ:
"নিশ্চয় মহান আল্লাহ তোমাদেরকে একটি অতিরিক্ত সালাত দান করেছেন।" অর্থাৎ আল্লাহ তা'আলা তাদেরকে একটি সালাত দান করেছেন যে সালাতটি তারা ইতোপূর্বে এ নিয়ম ও পদ্ধতিতে পড়েনি। আর তা হলো বিতর। এটি বান্দার উপর অনুগ্রহ হিসেবে আরোপিত হয়েছে। তিনি যেন বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন যাতে তিনি তোমাদেরকে তার বিনিময়ে প্রতিদান ও সাওয়াব দিতে পারেন। তিনি শুধু এসব ফরয সালাত দান করেই তার নি'আমত সীমাবদ্ধ করেন নি; বরং তিনি তোমাদের জন্য তাহাজ্জুদের সালাত ও বিতরের সালাত শরী'আতে বিধিবদ্ধ করেছেন যাতে তিনি তোমাদেরকে ইহসানের উপর আরো ইহসান করতে পারেন। "সুতরাং তোমরা সে সালাত আদায় করো" এটি একটি (আমর) আদেশ। আর আমর তথা নির্দেশের নীতি হলো কাজটি ওয়াজিব হওয়া। কিন্তু এ হাদীসটি ও অন্যান্য হাদীসের বাহ্যিক অর্থ থেকে যদিও বিতরের সালাত ওয়াজিব সাব্যস্ত হয়; তবে অন্যান্য স্পষ্ট সহীহ দলিলের কারণে ওয়াজিব সাব্যস্ত হওয়া থেকে সরে আসা হয়েছে (অর্থাৎ নফল সাব্যস্ত হয়েছে)।
অতপর বিতরের সালাতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। "ইশার সালাত ও ফজরের সালাতের মধ্যবর্তী সময়" অর্থাৎ বিতর সালাতের ওয়াক্ত শুরু হয় ইশা সালাত আদায় শেষে। যখন ইশার সালাত আদায় করবে তখন বিতরের সালাতের সময় প্রবেশ করবে। যদিও মাগরিবের সালাতের সাথে ইশার সালাতকে (বৈধ কারণবশত) ওয়াক্তের পূর্বেই একত্রিত আদায় করে। আর বিতরের শেষ সময় হলো ফজর উদিত হওয়া পর্যন্ত। ফজর উদিত হলে বিতরের সময় শেষ হয়ে যায়। যদি সে উক্ত সময়ের মধ্যে (বিতর) আদায় করে তাহলে সে তা পূর্ণই করল।
অতপর 'আমর ইবন 'আস রাদিয়াল্লাহু <'আনহু বলেন, "নিশ্চয় বর্ণনাকারী হলেন আবূ বাসরাহ।" অর্থাৎ যিনি 'আমর ইবন 'আসকে সংবাদ দিয়েছেন তিনি হলেন আবূ বাসরাহ আল-গিফারী রাদিয়াল্লাহু <'আনহু।
"আবূ তামীম বলেন, আমি ও আবূ যার বসা ছিলাম। তিনি বলেন, অতপর আবূ যার আমার হাত ধরলেন এবং আমরা আবূ বাসরাহর কাছে চললাম। তাকে আমরা তার বাড়ির দরজায় পেলাম যা 'আমর ইবন 'আস এর বাড়ির পাশে ছিলো।" অর্থাৎ আমর ইবনুল আস তাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস পৌঁছার পরে তিনি এর বিশুদ্ধতার ব্যাপারে আরো নিশ্চিত হতে চাইলেন। ফলে তারা উভয়ে আবূ বাসরাহ রাদিয়াল্লাহু <'আনহুর কাছে গেলেন। তারা আবূ বাসরাহ রাদিয়াল্লাহু <'আনহুর কাছে পৌঁছলে আবূ যার তাকে নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত উক্ত হাদীসের বিশুদ্ধতা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বললেন, হ্যাঁ। আবূ যার তাকে আবার জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি হাদীসটি শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি পুনরায় তাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি হাদীসটি শুনেছেন? তিনি পুনরায় বললেন, হ্যাঁ। তিনি তাদেরকে নিশ্চয়তা দিয়ে বললেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু <'আলাইহি ওয়াসাল্লামের থেকে বর্ণিত হাদীসখানা "নিশ্চয় মহান আল্লাহ তোমাদেরকে একটি অতিরিক্ত সালাত দান করেছেন" সহীহ। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11266

 
Hadith   86



Esin Hadith ID


11269" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: كان النبي -صلى الله عليه وسلم- يصلي من الليل ثلاث عشرة ركعة منها الوتر، وركعتا الفجر
থিম:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলা তের রাক'আত সলাত আদায় করতেন, যার ভিতর আছে বিতির এবং ফজরের দু' রাক'আত (সুন্নাত)।
থিম:

عن عائشة -رضي الله عنها-، قالت:   كان النبي -صلى الله عليه وسلم- يصلي من الليل ثلاث عشرة ركعة منها الوِتر، وركعتا الفجر>.
থিম:

'আয়িশাহ্ রাদয়িাল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলা তের রাক'আত সলাত আদায় করতেন, যার ভিতর আছে বিতির এবং ফজরের দু' রাক'আত (সুন্নাত)।
থিম:

تخبر عائشة -رضي الله عنها- أن النبي -صلى الله عليه وسلم- كان يداوم على صلاة ثلاث عشرة ركعة في الليل ومنها الوتر سواء أكان ذلك في رمضان أو غيره، وكذلك كان يداوم على ركعتي الفجر، والمراد بالمداومة الإكثار، لما ورد من أنه -صلّى الله عليه وسلّم- إذا دخل العشر الأواخر من رمضان يجتهد فيه ما لا يجتهد في غيره، فهو محمول على التطويل في الركعات دون الزيادة في العدد، وقد كان -صلّى الله عليه وسلّم- يصلي ثلاث عشرة، ويصلي إحدى عشرة، وجاء أنه يصلي أقل من ذلك.
থিম:

আয়েশা রাদিয়াল্লাহ আনহা সংবাদ দেন যে, রমযান ও রমযানের বাহিরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলা সব সময় তের রাক'আত সলাত আদায় করতেন। বিতিরি এ তের রাকা'আতের মধ্যেই ছিল। অনুরূপভাবে তিনি ফজরের দুই রাকা'আত সালাত সব সময় আদায় করতেন। এখানে সবসময় দ্বারা উদ্দেশ্য অধিকাংশ সময়। কারণ, হাদীসে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানের শেষ দশকে এত বেশি ইবাদত করতেন যা অন্য সময় করতেন না। এটি রাকা'আত লম্বা ও দীর্ঘ করার ওপর প্রযোজ্য। রাকা'আত সংখ্যা বাড়ানো নয়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো কখনো তের রাকা'আত সালাত আদায় করতেন আবার কখনো এগারো রাকা'আত আদায় করতেন। আর বর্ণনায় এসেছে যে, তিনি কখনো এর চেয়ে কমও আদায় করতেন। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11269

 
Hadith   87



Esin Hadith ID


11270" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: يا عبد الله، لا تكن مثل فلان كان يقوم الليل، فترك قيام الليل
থিম:

আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস রাদিয়াল্লাহু <'আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, "হে আব্দুল্লাহ! তুমি অমুক লোকের মতো হয়ো না, যে রাতে নফল সালাত পড়ত, অতঃপর তা ছেড়ে দিয়েছে।
থিম:

عن عبد الله بن عمرو بن العاص -رضي الله عنهما- قال: قال لي رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: <يا عبد الله، لا تكن مثل فلان كان يقوم الليل، فترك قيام الليل>.
থিম:

আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস রাদিয়াল্লাহু <'আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, "হে আব্দুল্লাহ! তুমি অমুক লোকের মতো হয়ো না, যে রাতে নফল সালাত পড়ত, অতঃপর তা ছেড়ে দিয়েছে।"
থিম:

حذر النبي -صلى الله عليه وسلم- عبد الله بن عمرو أن يترك صلاة الليل كما فعل فلان من الناس، ولم يُذكر اسمه ستراً عليه.
وينبغي للمسلم أن يحذر من التشدد في العبادة وتكليفه النفس ما لا تطيق من الطاعات، ومن فَعَلَ ذلك غلبه الدِّين لكثرة الأعمال والطاعات، فيكون آخر أمره العجز والانقطاع؛ لأن الله تعالى أوجب على عباده وظائف من الطاعات في وقت دون وقت، تيسيراً ورحمة، ولأن الإنسان إذا أخذ بالقصد دام عمله، وتمكن من أداء الحقوق كلها، حقِّ الله تعالى، وحقِّ النفس، وحقِّ الأهل والأصحاب برفق وسهولة، وقد قال النبي -صلّى الله عليه وسلّم-: <إن أحب الأعمال إلى الله أدومها وإن قل>، فينبغي للإنسان أن يكون له ورد بالليل قدر استطاعته.

থিম:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আব্দুল্লাহ ইবন আমরকে অমুক ব্যক্তির মতো রাতের সালাত আদায় করা ছেড়ে দেওয়া থেকে সতর্ক করেন। অমুকের দোষকে গোপন রাখার স্বার্থে তার নাম তিনি উল্লেখ করেননি।
একজন মুসলিমের জন্য উচিত হলো, ইবাদাতে বাড়াবাড়ি না করা এবং নফসের ওপর সাধ্যের বাহিরে ইবাদত না চাপানো। যে ব্যক্তি এমন করবে আমল ও ইবদাতের আধিক্যের তার ওপর দীন প্রাধান্য পাবে। তবে তার শেষ পরিণতি হবে অক্ষমতা এবং বিরত থাকা। কারণ, সহজের জন্য এবং রহমত স্বরূপ আল্লাহ তার বান্দাদের ওপর কতক ইবাদত ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ওয়াজিব করেছেন। এ ছাড়াও যখন কোন মানুষ মধ্যপন্থা অবলম্বন করে তার আমল স্থায়ী হয় এবং তাতে সবার হক অর্থাৎ, আল্লাহর হক, আত্মার হক এবং পরিবার ও সাথীদের হক সহজ ও সাবলীলভাবে আদায় করতে সক্ষম হয়। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর নিকট প্রিয় আমল হলো স্থায়ী আমল যদিও তা কম হয়। (৮০৪) সুতরাং মানুষের জন্য উচিত হলো তার সাধ্য অনুযায়ী রাতে জাগ্রত থাকা। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11270

 
Hadith   88



Esin Hadith ID


11271" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: يا أهل القرآن، أوتروا؛ فإن الله وتر، يحب الوتر
থিম:

আলী রাদিয়াল্লাহু <'আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে কুরআনের ধারকগণ! তোমরা বিতির পড়। নিশ্চয় আল্লাহ বিতর (বিজোড়) তিনি বিতরকে (বিজোড়কে) ভালবাসেন। সুনানে আবূ দাউদ
থিম:

عن علي بن أبي طالب -رضي الله عنه- قال: قال رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: <يا أهل القرآن، أوتروا؛ فإن الله وتر، يحب الوتر>.
থিম:

আলী রাদিয়াল্লাহু <'আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "হে কুরআনের ধারকগণ! তোমরা বিতির পড়। নিশ্চয় আল্লাহ বিতর (বিজোড়) তিনি বিতরকে (বিজোড়কে) ভালবাসেন।"
থিম:

في الحديث الشريف أمر لأهل القرآن الذين هم أهل الله وخاصته بأن يصلوا صلاة الوتر، وذلك لأن الله واحد فرد في ذاته وصفاته وأفعاله يحب الوتر سبحانه.
المراد بأهل القرآن: المؤمنون عامة، من قرأ ومن لم يقرأ، وإن كان من قرأ أولى بالخطاب لحفظه إياه، وقال الخطابي: المراد بهم: القراء والحفاظ، وخصوا بالذكر، لمزيد شرفهم والاهتمام بهم، فينبغي أن يكون لأهل القرآن عناية بالوتر، وإن كان مطلوباً من الجميع، لكن لأهل القرآن مزية على غيرهم؛ لأنهم قدوة، ولأن عندهم من العلم ما يدعوهم إلى المسارعة إلى فعل الطاعات والقربات ما ليس عند غيرهم، فيكون الأمر في حقهم آكد.

থিম:

হাদীস শরীফটিতে আল্লাহর পরিবার ও বিশেষ লোক ভুক্ত আহলে কুরআনকে আদেশ করা হয়েছে যে, তারা যেন বিতিরের সালাত আদায় করে। কারণ, আল্লাহ তার সত্ত্বা, সিফাত ও কর্মসমূহে এক ও একলা। তিনি বেজোড়কে পছন্দ করেন।
আহলে কুরআন দ্বারা উদ্দেশ্য সমগ্র মু'মিন; যারা কুরআন পড়েছে ও যারা পড়েনি সবাই। যদিও যে পড়েছে সে তার কুরআন মুখস্থের কারণে এ সম্বোধনের বেশী উপযুক্ত। খাত্তাবী বলেছেন, তাদের দ্বারা উদ্দেশ্য কারী ও হাফেযগণ। তাদের মর্যাদা ও তাদের প্রতি গুরুত্বারোপ করে বিশেষভাবে তাদের উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং আহলে কুরআনদের উচিত হলো বিতিরের প্রতি বিশেষ যত্নবান হওয়া, যদিও তা সবার কাছ থেকেই কাম্য। কিন্তু অন্যদের ওপর কুরআন ওয়ালাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কারণ, তারা হলো অনুকরণীয়। এ ছাড়াও তাদের কাছে রয়েছে ইলম যা তাদেরকে ইবাদত ও নৈকট্যপূর্ণ কাজের দিকে আহ্বান করে যা অন্যদের কাছে নাই। সুতরাং তাদের ক্ষেত্রে আদেশটি অন্যদের তুলনায় অধিক গুরুত্বপূর্ণ। মিনহাতুল আল্লাম। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি ইবন মাজাহ বর্ণনা করেছেন। - এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11271

 
Hadith   89



Esin Hadith ID


11272" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: لا وتران في ليلة
থিম:

এক রাতে দুইবার বিতির নাই।
থিম:

عن قيس بن طلق، قال: زارنا طلْق بن علي في يوم من رمضان، وأَمْسى عندنا، وأفطر، ثم قام بنا الليلة، وأَوْتَرَ بنا، ثم انحدر إلى مسجده، فصلى بأصحابه، حتى إذا بقي الوتر قَدَّمَ رجلا، فقال: أَوْتِرْ بأصحابك، فإني سمعت النبي -صلى الله عليه وسلم- يقول:   لا وِتْرَانِ في ليلة>.
থিম:

কায়েস ইবন তলক বলেন: রমযানের কোন একদিন তালাক ইবন আলী আমাদের দেখতে আসেন এবং আমাদের নিকট সন্ধ্যা উদযাপন করেন এবং ইফতার করেন। অতঃপর রাতে তিনি আমাদের সাথে কিয়ামুল লাইল করেন এবং আমাদের সাথে বিতির আদায় করেন। তারপর সে তার মসজিদে গিয়ে তার সাথীদের নিয়ে সালাত আদায় করেন। তারপর যখন বিতির সালাত বাকী রইল তখন তিনি এক লোককে সামনে বাড়ালেন এবং বললেন, তুমি তোমার সাথীদের বিতির পড়াও। কারণ, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, এক রাতে দুইবার বিতির নাই।
থিম:

يبين لنا الصحابي الجليل طلق بن علي -رضي الله عنه- في الحديث الشريف من فعله بأنه أوتر أول الليل بأهله، ثم صلى بقومه ولم يوتر بل قدم غيره في الوتر؛ وذلك لأنه سمع نهياً من النبي -صلى الله عليه وسلم- بأن يوتر الإنسان مرتين في ليلة واحدة.
থিম:

হাদীস শরীফটিতে বিশিষ্ট সাহাবী তালাক ইবন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু তার নিজের আমল সম্পর্কে আলোচনা করেন যে, তিনি প্রথম রাতে তার পরিবারের সাথে বিতির পড়েন। তারপর তিনি তার সম্প্রদায়ের লোকদের সাথে সালাত আদায় করেন। কিন্তু বিতির পড়েননি। বরং অপর একজনকে সামনে পাঠান। কারণ, তিনি রাসূলুল্লাহর কাছ থেকে এক রাতে দুইবার বিতির পড়া সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা শুনেছেন। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11272

 
Hadith   90



Esin Hadith ID


11275" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: أوتروا قبل أن تصبحوا
থিম:

তোমরা ভোর করার পূর্বে ভিতিরের সালাত আদায় কর।
থিম:

عن أبي سعيد الخدري -رضي الله عنه- أن النبي -صلى الله عليه وسلم- قال:   أَوْتِرُوا قبل أن تُصبحِوُا>.
থিম:

আবূ সা'ঈদ আল খুদরী-রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা ভোর করার পূর্বে ভিতিরের সালাত আদায় কর।
থিম:

الوتر من صلاة الليل، وهو الذي يختم به قيام الليل؛ كما تختم صلاة النهار بصلاة المغرب؛ لتوترها، فيبين الحديث الشريف أن وقت الوتر يكون قبل أن يصبح الإنسان أي قبل طلوع الفجر الثاني.
থিম:

ভিতির হলো রাতের সালাত। এ সালাত দ্বারাই রাতের সালাতের সমাপ্তি করা হয়ে থাকে। যেমন দিনের সালাত মাগরিবের সালাত দ্বারা শেষ করা হয়ে থাকে। হাদীস শরীফটি ভিতিরের সালাতের ওয়াক্তকে স্পষ্ট করে যে, ভিতিরের সালাতের ওয়াক্ত হলো দ্বিতীয় ফাজর উদয় হওয়ার পূর্বে। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11275

 
Hadith   91



Esin Hadith ID


11276" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: من أدركه الصبح ولم يوتر، فلا وتر له
থিম:

আবূ সাঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "যে ব্যক্তি সকাল অতিবাহিত করল অথচ বিতির আদায় করেনি তার কোন বিতির নাই।" সহীহ ইবন খুজাইমাহ।
থিম:

عن أبي سعيد الخدري -رضي الله عنه- أن رسول الله -صلى الله عليه وسلم- قال:   من أدركه الصبح ولم يوتر؛ فلا وتر له>.
থিম:

আবূ সাঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "যে ব্যক্তি সকাল অতিবাহিত করল অথচ বিতির আদায় করেনি তার কোন বিতির নাই।"
থিম:

يبين الحديث الشريف أن صلاة الوتر تفوت بالإصباح أي بطلوع الفجر الثاني، وهذا الوقت الاختياري، أما الاضطراري كمن استيقظ متأخرا فيستمر وقت الفجر له إلى صلاة الصبح؛ لوروده عن جمع من الصحابة -رضي الله عنهم-.
থিম:

হাদীস শরীফটি বর্ণনা করে যে, দ্বিতীয় ফজর উদয়ের দ্বারা বিতিরের সালাতের ওয়াক্ত শেষ হয়ে যায়। এটি ইচ্ছাধীন সময়। আর বাধ্যতামুলক হলো, যেমন একজন দেরিতে ঘুম থেকে উঠেছে তার জন্য ফজরের ওয়াক্ত (অর্থাৎ বিতির সালাত) ফজরের সালাত পর্যন্ত দীর্ঘ হবে। সাহাবীদের একটি জামা'আত থেকে বিষয়টি বর্ণিত হওয়ার কারণে। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[ইবন হিব্বান এটি বর্ণনা করেছেন। - ইবন খুযাইমাহ এটি বর্ণনা করেছেন। - এটি হাকিম বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11276

 
Hadith   92



Esin Hadith ID


11277" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: من نام عن وتره، أو نسيه، فليصله إذا ذكره
থিম:

যে ব্যক্তি ঘুমানোর কারণে বিতর সালাত আদায় করতে পারেনি অথবা তা আদায় করতে ভুলে যায়, পরে স্মরণ হওয়া মাত্রই যেন তা আদায় করে নেয়।
থিম:

عن أبي سعيد الخدري -رضي الله عنه- مرفوعًا:   من نام عن وتره، أو نسيه، فَلْيُصَلِّه إذا ذكره>.
থিম:

আবূ সাঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে মারফু' হিসেবে বর্ণিত, "যে ব্যক্তি ঘুমানোর কারণে বিতর সালাত আদায় করতে পারেনি অথবা তা আদায় করতে ভুলে যায়, পরে স্মরণ হওয়া মাত্রই যেন তা আদায় করে নেয়।"
থিম:

من نام عن وتره حتى أصبح، أو نسيه فإنه يصليه بعد طلوع الفجر، أداءً لا قضاءً، فيبين الحديث الشريف جواز صلاة الوتر ولو بعد طلوع الفجر الثاني لمن نسيه أو نام عنه؛ لأنه معذور شرعاً.
থিম:

যে ব্যক্তি বিতর সালাত আদায় না করেই ঘুমিয়ে পড়ে এমন কি সকাল হয়ে যায় অথবা তা আদায় করতে ভুলে যায়, তবে সূর্যোদয়ের পর সে যেন তা আদায় হিসেবে পড়ে নেয়; কাযা হিসেবে নয়। উপরোক্ত হাদীস শরীফে সূর্যোদয়ের পরে বিতর সালাত আদায় করা জায়েয সাব্যস্ত হয়েছে তাদের জন্য যারা তা আদায় করতে ভুলে গেছে কিংবা আদায় না করে ঘুমে পড়েছিলো। কেননা সে ব্যক্তি শরী'আতসম্মত ওযরগ্রস্ত। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি ইবন মাজাহ বর্ণনা করেছেন। - এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11277

 
Hadith   93



Esin Hadith ID


11278" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: من خاف أن لا يقوم من آخر الليل فليوتر أوله، ومن طمع أن يقوم آخره فليوتر آخر الليل, فإن صلاة آخر الليل مشهودة، وذلك أفضل
থিম:

যে ব্যক্তি শেষ রাতে জাগ্রত না হওয়ার আশঙ্কা করে সে যেন প্রথম রাতে বিতির পড়ে নেয়, আর যে ব্যক্তি শেষ রাতে জাগার আশা করে সে যেন শেষ রাতে বিতির পড়ে নেয়। কারণ, শেষ রাতের সালাতের সময় ফিরিশতাদের উপস্থিত হয়। আর তা অবশ্যই উত্তম।
থিম:

عن جابر-رضي الله عنه- قال: قال رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: <من خاف أن لا يقوم من آخِرِ الليل فليوتر أوله، ومن طَمِعَ أن يقوم آخره فليوتر آخر الليل, فإن صلاة آخر الليل مشهودة، وذلك أفضل>.
থিম:

জাবির ইবন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি শেষ রাতে জাগ্রত না হওয়ার আশঙ্কা করে সে যেন প্রথম রাতে বিতির পড়ে নেয়, আর যে ব্যক্তি শেষ রাতে জাগার আশা করে সে যেন শেষ রাতে বিতির পড়ে নেয়। কারণ, শেষ রাতের সালাতের সময় ফিরিশতাদের উপস্থিত হয়। আর তা অবশ্যই উত্তম।
থিম:

يبين الحديث جواز صلاة الوتر في أول الليل، ويكون الجواز أولى في حق من خشي ألا يقوم آخر الليل، كما بين أفضلية صلاته في آخر الليل وذلك لكونها مشهودة من الملائكة.
থিম:

হাদীসটি বিতিরের সালাত প্রথম রাতে পড়ার বৈধতাকে স্পষ্ট করে। তবে যে ব্যক্তি শেষ রাতে জাগ্রত না হওয়াার আশঙ্কা করে তার ক্ষেত্রে প্রথম রাতে আদায় করা অধিক বৈধ। যেমনটি শেষ রাতে সালাত আদায় করা উত্তম হওয়া স্পষ্ট করা হলো, কারণ তা ফিরিশতাগণের উপস্থিতির সময়। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11278

 
Hadith   94



Esin Hadith ID


11283" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: صلاة الأوابين حين ترمض الفصال
থিম:

যায়দ ইবন আরকাম রাদিয়াল্লাহু <'আনহু কর্তৃক বর্ণিত, একদা তিনি একদল লোককে পূর্বাহ্নের (চাশতের) সালাত পড়তে দেখলেন। তিনি বললেন, 'যদি ওরা জানত যে, নামায এ সময় ছাড়া অন্য সময়ে পড়া উত্তম। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "আওয়াবীন (আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী)দের নামায যখন উঁটের বাচ্চার পা বালিতে গরম অনুভব করে।"
থিম:

عن زَيد بن أرْقَم -رضي الله عنه-: أنه رأى قوما يصلُّون من الضُّحى، فقال: أمَا لقد عَلِموا أن الصلاة في غير هذه السَّاعة أفضل، إن رسول الله -صلى الله عليه وسلم-، قال:   صلاة الأَوَّابِين حين تَرْمَضُ الفِصَال>.
থিম:

যায়দ ইবন আরকাম কর্তৃক বর্ণিত, একদা তিনি দেখলেন একদল লোক পূর্বাহ্নের (চাশতের) সালাত পড়ছে। তিনি বললেন, 'যদি ওরা জানত যে, সালাত এ সময় ছাড়া অন্য সময়ে পড়া উত্তম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "আওয়াবীন (আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী)দের সালাত হচ্ছে যখন উঁটের বাচ্চার পা বালিতে গরম অনুভব করে তখন।"
থিম:

رأى زيد بن أرقم -رضي الله عنه- بعض الناس يصلِّي الضُّحى, فذكر أنه سمع رسول الله -صلى الله عليه وسلم-يقول: صلاة الأوابين حين تَرْمضُ الفِصَال, أي أن أفضل وقت لصلاة الضحى هو عند شدة ارتفاع الشمس, حين تحترق خفاف صغار الإبل من شِدِّة حَرِّ الشمس على الأرض, فهذا هو الوقت الذي يصلي فيه المطيعون لله تعالى كثيرو الرجوع إليه صلاة الضحى.
থিম:

যায়দ ইবন আরকাম রাদিয়াল্লাহু <'আনহু দেখলেন, একদল লোক পূর্বাহ্নের (চাশতের) সালাত পড়ছে। তখন তিনি উল্লেখ করলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন, "যখন উঁটের বাচ্চার পা বালিতে গরম অনুভব করে তখন হচ্ছে আওয়াবীন (আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী)দের সালাত। অর্থাৎ পূর্বাহ্নের (চাশতের) সালাতের উত্তম সময় হচ্ছে সূর্য কঠিনভাবে ওপরে উঠার সময়। যখন যমীনে সূর্যের গরম বেশি পড়ার কারণে উটের বাচ্চার পা পুড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। এটিই সে ওয়াক্ত যাতে আল্লাহর অনুগত ও তার প্রতি অধিক প্রত্যাবর্তনকারী বান্দাগণ পূর্বাহ্নের (চাশতের) সালাত আদায় করেন। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11283

 
Hadith   95



Esin Hadith ID


11286" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: تفضل صلاة الجميع صلاة أحدكم وحده، بخمس وعشرين جزءا، وتجتمع ملائكة الليل وملائكة النهار في صلاة الفجر
থিম:

জামা'আতের সালাত তোমাদের কারো একাকী সালাত হতে পঁচিশ গুণ অধিক সওয়াব রাখে। আর ফাজরের সালাতে রাতের ও দিনের মালাকগণ একত্রিত হয়।
থিম:

عن أبي هريرة -رضي الله عنه- قال: سمعت رسول الله -صلى الله عليه وسلم- يقول:   تفضل صلاة الجميع صلاة أحدكم وحده، بخمس وعشرين جزءا، وتجتمع ملائكة الليل وملائكة النهار في صلاة الفجر   ثم يقول أبو هريرة: فاقرءوا إن شئتم: ﴿إن قرآن الفجر كان مشهودا﴾ [الإسراء: 78].
থিম:

আবূ হুরাইরাহ্ রাদয়িাল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, জামা'আতের সালাত তোমাদের কারো একাকী সালাত হতে পঁচিশ গুণ অধিক সওয়াব রাখে। আর ফাজরের সালাতে রাতের ও দিনের মালাকগণ একত্রিত হয়। অতঃপর আবূ হুরাইরাহ্ বলেন, তোমরা চাইলে (এর প্রমাণ স্বরূপ)' পাঠ করো: {إِنَّ قُرْآنَ الْفَجْرِ كَانَ مَشْهُودًا} অর্থাৎ "ফাজরের কুরআন (মালাকগণের) উপস্থিতির সময়"। (আল-ইসরা : ৭৮)
থিম:

بين الحديث أن صلاة الرَّجُل في جماعة تفضل عن صلاته وحده، بِخمس وعشرين صلاة يصليها وحده, ثم ذكر أن ملائكة الليل والنهار يجتمعون في صلاة الفجر،    ثم يقول أبو هريرة مستشهدًا لذلك: فاقرءوا إن شئتم: ﴿إن قرآن الفجر كان مشهودا﴾، [الإسراء: 78] "أي: أن صلاة الفجر تشهدها ملائكة الليل وملائكة النَّهار, وسميت قرآنا، لمشروعية إطالة القرآن فيها أطول من غيرها، ولفضل القراءة فيها حيث شهدها الله -تعالى- وملائكة الليل وملائكة النَّهار.
থিম:

হাদীসটি স্পষ্ট করে যে, জামা'আতের সাথে ব্যক্তির সালাত তার পঁচিশটি সালাত হতে যা সে একাকী আদায় করে অধিক সওয়াব রাখে। তারপর তিনি আরও উল্লেখ করেন,ফাজরের সলাতে রাতের ও দিনের মালাকগণ একত্রিত হয়। অতঃপর আবূ হুরাইরাহ্ তার দলীল হিসেবে বলেন, তোমরা চাইলে (এর প্রমাণ স্বরূপ)' পাঠ করো: {إِنَّ قُرْآنَ الْفَجْرِ كَانَ مَشْهُودًا} অর্থাৎ "ফাজরের কুরআন (সালাত) (মালাকগণের) উপস্থিতির সময়"। আল-ইসরা: ৭৮) অর্থাৎ ফাজরের সালাতে রাতের ফিরিশতা ও দিনের ফিরিশতা একত্রিত হয়। আর এ সালাতকে কুরআন বলে নাম রাখার কারণ হলো, অন্য সালাতের তুলনায় এ সালাতে কুরআন অধিক পড়া হয়ে থাকে। আর তাতে কুরআন তিলাওয়াতের কারণে আল্লাহ তাআলা এবং রাত ও দিনের মালাকগণ উপস্থিত হোন। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11286

 
Hadith   96



Esin Hadith ID


11287" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: أتى النبي -صلى الله عليه وسلم- رجل أعمى، فقال: يا رسول الله، إنه ليس لي قائد يقودني إلى المسجد، فسأل رسول الله -صلى الله عليه وسلم- أن يرخص له فيصلي في بيته، فرخص له، فلما ولى دعاه، فقال: هل تسمع النداء بالصلاة؟ قال: نعم، قال: فأجب
থিম:

এক অন্ধ লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে নিবেদন করল, 'হে আল্লাহর রাসূল! আমার কোন রাহবার নেই, যে আমাকে মসজিদ পর্যন্ত নিয়ে যাবে।' সুতরাং সে নিজ বাড়িতে সালাত পড়ার জন্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট অনুমতি চাইল। তিনি তাকে অনুমতি দিলেন। কিন্তু যখন সে পিঠ ঘুরিয়ে রওনা দিল, তখন তিনি তাকে ডেকে বললেন, ''তুমি কি আযান শুনতে পাও?'' সে বলল, 'জী হ্যাঁ।' তিনি বললেন, ''তাহলে তুমি সাড়া দাও।'' [অর্থাৎ মসজিদেই এসে সালাত পড়।]
থিম:

عن أبي هريرة، قال: أتَى النبي -صلى الله عليه وسلم- رجُلٌ أعْمَى، فقال: يا رسول الله، إنه ليس لي قائد يَقُودُني إلى المسجد، فَسَأل رسول الله -صلى الله عليه وسلم- أن يُرَخِّص له فيصلِّي في بَيْتِه، فرَخَّص له، فلمَّا ولىَّ دَعَاه، فقال:   هل تسمع النِّداء بالصلاة؟   قال: نعم، قال:   فأجِب>.
থিম:

আবূ হুরায়রাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক অন্ধ লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে নিবেদন করল, 'হে আল্লাহর রাসূল! আমার কোন রাহবার নেই, যে আমাকে মসজিদ পর্যন্ত নিয়ে যাবে।' সুতরাং সে নিজ বাড়িতে সালাত পড়ার জন্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট অনুমতি চাইল। তিনি তাকে অনুমতি দিলেন। কিন্তু যখন সে পিঠ ঘুরিয়ে রওনা দিল, তখন তিনি তাকে ডেকে বললেন, ''তুমি কি আযান শুনতে পাও?'' সে বলল, 'জী হ্যাঁ।' তিনি বললেন, ''তাহলে তুমি সাড়া দাও।'' [অর্থাৎ মসজিদেই এসে সালাত পড়।]
থিম:

أتَى رجُلٌ أعْمَى إلى النبي -صلى الله عليه وسلم-, فقال يا رسول الله إنني رجل أعمى ليس عندي من يساعدني ويأخذ بيدي إلى المسجد، في الصلوات الخمس, يريد أن يرخص له النبي -صلى الله عليه وسلم- في ترك الجماعة فرخص له, فلما أدبر ناداه وقال: هل تسمع الأذان بالصلاة؟ قال: نعم. قال: فأجب المُنادي بالصلاة.

Esin Hadith Text Arabic


একজন অন্ধ লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে নিবেদন করল, 'হে আল্লাহর রাসূল! আমি একজন অন্ধ মানুষ। আমার এমন কোন সাহায্যকারী নেই যে আমার হাত ধরবে এবং আমাকে পাঁচ ওয়াক্ত সালাতে মসজিদ পর্যন্ত নিয়ে যাবে।' সে জামা'আত ছেড়ে দেওয়ার অনুমতি চাইল। তিনি তাকে অনুমতি দিলেন। কিন্তু যখন সে পিঠ ঘুরিয়ে রওনা দিল, তখন তিনি তাকে ডেকে বললেন, ''তুমি কি আযান শুনতে পাও?'' সে বলল, 'জী হ্যাঁ।' তিনি বললেন, ''তাহলে তুমি সালাতের জন্য আহ্বানকারী আহ্বানে সাড়া দাও। Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11287

 
Hadith   97



Esin Hadith ID


11288" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: من سمع النداء فلم يأته فلا صلاة له إلا من عذر
থিম:

যে ব্যক্তি আযান শুনলো এবং তার কোন ওযর না থাকা সত্ত্বওে জামাআতে উপস্থতি হলো না, তার সালাত নাই।
থিম:

عن ابن عباس -رضي الله عنهما- عن النبي -صلى الله عليه وسلم- قال:   من سمِع النِّدَاء فلم يَأتِه؛ فلا صلاة له إلا من عُذْر>.
থিম:

ইবনু 'আব্বাস রাদয়িাল্লাহু <'আনহুমা নাবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন "যে ব্যক্তি আযান শুনলো এবং তার কোন ওযর না থাকা সত্ত্বওে জামাআতে উপস্থতি হলো না, তার সালাত নাই"।
থিম:

يدعو هذا الحديث إلى العناية بصلاة الجماعة والاهتمام بها غاية الاهتمام، فقد بيّن النبي -صلى الله عليه وسلم- أن من كان بمكان بحيث يسمع الأذان لصلاة الجماعة، فإنَّه يجب عليه الحضور، فإن لم يحضر فصلاته صلاة ناقصة، قليلة الثواب، إلاَّ أنَّها مجزئة للذمة، مع الإثم الذي حمله المتخلف عن الجماعة بلا عذر، وأما من كان تخلفه بعُذر شرعي، كمرض أو مطر أو خوف على نفس أو مال أو ولد وما أشبه ذلك، فلا شيء عليه.
থিম:

এ হাদীসটি জামা'আতে সালাতের প্রতি সবোর্চ্চ গুরুত্ব দেওয়া ও যত্ন নেওয়ার প্রতি দাওয়াত দেয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি এমন যায়গায় উপস্থিত থাকে যেখানে জামাতে সালাতের আযান শোনা যায়, তার জন্য জামাতে উপস্থিত হওয়া ওয়াজিব। যদি উপস্থিত না হয় তবে তার সালাত অসম্পন্ন এবং কম সাওয়াব। তবে কোন প্রকার অপারগতা ছাড়া জামাত থেকে বিরত থাকা গুনাহের সাথে তা তার দায়িত্ব থেকে অব্যহতির জন্য যথেষ্ট হবে। আর যে ব্যক্তি শর'ঈ অপারগতা যেমন, অসুস্থতা, বৃষ্টি, জান-মাল অথবা সন্তান ইত্যাদির ওপর ভয়ের কারণে জামাত থেকে বিরত থাকে তাতে কোন গুনাহ নেই। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি ইবন মাজাহ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11288

 
Hadith   98



Esin Hadith ID


11289" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: لا تفعلوا، إذا صلى أحدكم في رحله ثم أدرك الإمام ولم يصل، فليصل معه فإنها له نافلة
থিম:

এমন করবে না, যখন তোমাদের কেউ তার ঘরে সালাত আদায় করে তারপর সে ইমামকে পেল যে, সে এখনো সালাত আদায় করেনি, তাহলে সে যেন তার সাথে পূণরায় সালাত আদায় করে। কারণ, তা তার জন্য নফল হবে।
থিম:

عن جابر بن يزيد بن الأسود، عن أبيه، أنه صلى مع رسول الله -صلى الله عليه وسلم- وهو غلام شاب، فلمَّا صلَّى إذا رجلان لم يُصَلِّيا في ناحية المسجد، فدعا بهما فجيء بهما تَرْعُد فَرائِصُهما، فقال:   ما منعكما أن تُصَلِّيا معنا؟   قالا: قد صلَّينا في رِحالنا، فقال:   لا تفعلوا، إذا صلَّى أحدكم في رَحْله ثم أدرك الإمام ولم يُصَلِّ، فليُصلِّ معه فإنها له نافلة>.
থিম:

জাবের ইবন ইয়াযীদ আল আসওয়াদ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি রাসূলুল্লাহর সাথে সালাত আদায় করেন যখন তিনি একজন কিশোর। যখন তিনি সালাত আদায় করলেন, তখন দুইজন লোককে মসজিদের কোণায় দেখলেন তারা সালাত আদায় করেনি। তিনি তাদের দুইজনকে ডেকে পাঠালে তাদেরকে তার কাছে নিয়ে আসা হলো যে অবস্থায় তাদের বুক কাঁপছে। তিনি বললেন, আমাদের সাথে সালাত আদায় করতে কিসে তোমাদের নিষেধ করেছে? তারা বলল, আমরা আমাদের ঘরে সালাত আদায় করেছি। তখন তিনি বললেন, এমন করবে না, যখন তোমাদের কেউ তার ঘরে সালাত আদায় করে তারপর সে ইমামকে পেল যে, সে এখনো সালাত আদায় করেনি, তাহলে সে যেন তার সাথে পূণরায় সালাত আদায় করে। কারণ, তা তার জন্য নফল হবে।
থিম:

يحكي يزيد بن الأسود أنه صلى مع رسول الله -صلى الله عليه وسلم- وهو شاب، فلمَّا انتهى النبي -صلى الله عليه وسلم- من صلاته وجد رجلين لم يُصَلِّيا في جانب من جوانب المسجد، فأمر النبي -صلى الله عليه وسلم- أصحابه أن يحضروهما، فجاؤوا بهما وهما يرتعدان ويضطربان من الخوف، فقال لهما النبي -صلى الله عليه وسلم-: لماذا لم تُصَلِّيا معنا؟ قالا: قد صَلَّينا في منازلنا، فقال: لا تفعلا ذلك مرة ثانية، إذا صلَّى أحدكم في منزله، ثم أدرك الإمام وهو يصلي، فليُصلِّ معه؛ فإنها له زيادة في الأجر، وتكون الأولى فريضة، والثانية نافلة.
থিম:

ইয়াযিদ ইবনু আসওয়াদ বর্ণনা করেন, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সালাত আদায় করেন যে, অবস্থায় তিনি যুবক। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত শেষ করলে দুইজন লোককে মসজিদের এক পাশে পেলেন তারা সালাত আদায় করেনি। তাদের দুইজনকে উপস্থিত করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের নির্দেশ দিলেন। তাদের দুইজনকে নিয়ে আসা হলো যে অবস্থায় তারা দুইজন ভয়ে সন্ত্রস্ত ও কাঁপছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের দুইজনকে জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা দুইজন কেন আমাদের সাথে সালাত আদায় করলে না। তারা বলল, আমরা আমাদের ঘরে সালাত আদায় করেছি। তখন তাদের তিনি বললেন, দ্বিতীয়বার তোমরা এমন করবে না। যখন তোমাদের কেউ তার ঘরে সালাত আদায় করে তারপর সে ইমামকে সালাত আদায় অবস্থায় পেল, সে যেন তার সাথে আবার সালাত আদায় করে। কারণ, এটি তার জন্য অতিরিক্ত সাওয়াব। প্রথমবার পড়াটি হবে ফরয আর দ্বিতীয়বার পড়াটি তার জন্য নফল হবে। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন। - এটি দারিমী বর্ণনা করেছেন] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11289

 
Hadith   99



Esin Hadith ID


11292" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: صلوا أيها الناس في بيوتكم؛ فإن أفضل صلاة المرء في بيته إلا الصلاة المكتوبة
থিম:

হে লোকেরা! তোমরা তোমাদের ঘরে সলাত আদায় কর। কেননা, ব্যক্তির উত্তম সালাত হচ্ছে তার ঘরের সালাত তবে ফরয সালাত ব্যতীত।
থিম:

عن زيد بن ثابت -رضي الله عنه- أَنَّ النَّبِيَّ -صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ- اتَّخَذَ حُجْرَةً فِي المَسْجِدِ مِنْ حَصِيرٍ، فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ -صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ- فِيهَا لَيَالِيَ حَتَّى اجْتَمَعَ إِلَيْهِ نَاسٌ، ثُمَّ فَقَدُوا صَوْتَهُ لَيْلَةً، فَظَنُّوا أَنَّهُ قَدْ نَامَ، فَجَعَلَ بَعْضُهُمْ يَتَنَحْنَحُ؛ لِيَخْرُجَ إِلَيْهِمْ، فَقَالَ:   مَا زَالَ بِكُمُ الَّذِي رَأَيْتُ مِنْ صَنِيعِكُمْ، حَتَّى خَشِيتُ أَنْ يُكْتَبَ عَلَيْكُمْ، وَلَوْ كُتِبَ عَلَيْكُمْ مَا قُمْتُمْ بِهِ، فَصَلُّوا أَيُّهَا النَّاسُ فِي بُيُوتِكُمْ، فَإِنَّ أَفْضَلَ صَلاَةِ المَرْءِ فِي بَيْتِهِ إِلَّا الصَّلاَةَ المَكْتُوبةَ>.
থিম:

যায়দ ইব্নু সাবিত রাদয়িাল্লাহু <'আনহু হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের ভেতর চাটাই দিয়ে একটি ছোট কামরা বানালেন। তিনি সেখানে কয়েক রাত সালাত আদায় করেন। এমনকি সহাবীগণের মধ্যে কতক সাহাবীও তাঁর সঙ্গে সালাত আদায়ের জন্য একত্র হন। এক রাতে তারা তার আওয়াজ শুনতে পেলেন না। তারা মনে করেছিল যে, তিনি ঘুমিয়ে গেছেন। তাদের কেউ কেউ গলায় আওয়াজ করতে লাগলেন যাতে তিনি তাদের কাছে বের হয়ে আসেন। তারপর তিনি বললেন, তোমাদের কার্যকলাপ যা আমি দেখেছি তাতে আমি ভয় করছিলাম যে, তোমাদের ওপর ফরয করা হবে। আর যদি ফরয করা হয়, তোমরা তা আদায় করবে না। হে লোকেরা! তোমরা তোমাদের ঘরে সলাত আদায় কর। কেননা, ব্যক্তির উত্তম সালাত হচ্ছে তার ঘরের সালাত তবে ফরয সালাত ব্যতীত।
থিম:

يبين الحديث الشريف أن النبي -صلى الله عليه وسلم- اتخذ له حجرة في أحد زوايا المسجد من حصير، والظاهر أنه كان معتكفًا، وكان يقوم الليل فيها فسمعه رجال فجاؤوا يأتمُّون به إلى أن كان بعد عدة ليال لم يسمعوا صوته؛ فظنوه نائماً، وقاموا بإصدار بعض الأصوات لإيقاظه، فخرج إليهم -عليه الصلاة والسلام-، وبين لهم بأنه لم ينم بل خشي أن يُفرض عليهم قيام الليل، وبيَّن لهم أنه إن فرُض لن يستطيعوا القيام به، كما بيَّن لهم أن أفضل صلاة النافلة لهم في بيوتهم.
থিম:

হাদীস শরীফটি বর্ণনা করে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চাটাই দিয়ে মসজিদের এক কোনায় চাটাই দিয়ে একটি ছোট কামরা নির্মাণ করেন। স্পষ্টত তিনি তখন ই'তেকাফকারী ছিলেন। তিনি রাতে কিয়ামুল লাইল করতেন। কিছু লোক তা দেখে তার পিছনে ইক্তেদা করা আরম্ভ করলেন। এভাবে কয়েকদিন চলার পর তারা আর তার আওয়াজ শুনতে পেলেন না। তারা ধারণ করছিল তিনি ঘুমে। তাই তারা তাকে জাগানোর বিভিন্ন আওয়াজ করতে শুরু করেন। তারপর তিনি তাদের কাছে আসলেন এবং তাদের বললেন, মুলত: তিনি ঘুমাননি। তবে তিনি আশঙ্কা করেন যে, তাদের ওপর কিয়ামুল লাইল ফরয করা হতে পারে। আর তিনি বলেন, যদি তা ফরয করা হয়, তা তারা পালন করতে সক্ষম হবে না। অনুরূপভাবে বর্ণনা করেন যে, নফল সালাতের জন্য উত্তম হলো তাদের ঘরে সালাত আদায় করা। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11292

 
Hadith   100



Esin Hadith ID


11295" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: أيها الناس، إنكم منفرون، فمن صلى بالناس فليخفف، فإن فيهم المريض، والضعيف، وذا الحاجة
থিম:

হে লোক সকল! তোমরা মানুষের মধ্যে বিরক্তির সৃষ্টি কর। অতএব যে লোকদের নিয়ে সলাত আদায় করবে সে যেন সংক্ষেপ করে। কারণ তাদের মধ্যে রোগী, দুর্বল ও কর্মব্যস্ত লোকও থাকে।
থিম:

عن أبي مسعود الأنصاري -رضي الله عنه- قال: قال رجل يا رسول الله، لا أكاد أدرك الصلاة مما يطول بنا فلان، فما رأيت النبي -صلى الله عليه وسلم- في موعظة أشد غضبا من يومئذ، فقال:   أيها الناس، إنكم منفرون، فمن صلى بالناس فليخفف، فإن فيهم المريض، والضعيف، وذا الحاجة>.
থিম:

আবূ মাস'ঊদ আনসারী রাদয়িাল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা জনৈক ব্যক্তি বলল, 'হে আল্লাহর রসূল! আমি সলাতে (জামা'আতে) শামিল হতে পারি না। কারণ অমুক ব্যক্তি আমাদের নিয়ে খুব দীর্ঘ সলাত আদায় করেন। [আবূ মাস'ঊদ রাদয়িাল্লাহু আনহু বলেন,] আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কোন নাসীহাতের মাজলিসে সেদিনের তুলনায় অধিক রাগানি�ত হতে দেখিনি। (রাগত স্বরে) তিনি বললেন, "হে লোক সকল! তোমরা মানুষের মধ্যে বিরক্তির সৃষ্টি কর। অতএব যে লোকদের নিয়ে সলাত আদায় করবে সে যেন সংক্ষেপ করে। কারণ তাদের মধ্যে রোগী, দুর্বল ও কর্মব্যস্ত লোকও থাকে"।
থিম:

اشتكى رجل للنبي -صلى الله عليه وسلم- أنه يتأخر عن صلاة الجماعة أحيانا بسبب تطويل الإمام، فغضب النبي -صلى الله عليه وسلم- غضبا شديدا، ثم وعظ الناس وأخبرهم أن منهم من ينفر الناس في الصلاة، وأمر -صلى الله عليه وسلم- الإمام بالتخفيف فيها، لتتيسر وتسهل على المأمومين، فيخرجوا منها وهم لها راغبون، ولأن في المأمومين من لا يطيق التطويل، إما لعجزه، أو مرضه أو حاجته.
فإن كان المصلى منفردا فليطول ما شاء؛ لأنه لا يضر أحداً بذلك.

থিম:

এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট অভিযোগ করলো যে, সে কখনো কখনো ইমাম সালাত দীর্ঘ করার কারণে জামা'আতে সালাত থেকে বিরত থাকে। এ শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুৃব ক্ষুব্ধ হলেন। তারপর তিনি মানুষকে নসীহত করলেন এবং জানিয়ে দিলেন যে, তাদের মধ্যে কতক আছে যারা সালাতে মানুষকে দূরে সরায় ও বিরক্ত করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে ইমামকে সংক্ষেপ করার নির্দেশ দেন। যাতে মুক্তাদিদের ওপর সহজ ও সহনীয় হয়। ফলে তারা সালাত থেকে বের হবেন যে অবস্থায় তারা সালাতের প্রতি আগ্রহী। এছাড়াও মুক্তাদিদের মধ্যে এমন লোক আছে যারা দীর্ঘ সময় দিতে পারে না। হয় তার অক্ষমতা বা অসুস্থতা বা প্রয়োজনের কারণে।
আর যখন মুসল্লী একা হয়, সে তার ইচ্ছা মতো সালাতকে লম্বা করতে পারে। কারণ, তাতে কারো কষ্ট বা ক্ষতি হয় না। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11295

 
Hadith   101



Esin Hadith ID


11297" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: يؤم القوم أقرؤهم لكتاب الله
থিম:

জামা'আতের ইমামতি ঐ ব্যক্তি করবে, যে তাদের মধ্যে সবচেয়ে ভাল কুরআন পড়তে জানে।
থিম:

عن أبي مسعود الأنصاري -رضي الله عنه- قال: قال رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: <يَؤُمُّ القوم أقرؤهم لكتاب الله، فإن كانوا في القراءة سواء، فأعلمهم بالسنة، فإن كانوا في السنة سواء، فأقدمهم هجرة، فإن كانوا في الهجرة سواء، فأقدمهم سِلْمًا، ولا يَؤُمَّنَّ الرجل الرجل في سلطانه، ولا يقعد في بيته على تَكْرِمَتِهِ إلا بإذنه>.
থিম:

আবূ মাসঊদ উকবাহ ইবনে আমের আল-আনসারী রাদিয়াল্লাহু <'আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "জামা'আতের ইমামতি ঐ ব্যক্তি করবে, যে তাদের মধ্যে সবচেয়ে ভাল কুরআন পড়তে জানে। যদি তারা পড়াতে সমান হয়, তাহলে তাদের মধ্যে যে সুন্নাহ (হাদীস) বেশী জানে সে (ইমামতি করবে)। অতঃপর তারা যদি সুন্নাহতে সমান হয়, তাহলে তাদের মধ্যে সর্বাগ্রে হিজরতকারী। যদি হিজরতে সমান হয়, তাহলে তাদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ (ইমামতি করবে)। আর কোন ব্যক্তি যেন কোন ব্যক্তির নেতৃত্ব স্থলে ইমামতি না করে এবং গৃহে তার বিশেষ আসনে তার বিনা অনুমতিতে না বসে।"
থিম:

يبين الحديث الشريف عدة أمور:
أولها: الأحق بالإمامة وهو الأحفظ للقرآن، لكن لا بد أن يكون عالماً بأحكام صلاته؛ إذ ليس للجاهل بأحكام الصلاة أن يؤم الناس، فإن استووا في الحفظ، فالأعلم بالسنة فإن تساووا في ذلك، فأولهم هجرة فإن تساوو في ذلك، فأولهم إسلاماً.
ثانيها: ألا يتقدم الضيف على صاحب البيت في الإمامة إلا إن أذن له، فصاحب البيت أولى بها من الضيف.
ثالثها: ألا يقعد الضيف على فراش صاحب المنزل الخاص به إلا بإذنه.

থিম:

হাদীস শরীফটি কয়েকটি বর্ণনা করেন: এক: যে ব্যক্তি কুরআনের বেশি হিফাযতকারী তিনিই ইমামতির বেশি হকদার। তবে তাকে অবশ্যই সালাতের মাসায়েল সম্পর্কে জানতে হবে। কারণ, সালাতের মাসায়েল জানে না এমন ব্যক্তির জন্য সালাতের ইমামতি বৈধ নয়। তারা যদি হিফযে সবাই সমান হন তখন যিনি সুন্নাহ সম্পর্কে বেশি জ্ঞান রাখেন তিনি। তাতেও যদি তারা সমান হন, তাহলে তাদরে মধ্যে যিনি আগে হিজরত করেছেন তিনি ইমামতির বেশি হকদার। তাতেও যদি তারা সমান হয়, তাহলে তাদের মধ্যে যিনি আগে ইসলাম গ্রহণ করেছেন তিনি অধিক হকদার। দুই: ইমামতিতে মেহমান বাড়ির মালিকের অনুমতি ছাড়া আগ বাড়ে ইমামতি করতে যাবে না। তবে যদি অনুমতি দেয় তখন ভিন্ন কথা। সুতরাং বাড়ির মালিক মেহমানের চেয়ে অধিক হকদার। তিন: বাড়ি ওয়ালার বিশেষ আসনে তার অনুমতি ছাড়া বসবে না। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11297

 
Hadith   102



Esin Hadith ID


11299" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: خير صفوف الرجال أولها, وشرها آخرها, وخير صفوف النساء آخرها, وشرها أولها
থিম:

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু <'আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "পুরুষদের কাতারের মধ্যে সর্বোত্তম কাতার হল প্রথম কাতার, আর নিকৃষ্টতম কাতার হল শেষ কাতার। আর মহিলাদের কাতারের মধ্যে সর্বোত্তম কাতার হল শেষ কাতার এবং নিকৃষ্টতম কাতার হল প্রথম কাতার।" সহীহ মুসলিম।
থিম:

عن أبي هريرة -رضي الله عنه- قال: قال رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: <خَيْرُ صفوف الرِّجال أوَّلُها, وشرُّها آخرُها, وخَيْرُ صفوف النِّساء آخِرُها, وشَرُّها أولها>.
থিম:

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু <'আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "পুরুষদের কাতারের মধ্যে সর্বোত্তম কাতার হল প্রথম কাতার, আর নিকৃষ্টতম কাতার হল শেষ কাতার। আর মহিলাদের কাতারের মধ্যে সর্বোত্তম কাতার হল শেষ কাতার আর নিকৃষ্টতম কাতার হল প্রথম কাতার।"
থিম:

أفضل صفوف الرِّجال وأكثرها أجرا الصف الأول؛ لقربهم من الإمام وبُعدهم عن النساء، وأقلها أجرا وفضلا الصف المؤخر؛ لبُعد المصلِّي عن سماع القراءة، وبُعده من حرَم الإمام، والدلالة على قِلَّة رغْبَة المتأخر في الخير والأجر، وأفضل صفوف النساء، وأكثرها أجرا: الصَّف المُؤَخر؛ وذلك؛ لأنه أستر للمرأة؛ لبُعدها عن صفوف الرِّجال، وأقلها أجرا وفضلا الصفوف الأولى؛ لقُربها من الفتنة، أو التعرض لها.
وهذا إذا صلت النساء مع الرجال في مكان واحد وتحت سقف واحد، أما إذا صَلين وحدهن أو منفصلات عن الرجال فحكم صفوفهن حكم صفوف الرجال، ويكون خير صفوف النَّساء أولها، وشرها آخرها.
وبناء على هذا: فمصليات النساء التي قد سترت بساتر بحيث لا يرين الرجال ولا يرونهن، فتكون صفوفهن الأولى أفضل من الصفوف المؤخرة لانتقاء المحظور.

থিম:

পুরুষদের কাতারসমূহ হতে সর্বোত্তম ও সর্বাধিক সাওয়াবের কাতার হলো প্রথম কাতার। কারণ তারা ইমামের কাছে ও নারীদের থেকে দূরে অবস্থান করেন। আর সাওয়াব ও ফজিলেতর দিক থেকে সবচেয়ে কম হচ্ছে তাদের শেষ কাতার। কারণ মুসল্লি তাতে কিরাত শ্রবণ থেকে দূরে থাকে, আরো দূরে থাকে ইমামের অবস্থান থেকে। এটি তার কল্যাণ ও সাওয়াবে আগ্রহ কম থাকার প্রমাণ। বস্তুত নারীদের সর্বোত্তম ও সাওয়াবের দিক দিয়ে বেশি হচ্ছে শেষ কাতার। কারণ, পুরুষদের কাতারসমূহ হতে দূরে হওয়ার কারণে এটি নারীদের জন্য অধিক পর্দা ও সুরক্ষার ব্যবস্থা। আর তাদের প্রথম কাতার ফিতনার কাছাকাছি বা তার মুখোমুখি হওয়ার কারণে সাওয়াব ও মর্যাদার দিক দিয়ে কম। এটি যখন নারীগণ পুরুষদের সাথে একই জায়গায় একই ছাদের নিচে সালাত আদায় করে। পক্ষান্তরে যখন তারা একা সালাত আদায় করে বা তারা পুরুষদের থেকে পৃথক জায়গায় সালাত আদায় করে তখন তাদের কাতারের বিধান পুরুষদের কাতারের বিধানের মতো। তখন নারীদের উত্তম কাতার হবে প্রথম কাতার এবং নিকৃষ্ট কাতার হবে শেষ কাতার। এ হিসেবে বলা যায় : নারীদের জন্য নির্ধারিত সালাতের জায়গা যদি পর্দা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় যে, তারা পুরুষদের দেখে না এবং পুরুষরাও তাদের দেখে না তখন তাদের প্রথম কাতার শেষ কাতার হতে উত্তম, সমস্যা না থাকার কারণে। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11299

 
Hadith   103



Esin Hadith ID


11300" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: اللهم اجعل في قلبي نورا، وفي بصري نورا، وفي سمعي نورا، وعن يميني نورا، وعن يساري نورا، وفوقي نورا، وتحتي نورا، وأمامي نورا، وخلفي نورا، واجعل لي نورا
থিম:

হে আল্লাহ! আপনি আমার অন্তরে নূর (বা আলো) দান করুন, আমার চোখে নূর দান করুন, আমার শ্রবণশক্তিতে নূর দান করুন, আমার ডানে নূর দান করুন, আমার বামে নূর দান করুন, আমার উপরে নূর দান করুন, আমার নিচে নূর দান করুন, আমার সামনে নূর দান করুন, আমার পেছনে নূর দান করুন, আমার জন্য নূর দান করুন।
থিম:

عن ابن عباس -رضي الله عنهما- قال: بِتُّ عند ميمونة، فقام النبي -صلى الله عليه وسلم- فأتى حاجَتَه، فغسل وجهه ويديه، ثم نام، ثم قام، فأَتى القِرْبَة فأطلق شِنَاقَهَا، ثم توضأ وضوءا بين وضوءين لم يُكْثِرْ وقد أبلغ، فصلى، فقمت فَتَمَطَّيْتُ؛ كراهية أن يرى أني كنت أَتَّقِيهِ، فتوضأت، فقام يصلي، فقمت عن يساره، فأخذ بِأُذُنِي فَأَدَارَنِي عن يمينه، فَتَتَامَّت صلاته ثلاث عشرة ركعة، ثم اضطجع فنام حتى نَفَخ، وكان إذا نام نَفَخ، فَآذَنَهُ بلال بالصلاة، فصلَّى ولم يتوضأ، وكان يقول في دعائه:   اللهم اجعل في قلبي نورا، وفي بَصري نورا، وفي سمعي نورا، وعن يميني نورا، وعن يساري نورا، وفَوْقِي نورا، وتحتي نورا، وأمامي نورا، وخلفي نورا، واجعل لي نورا>.
থিম:

ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মাইমুনাহর নিকট রাত যাপন করি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাহ ওঠে প্রয়োজন পূরণ করলেন, তাপর দুইহাত ও চেহারা ধুইলেন। তারপর ঘুমালেন অতঃপর ঘুম থেকে উঠলেন। তার জন্য পানির পাত্রটি আনা হলো তিনি পাত্রের মুখ খুললেন। অতঃপর তিনি দুইটি ওযূর মাঝে মধ্যপন্থী ওযূ করলেন, যাতে বাড়ালেন না অথচ পরিপূর্ণ ওযূ করলেন। তিনি সালাত আদায় করলেন। আমি তাকে পর্যবেক্ষণ করছি দেখে ফেলবেন অপছন্দ করে গোপনীয়তা অবলম্বন করে উঠলাম। আমি ওযূ করলাম। তিনি সালাতে দাড়ালে আমিও তার বাম পাশে দাঁড়ালাম। তিনি আমার কান ধরে আমাকে তার ডান পাশে ঘুরিয়ে দিলেন। তারপর তের রাকা'আত সালাত পূর্ণ করলেন। তারপর তিনি কাত হয়ে নাক ডেকে ঘুমালেন। তার অভ্যাস ছিল যখন ঘুমাতেন নাক ডাকতেন। তারপর বিলাল সালাতের ঘোষণা দিলে তিনি সালাত আদায় করেন তবে ওযূ করলেন না। তিনি দো'আয় বলতেন, "হে আল্লাহ! আপনি আমার অন্তরে নূর (বা আলো) দান করুন, আমার চোখে নূর দান করুন, আমার শ্রবণশক্তিতে নূর দান করুন, আমার ডানে নূর দান করুন, আমার বামে নূর দান করুন, আমার উপরে নূর দান করুন, আমার নিচে নূর দান করুন, আমার সামনে নূর দান করুন, আমার পেছনে নূর দান করুন, আমার জন্য নূর দান করুন"।
থিম:

يخبر ابن عباس -رضي الله عنهما- في هذا الحديث أنه نام عند خالته ميمونة زوج النبي -صلى الله عليه وسلم- و-رضي عنها- "فأتى حاجَتَه" أي: قضى رسول الله-صلى الله عليه وسلم- ما يحتاج إليه من البول والغائط، "فغسل وجهه ويديه، ثم نام" بعد أن قضى حاجته -صلى الله عليه وسلم- غسل وجهه للتنشيط، ويديه للتنظيف، "ثم قام، فأتى القِرْبَة فأطْلَق شِنَاقَهَا" يعني: بعد أن استيقظ النبي -صلى الله عليه وسلم- من نومه قصد القِرْبَة، فحَلَّ الخيط الذي يُشَد به فَوْهَة السِقَا؛ لحفظ ما بداخله من ماء ونحوه، "ثم توضأ" وضوئه للصلاة "وضُوءًا بَيْن وضُوءَيْنِ" توضأ من غير إخلال ولا مُبَالغة، فكان بين الأمرين، ولهذا قال: "لم يُكْثِرْ" أي: اكتفى بأقل من ثلاث مرات، وهذا جائز والسُّنة ثلاث مرات، "وقد أَبْلَغَ" يعني: أسبع الوضوء بأن أوصله إلى ما يجب إيصاله إليه، وهذا القدر الواجب، "فصلَّى" صلاة الليل، "فَقُمْتُ فَتَمَطَّيْتُ"، يقول ابن عباس -رضي الله عنهما- أنه كان يرقب النبي -صلى الله عليه وسلم- في أفعاله، ثم إنه تمدد وأظهر خلاف ما هو عليه، حتى لا يشعر النبي -صلى الله عليه وسلم- بأنه كان يرقبه؛ ولهذا قال: "كراهية أن يرى أني كنت أَتَّقِيهِ"، يعني: أرصده وأرقب أفعاله.
فهذا سبب تمدد ابن عباس -رضي الله عنهما- وتصنعه بالتمدد؛ وإنما فعل ذلك؛ لأن الغالب أن الإنسان إذا خَلا في بيته قد يأتي بأفعال لا يحب أن يَطلع عليها أحد، أو لأنه خشي أن يترك بعض عمله -صلى الله عليه وسلم- بسبب مراقبته؛ لما جَرى من عادته -صلى الله عليه وسلم- أنه كان يترك بعض العمل؛ خَشية أن يفرض على أمَّته.
فأراد أن يتخفى بفعله ذلك؛ لأجل أن يأخذ من النبي -صلى الله عليه وسلم- كل دقائق أموره من حين أن يستيقظ إلى أن يأتيه الدَّاعي لصلاة الفجر، وهذا من حرصه -رضي الله عنهما- على تحصيل العلم من أصله.
قال: "فتوضَّأت"، وفي رواية: "فتوضأت نحوًا مما توضأ" وفي رواية في البخاري :"فقمت فصنعت مثل ما صنع"، "فقام يصلي فَقُمْتُ عن يساره" يعني: أن ابن عباس لما رأى النبي -صلى الله عليه وسلم- دخل في صلاته توضأ ولحق بالنبي -صلى الله عليه وسلم- إلا أنه قام عن يسار النبي -صلى الله عليه وسلم-، "فأخذ بِأُذُنِي" يعني: أن النبي -صلى الله عليه وسلم- أخذ بأذنه ثم أداره من جهة اليسار إلى اليمين، وفي رواية: "فوضع رسول الله -صلى الله عليه وسلم- يده اليُمنى على رأسي، وأخذ بأذني اليُمنى يَفْتِلُها بيده "ووضع يده أولا؛ ليتمكن من مسك الأذن، أو لأنها لم تقع إلا عليه، أو لينزل بركتها به ليعي جميع أفعاله -عليه السلام- في ذلك المجلس وغيره، قال: "وفتلها" إما: لينبهه على مخالفة السنة أو ليزداد تيقظه لحفظ تلك الأفعال، أو ليزيل ما عنده من النعاس، أو لإدارته من اليسار إلى اليمين، أو لتأنيسه؛ لكون ذلك في ظلمة الليل كما صرح بذلك ابن عباس في رواية البخاري؛ أو لإيقاظه أو لإظهار محبته؛ لأن حاله كانت تقتضي ذلك؛ لصغر سنه.
"فَأَدَارَنِي عن يمينه" أي: أداره عن جانب يساره إلى جانب يمينه، وهي موقف المأموم الواحد من الإمام.
"فَتَتَامَّت صلاته" فسرها بقوله: "ثلاث عشرة ركعة" أي: أن النبي -صلى الله عليه وسلم- صلى تلك الليلة ثلاث عشرة ركعة مع ركعة الوتر، يفصل بين كل ركعتين بسلام، كما في رواية البخاري: "يسلم من كل ركعتين"، وفي رواية عند البخاري ومسلم: "ثم صلى ركعتين ثم ركعتين ثم ركعتين ثم ركعتين ثم ركعتين ثم ركعتين، ثم أوتر" أي: بركعة واحدة مفصولة عن الركعتين؛ لأنه إذا صلى ركعتين ركعتين ست مرات مع الفصل بين كل ركعتين صارت الجملة اثنتي عشرة ركعة غير ركعة الوتر، وكانت جميع صلاته -صلى الله عليه وسلم- ثلاث عشرة ركعة، فلم يبق الوتر إلا ركعة واحدة.
"ثم اضطجع فنام حتى نَفَخ" أي كان يتنفس بصوت حتى يسمع منه صوت النَّفخ، "وكان إذا نام نَفَخ، فَآذَنَهُ بلال بالصلاة" أعلمه بصلاة الصُّبح، "فصلَّى" سنة الفجر أولاً، ثم خرج إلى المسجد فصلى الصبح بالجماعة، "ولم يتوضأ" بل اكتفى بالوضوء السابق، وهذا من خصائصه -صلى الله عليه وسلم- أن نومه لا ينقض الوضوء؛ لأن عينيه تنامان ولا ينام قلبه، فلو خرج حدث لأحس به بخلاف غيره من الناس، ولهذا لما قالت عائشة -رضي الله عنها- "أتنام قبل أن توتر؟ قال: (يا عائشة إن عيني تنامان ولا ينام قلبي).
"وكان يقول في دعائه" أي: من جملة دعائه تلك الليلة هذا الدعاء: "اللهم اجعل في قلبي نورا، وفي بَصري نورا، وفي سمعي نورا، وعن يميني نورا، وعن يساري نورا، وفَوْقِي نورا، وتحتي نورا، وأمامي نورا، وخلفي نورا، واجعل لي نورا"، وسأل النور في أعضائه وجهاته، والمراد به بيان الحق وضياؤه والهداية إليه، فسأل النور في جميع أعضائه وجسمه وتصرفاته وتقلباته وحالاته وجملته في جهاته الست حتى لا يزيغ شيء منها عنه.

থিম:

এ হাদীসটিতে ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা সংবাদ দেন, তিনি তার খালা ও রাসূলের স্ত্রী মাইমুনাহর নিকট রাত যাপন করেন। "তিনি তার প্রয়োজন পূরণ করলেন"। অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পায়খানা পেশাবের প্রয়োজন সারলেন। "তাপর দুইহাত ও চেহারা ধুইলেন। তারপর ঘুমালেন"। প্রয়োজন পুরণ করার পর সে তার চেহারা দুইলেন উদ্যোমী হওয়ার জন্য এবং পরিচ্ছন্নতার জন্য হাত ধুইলেন। "তারপর ঘুম থেকে উঠে পানির পাত্রের নিকট আসলেন ও তার মুখ খুললেন"।   অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুম থেকে ওঠার পর পাত্রের নিকট গেলেন এবং পাত্রের ভিতরের পানি বা অন্য কিছু সংরক্ষণের জন্য সে রশি দিয়ে মুখ বাঁধা হয় তা খুললেন। "অতঃপর ওযূ করলেন" সালাতের ওযূর মতো। "দুইটি ওযূর মাঝে মধ্যপন্থী ওযূ করলেন" তাতে কোন কমতি ও বাড়াবাড়ি ছিল না" তা ছিল মাঝামাঝি। এ কারণেই তিনি বলেন, বেশি করলেন না অর্থাৎ তিনবারের কমের মধ্যে সারলেন। এটি জায়েয আছে তবে সুন্নাত হলো তিনবার। "অথচ তিনি পরিপূর্ণ ওযূ করলেন"। অর্থাৎ যেখানে পানি পৌঁছানো ওয়াজিব সেখানে পানি পৌঁছালেন। এতটুকু স্থানে পানি পৌঁছানো ওয়াজিব। "তিনি সালাত আদায় করলেন" অর্থাৎ রাতের সালাত। "আমি দাঁড়ালাম ও গোপনীয়তা অবলম্বন করলাম" ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন: তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইিহ ওয়াসাল্লামের কর্মগুলো পর্যবেক্ষণ করতে ছিলেন, তবে তিনি তা ছাপিয়ে গেলেন ও তার বিপরীত প্রকাশ করলেন যেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম না বুঝেন যে সে তাকে পর্যবেক্ষণ করছে। এ জন্যে তিনি বলেছেন: "আমি তাকে পর্যবেক্ষণ করছি সেটা অপছন্দ করে" অর্থাৎ আমি তাকে দেখছি ও তার কর্মগুলো পর্যবেক্ষণ করছি। এ কারণে ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু ছাপিয়ে গেছেন এবং দেখে না-দেখার ভান করেছেন। কারণ মানুষ নিজের ঘরে একাকি হলে এমন কিছু কাজ করে যা কেউ দেখুক সেটা সে চায় না, অথবা তার পর্যবেক্ষণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জেনে ফেললে হয়তো তিনি কিছু আমল ছেড়েও দিতে পারেন, কারণ তার অভ্যাস ছিল উম্মতের ওপর ফরয হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তিনি কতক আমল ছেড়ে দিতেন। ইবন আব্বাস তার কর্মগুলো গোপন রাখতে চাইলেন যেন সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘুম থেকে ওঠা হতে সালাতের জন্যে আহ্বানকারীর আসা পর্যন্ত সকল আমল খুটিয়ে খুৃটিয়ে দেখতে পারেন। এটা তার সরাসরি ইলম অর্জন করার প্রবল আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ। তিনি বলেন "আমি ওযূ করলাম" অপর বর্ণনায় বর্ণিত: "আমি ওযূ করলাম তিনি যেভাবে ওযূ করলেন"। সহীহ বুখারীর অপর বর্ণনায় বর্ণিত: "আমি উঠে দাড়ালা এবং তিনি যা করলেন আমিও তা করলাম"। <"তিনি সালাতে দাড়ালে আমিও তার বাম পাশে দাঁড়ালাম"। অর্থাৎ ইবন আব্বাস যখন দেখলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে প্রবেশ করলেন তখন তিনি নিজেও ওযূ করলেন এবং রাসূলের সাথে সম্পৃক্ত হলেন। তবে তিনি তার বাম পাশে দাড়ালেন। "তাই তিনি আমার কান ধরেন" অর্থাৎ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কান ধরলেন এবং তাকে বাম দিক থেকে ঘুরিয়ে তার ডান পাশে নিয়ে গেলেন। অপর বর্ণনায় বর্ণিত: "তার ডান হাত আমার মাথার ওপর রাখলেন এবং স্বীয় হাত দ্বারা আমার ডান কান ধরলেন এবং মলতে লাগলেন"। প্রথমে হাত রাখলেন যাতে কান ধরতে পারেন অথবা হাত প্রথমে মাথাই পড়ছিল অথবা যাতে হাতের বরকত তার ওপর অবতীর্ণ হয় যার দ্বারা সে এ মজলিশ ও অন্যান্য মজলিশের সব আমল সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়। সে বলল, "এবং তা মোছড়ালেন"। হয় সুন্নাতের খেলাফ করার কারণে সর্তক করতে, অথবা এ সব কর্মসমূহ সংরক্ষণে তার সতর্কতা বৃদ্ধি করার জন্য, বা তার তন্দ্রাচ্ছন্নতা দূর করার জন্য, অথবা বাম থেকে ডানে ঘুরানোর জন্য, অথবা বিষয়টি রাতের অন্ধকারে হওয়াতে তার নিঃসঙ্গতা দূর করার জন্য যেমন সহীহ বুখারির বর্ণনায় বিষয়টি ইবন আব্বাস নিজেই স্পষ্ট করেন, অথবা তাকে জাগানোর জন্য বা তার প্রতি মহব্বত প্রকাশ করার জন্য। কারণ, কম বয়স হওয়ার কারণে তার অবস্থা এরই দাবিদার। "তারপর তিনি আমাকে তার ডান দিকে ঘুরিয়ে দিলেন"। অর্থাৎ তাকে বাম দিক থেকে ঘুরিয়ে তার ডান পাশে নিয়ে গেলেন। মুক্তাদী একজন হলে এটিই তার দাড়ানোর স্থান। "তার সালাত পূর্ণ হল"। এ কথার ব্যাখ্যা তিনি করেন। "তের রাকা'আত সালাত পূর্ণ করলেন"। অর্থাৎ এ রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতিরসহ তের রাকা'আত সালাত আদায় করেন। প্রতি দুই রাকা'আতের পর সালাম দ্বারা ব্যবধান করেন। যেমনটি সহীহ বুখারীর বর্ণনায় বর্ণিত: প্রতি দুই রাকা'আতে সালাম ফিরাতেন। সহীহ বুখারী ও মুসলিমের অপর বর্ণনায় বর্ণিত: "তারপর তিনি দুই রাকা'আত পড়েন, তারপর দুই রাকা'আত, তারপর দুই রাকা'আত, তারপর দুই রাকা'আত, তারপর দুই রাকা'আত, তারপর দুই রাকা'আত, তারপর এক রাকা'আত বিতির আদায় করেন। অর্থাৎ দুই রাকাত থেকে পৃথক করে এক রাতাক আদায় করেন। কারণ, দুই রাকা'আত, দুই রাকা'আত করে ছয় বার পড়লে বিতিরের এক রাকা'আত ছাড়া মোট বারো রাকা'আত হবে। রাসূলের মোট সালাত ছিল তের রাকা'আত। তাহলে বিতির কেবল এক রাকা'আত বাকী ছিল। "তারপর তিনি কাত হয়ে নাক ডেকে ঘুমালেন"। অর্থাৎ. তিনি এমন আওয়াজে নিঃশ্বাস ছাড়তেন তার নাক ডাকার আওয়াজ শোনা যেত। আর তার অভ্যাস ছিল যখন ঘুমাতেন নাক ডাকতেন। "তারপর বিলাল সালাতের ঘোষণা দিলেন" অর্থাৎ তিনি তাকে ফজরের সালাত সম্পর্কে অবহিত করলেন। "ফলে তিনি প্রথমে ফজরের সুন্নাত পড়লেন। তারপর তিনি মসজিদে গমন করলেন এবং ফজরের সালাত জামা'আতে আদায় করলেন। তবে ওযূ করলেন না। বরং পূর্বে ওযূ দ্বারা সালাত আদায় করলেন"। এটি তার বৈশিষ্ট্য। তার ঘুম ওযূ ভঙ্গকারী নয়। কারণ, তার চোখ ঘুমায় কিন্তু তার অন্তর জাগ্রত থাকে। যদি কোন নাপাকী বের হতো তবে তিনি অবশ্যই অনুভব করতেন। কিন্তু অন্যান্য মানুষ তার মতো নয়। এ কারণেই আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা যখন বললেন, "আপনি বিতির পড়ার আগে ঘুমান? তিনি বলেন, (হে আয়েশা আমার দুই চোখ ঘুমায় আমার অন্তর ঘুমায় না)। তিনি দো'আয় বলতেন, অর্থাৎ এ রাতের দো'আসমূহের মধ্যে এটি একটি দো'আ "হে আল্লাহ! আপনি আমার অন্তরে নূর (বা আলো) দান করুন, আমার চোখে নূর দান করুন, আমার শ্রবণশক্তিতে নূর দান করুন, আমার ডানে নূর দান করুন, আমার বামে নূর দান করুন, আমার উপরে নূর দান করুন, আমার নিচে নূর দান করুন, আমার সামনে নূর দান করুন, আমার পেছনে নূর দান করুন, আমার জন্য নূর দান করুন"। তিনি তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে ও দিক সমূহে নূর কামনা করেন। এ দ্বারা উদ্দেশ্য হক ও তার রশ্নির বর্ণনা করা এবং তার প্রতি পথ দেখানো। ফলে তিনি তার সমগ্র অঙ্গ, দেহ, কার্যকলাপ, উঠবস, অবস্থা এবং ছয়টি দিকসহ সব বিষয়ে নূর কামনা করেন যাতে তার কোন কিছুই তার থেকে বিচ্যুত না হয়। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন <'আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11300

 
Hadith   104



Esin Hadith ID


11301" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: صليت أنا ويتيم، في بيتنا خلف النبي -صلى الله عليه وسلم-، وأمي أم سليم خلفنا
থিম:

আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এবং একজন ইয়াতীম আমাদের ঘরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিছনে সালাত আদায় করি। আর আমার মা উম্মে সুলাইম আমাদের পিছনে। সহীহ বুখারী।
থিম:

عن أنس بن مالك -رضي الله عنه-، قال:   صَلَّيْتُ أنا ويَتِيمٌ، في بَيْتِنَا خَلْف النبي -صلى الله عليه وسلم-، وَأُمِّي أُمُّ سُليم خَلْفَنَا>.
থিম:

আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "আমি এবং একজন ইয়াতীম আমাদের ঘরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিছনে সালাত আদায় করি। আর আমার মা উম্মে সুলাইম আমাদের পিছনে"।
থিম:

يخبر أنس -رضي الله عنه- أن النبي -صلى الله عليه وسلم- صلَّى بأنس واليَتِيم، وكان موقفهما -رضي الله عنهما- خَلف النبي -صلى الله عليه وسلم-، ويخبر أنس أيضا أن أُمَّه التي تُكَنَّى بأُمِّ سليم -رضي الله عنها- صلَّت خَلفهم. فكان الصفوف كالتالي:
موقف الإمام : متقدما.
موقف الصبيان : خلف النبي -صلى الله عليه وسلم-.
موقف المرأة : خلفهم.

থিম:

আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু সংবাদ দেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনাস এবং একজন ইয়াতীমকে নিয়ে সালাত আদায় করেন। তাদের দুইজনের দাড়ানো স্থান ছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিছনে। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু আরও সংবাদ দেন তার মা যাকে উম্মে সুলাইম উপনামে ভুষিত করা হতো সে তাদের পিছনে সালাত আদায় করেন। ফলে তাদের কাতার ছিল নিম্নরূপ: ইমামের অবস্থান: সামনে। বাচ্চাদের অবস্থান: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিছনে। মহিলাদের অবস্থান: তাদের পিছনে। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[মুত্তাফাকুন আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম), তবে শব্দ সহীহ বুখারীর।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11301

 
Hadith   105



Esin Hadith ID


11302" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: زادك الله حرصا ولا تعد
থিম:

আল্লাহ তোমার আগ্রহকে বাড়িয়ে দিন, তবে তুমি এমন আর করো না।
থিম:

عن الحسن، أن أبا بَكْرَة جاء ورسول الله راكع، فركع دون الصَّف ثم مَشَى إلى الصَّف فلما قَضَى النبي -صلى الله عليه وسلم- صلاته، قال:   أيُّكم الذي ركع دون الصَّف ثم مَشَى إلى الصَّف؟   فقال أبو بَكْرَة: أنا، فقال النبي -صلى الله عليه وسلم-: <زادَك الله حِرْصَا ولا تَعُد>.
থিম:

হাসান থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহর রুকূ অবস্থায় আবূ বাকরাহ সালাতে উপস্থিত হলো। সে কাতারের বাহিরে রুকূ করে তারপর পায়ে হেঁটে কাতারে শরীক হল। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাত সম্পন্ন করেন জিজ্ঞাসা করেন, তোমাদের মধ্যে কে কাতারের বাহিরে রুকূ করে তারপর কাতারে সামিল হল? তখন আবূ বাকরাহ বলল, আমি। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "আল্লাহ তোমার আগ্রহকে বাড়িয়ে দিন, তবে তুমি এমন আর করো না"।
থিম:

أن أبا بَكْرَة دخل المسجد فوجد النبي -صلى الله عليه وسلم- وأصحابه في حال الرُّكوع، فبَادر بالرُّكوع قبل أن يَصل إلى الصَّف لأجل أن يدرك الرَّكعة، ثم مَشَى إلى الصَّف وهو راكع، حتى دخل مع المأمومين في الصِّف. فالنبي -صلى الله عليه وسلم- شَعَر بحركة خَلف الصَّف، وأن هناك من جاء مسرعا وركع قبل أن يصل إلى الصَّف، بل من خصائصه أنه يرى من خلفه في الصلاة كما يرى من أمامه، فلمَّا فرغ النبي -صلى الله عليه وسلم- من صلاته سأل قائلا: من الذي ركع قبل الصَّف ثم مَشَى إلى الصَّف؟ فقال أبو بَكْرَة: أنا يعني: أنا من فعل ما ذكرت يا رسول الله، فقال النبي -صلى الله عليه وسلم-: زادك الله رغْبَة وشِدة في الخير، والمُسَارعة إليه، ولا تَعُد إلى الإسْرَاع في المشي لإدراك الركعة ولا الرُّكوع قبل الصف؛ لأن الإسْرَاع مُناف للسَّكينة والوَقار، وقد قال -صلى الله عليه وسلم-: (لا صلاة لمنفرد خلف الصَّف)، وفعل أبي بكرة لم يدخل فيه لأنه انفراد بعمل يسير، كمن ركع وحده ثم أدرك آخر وصف معه في حال الركوع، لكنه لا يشرع لقوله: (ولا تعد).
থিম:

মসজিদে প্রবেশ করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সাহাবীদের আবূ বাকরাহ রাদিয়াল্লাহ আনহু রুকূ অবস্থায় পেলেন। তখন সে রাকা'আত পাওয়ার জন্য কাতারে পৌঁছার পূর্বে তাড়াতাড়ি রুকূ করেন এবং রুকু করা অবস্থায় পায়ে হেঁটে কাতারে শরীক হন এবং কাতারে মু'মিনদের সাথে অর্ন্তভুক্ত হন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাতারের পিছনের শব্দ অনুভব করেন এবং বুঝতে পারেন যে, নিশ্চয় কেউ দৌড়ে এসেছে এবং কাতারে সামিল হওয়ার আগে রুকূ করেছে। বরং তার বৈশিষ্ট্য হলো, তিনি সালাতে সামনে যেভাতে দেখতে পান পিছনেও দেখতে পান। তাই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাত শেষ করলেন, জিজ্ঞেস করলেন, কে কাতারে শামিল হওয়ার পূর্বে রুকু করে পরে কাতারে সামিল হল? তখন আবূ বাকরাহ বলল, আমি। অর্থাৎ হে রাসূল আপনি যা আলোচনা করেছেন আমিই সেই ব্যক্তি যে তা করেছে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ ভালো কাজের প্রতি তোমার আগ্রহ ও দৃঢ়তা বাড়িয়ে দিক। তবে তুমি রাকা'আত পাওয়ার জন্য তাড়াহুড়া করবে না এবং কাতারে সামিল হওয়ার আগে রুকূ করবে না। কারণ, তাড়াহুড়া করা প্রশান্তি ও গাম্ভীর্যতার পরিপন্থী। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছন, কাতার বাহিরে একা সালাত আদায়কারীর সালাত হবে না। তবে আবূ বাকরাহ এর কর্ম এ নিষেধের আওতায় পড়েনি। কারণ, সে সামান্য আমলই একা করেছে। যেমন সে রুকূর কিছু অংশ একা করেছে তারপর শেষাংশে সে কাতার পেয়েছে এবং রুকূ অবস্থায় তার সাথে কাতারে শামিল হয়েছে। তবে এটিও বৈধ নয়। কারণ, তিনি বলেছেন, এমন আর করো না। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11302

 
Hadith   106



Esin Hadith ID


11303" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: أن رسول الله -صلى الله عليه وسلم- رأى رجلا يصلي خلف الصف وحده، فأمره أن يعيد الصلاة
থিম:

ওয়াবেসাহ ইবন মা'বাদ আল-জুহানী রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক লোককে কাতারের বাহিরে একা সালাত আদায় করতে দেখে তাকে সালাত পুণরায় আদায় করার নির্দেশ দেন। সুনানে আবূ দাউদ।
থিম:

عن وابِصَة بن مَعْبَد الجُهني -رضي الله عنه- أن رسول الله -صلى الله عليه وسلم- رأى رَجُلا يصلِّي خلف الصَّف وحْدَه، فأمَرَه أن يُعِيد الصلاة.
থিম:

ওয়াবেসাহ ইবন মা'বাদ আল-জুহানী রাদিয়াল্লাহু <'আনহু থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক লোককে কাতারের বাহিরে একা সালাত আদায় করতে দেখে তাকে সালাত পুণরায় আদায় করার নির্দেশ দেন।
থিম:

بعد أن انصرف رسول الله -صلى الله عليه وسلم- من صلاته نظر، فإذا برجل يصلّي خلف الصف وحده، فأمره أن يعيد الصلاة التي صلاها خلف الصَّف من أولها، وهذا صريح؛ بأن صلاة المنفرد خلف الصف لا تصح؛ لأنه أُمر بالإعادة ولا يُأمر بالإعادة على أمر مندوب إليه، وما ورد في حديث أبي بكرة -رضي الله عنه- من أنه ركع دون الصف ثم دخل في الصف فلا ينافي ما هنا لأنه لم يصل منفردا؛ لأنه أدرك الركوع مع النبي -صلى الله عليه وسلم-، وكونه أدى تكبيرة الإحرام وجزء من الركوع منفردا لا يعني أنه صلى منفردا، بخلاف من صلى ركعة، فأكثر فهذا الذي يتحقق فيه الانفراد وسواء كان الصَّف مكتملا أو غير مكتمل، وعليه فمن وجَد في الصف فُرجة يمكنه الدخول فيها، فلا يحل له أن يقف وحده خلف الصَّف، فإن فعل لم تصح صلاته، وإن لم يجد فُرجة في الصَّف، وقف خلف الصف وحده ولا يترك الجماعة.
থিম:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত থেকে ফেরার পর দেখেন এক লোক কাতারের বাহিরে একা সালাত আদায় করছে। তখন তিনি তাকে যে সালাত কাতারের বাহিরে একা আদায় করছে তা পূণরায় শুরু থেকে আদায় করার নির্দেশ দেন। এ কথা স্পষ্ট যে, কাতারের বাহিরে একা সালাত আদায় করা বিশুদ্ধ নয়। কারণ, তিনি সালাত পূণরায় আদায় করার নির্দেশ দেন। আর পূণরায় আদায় করার নির্দেশ কোন মুস্তাহাবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। আবূ বাকরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদিসে বর্ণিত বিষয় অর্থাৎ তিনি কাতারের বাহিরে রুকূ করেন তারপর কাতারে প্রবেশ করেন, এ হাদীসের আলোচ্য বিষয়ের সাথে বিরোধপূর্ণ নয়। কারণ, তিনিতো একা সালাত আদায় করেননি। কারণ, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে রুকূ পেয়েছেন। তাকবীরে তাহরীম ও রুকুর কিছু অংশ একা পালন করার অর্থ এ নয় যে, সে একা সালাত আদায় করেছে। কিন্তু যে পূর্ণ এক রাকা'আত বা তার চেয়ে বেশি সালাত কাতারের বাহিরে আদায় করল তার ক্ষেত্রে একা সালাত আদায়কারী বাস্তবায়িত হবে। চাই কাতার পূর্ণ হোক বা কাতার অপূর্ণ হোক। এর ওপর ভিত্তি করে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কাতারে এমন ফাঁকা পায় যাতে দাড়ানো সম্ভব তার জন্য কাতার বাদ দিয়ে একা দাড়ানো বৈধ নয়। যদি এমন করে তবে তার সালাত শুদ্ধ হবে না। আর যদি কাতারে কোন ফাঁকা না পাওয়া যায়, তখন কাতারের পিছনে একা দাড়াবে। কোন ক্রমেই জামা'আত ছাড়বে না। Esin Hadith Grade English


[হাসান]    ← →   

[এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। - এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11303

 
Hadith   107



Esin Hadith ID


11307" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: أن أم ورقة بنت عبد الله بن الحارث الأنصاري، كانت قد جمعت القرآن، وكان النبي -صلى الله عليه وسلم- قد أمرها أن تؤم أهل دارها
থিম:

উম্মু ওয়ারাকাহ বিনত আব্দুল্লাহ ইবনু হারেস আল-আনসারিয়্যাহ যিনি সম্পূর্ণ কুরআন মুখস্থ করেছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে নির্দেশ দেন যেন সে তার ঘরের লোকদের ইমামতী করে।
থিম:

عن أُمِّ ورَقة بنت عبد الله بن الحارث الأنصارية، أنها كانت قد جَمعت القرآن، وكان النبي -صلى الله عليه وسلم- قد أَمَرَهَا أن تَؤُمَّ أهل دارِها، وكان لها مُؤَذِّنٌ، وكانت تَؤُمُّ أهل دارها.
থিম:

উম্মু ওয়ারাকাহ বিনত আব্দুল্লাহ ইবনু হারেস আল-আনসারিয়্যাহ যিনি সম্পূর্ণ কুরআন মুখস্থ করেছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে নির্দেশ দেন যেন সে তার ঘরের লোকদের ইমামতী করে। তার একজন মুয়াজ্জিন ছিল। আর সে তার ঘরের (নারীদের) ইমামতি করত।
থিম:

أن أُمَّ ورَقة الأنصارية -رضي الله عنها- كانت قد جَمعت القرآن أي: حفظته عن ظهر قَلب -رضي الله عنها-، وكان النبي -صلى الله عليه وسلم- قد أَمَرَهَا أن تكون إمامة لأهل بيتها في الصلوات الخمس، فكان لها مُؤَذِّنٌ يؤذن لها الصلوات الخَمس، وكانت تَؤُمُّ أهل دارِها من النِّساء لرواية الدارقطني: (وتؤم نِسَاءها)، فدل على أن إمامتها مقيدة بالنِّساء فقط.
থিম:

উম্মু ওয়ারাকাহ বিনত আব্দুল্লাহ ইবনু হারেস আল-আনসারিয়্যাহ যিনি কুরআন একত্র করেছিলেন। অর্থাৎ, অন্তর দিয়ে তিনি কুরআন মুখস্থ করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে নির্দেশ দেন যেন সে তার ঘরের লোকদের ইমামতী করে। অর্থাৎ, তিনি পাঁচ ওয়াক্ত সালাতে পরিবারের মহিলাদের ইমাম হবেন। তার একজন মুয়াজ্জিন ছিল, সে তার জন্য পাঁচ ওয়াক্ত সালাতে আযান দিত। দারা কুতনীর বর্ণনা অনুযায়ী সে তার ঘরের (নারীদের) ইমামতি করত। তাতে বলা হয়, সে তাদের নারীদের ইমামতি করত। এ হাদীসটি প্রমাণ করে যে, তার ইমামতি করা শুধু নারীদের সাথে সম্পৃক্ত। Esin Hadith Grade English


[হাসান]    ← →   

[এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11307

 
Hadith   108



Esin Hadith ID


11308" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: أن النبي -صلى الله عليه وسلم- استخلف ابن أم مكتوم يؤم الناس وهو أعمى
থিম:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবন উম্মে মাকতুমকে প্রতিনিধি বানিয়েছেন, যে মানুষদের ইমামতি করত, অথচ তিনি অন্ধ ছিলেন।
থিম:

عن أنس -رضي الله عنه-: أن النبي -صلى الله عليه وسلم- اسْتَخْلَفَ ابن أُمِّ مَكْتُومٍ يَؤُم الناس وهو أعْمَى.
থিম:

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবন উম্মে মাকতুমকে প্রতিনিধি বানিয়েছেন, যে মানুষদের ইমামতি করত, অথচ তিনি অন্ধ ছিলেন।
থিম:

جعل النبي -صلى الله عليه وسلم- ابن أم مكتوم -رضي الله عنه- خلفًا له في بعض أسفاره، فكان يصلي بالناس إماما نيابة عنه -صلى الله عليه وسلم- فترة غيابه؛ وإنما كان اختياره -صلى الله عليه وسلم- لابن أُمِّ مكتوم دون غيره؛ لسابقته في الإِسلام، فهو من المهاجرين الأولين، وهو من القُرَّاء والعلماء، فاستحق الإمامة بهذه الفضائل وغيرها، وولاية النبي -صلى الله عليه وسلم- لابن أُمِّ مكْتُوم لا تقتصر على الصلاة، بل هي ولاية عامة في الصلاة وغيرها، فله أن يُفتي، وله أن يقضي بين الناس، ويدير جميع شؤون أهل المدينة في حال غياب النبي -صلى الله عليه وسلم-، ويدل له ما رواه الطبراني عن عطاء عن ابن عباس، أن النبي -صلى الله عليه وسلم-: استخلف ابن أم مكتوم على الصلاة وغيرها من أمر المدينة، حسنه الألباني في إرواء الغليل، وفي رواية أبي داود الأخرى: أن النبي -صلى الله عليه وسلم- استخلف ابن أم مَكْتُوم على المدينة مرتين.
থিম:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আব্দুল্লাহ ইবন উম্মে মাকতুমকে (মদিনায়) তার প্রতিনিধি বানিয়ে কোন এক সফরে বের হয়েছেন, ফলে তার অবর্তমানে তিনি তার প্রতিনিধি হিসেবে মানুষের সালাত পড়াতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্যদের বাদ দিয়ে তাকে পছন্দ করেছেন, কারণ তিনি ইসলপামে প্রবীণ। তিনি মুহাজিরীনে আউয়ালীন থেকে এবং আলেম ও জ্ঞানী। এ সব গুণ ও অন্যান্য গুণের কারণে ইমাম হওয়ার যোগ্য বিবেচিত হলো। আর উম্মে মাকতুমকে শুধু সালাতের দায়িত্বশীল বানাননি। বরং সালাত ও অন্যান্য বিষয়েও তিনি দায়িত্বশীল ছিলেন। তিনি ফতোওয়া দিতেন, মানুষের মাঝে বিচার ফায়সালা করতেন, রাসূলের অনুপুস্থিতিতে মদীনা বাসীর যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। তাবরানী আতা থেকে এবং তিনি ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে যে বর্ণনা করেন তা তার প্রমাণ: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবন উম্মে মাকতুমকে সালাত ও মদিনার অন্যান্য বিষয়ের ওপর প্রতিনিধি বানান। আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে ইরওয়াউল গালীলে হাসান বলেছেন। আবূ দাউদের অপর একটি বর্ণনায় আছে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবন উম্মে মাকতুমকে মদীনার ওপর দুইবার প্রতিনিধি বানান। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি আবূ দাঊদ বর্ণনা করেছেন। - এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11308

 
Hadith   109



Esin Hadith ID


11310" style="display:yes" class="lity-show" style="width: 100%; background: rgba(255,255,255,0.9);border-radius:8px;-moz-border-radius:8px;-webkit-border-radius:8px;">

الأهمية: إذا أتى أحدكم الصلاة والإمام على حال، فليصنع كما يصنع الإمام
থিম:

যখন তোমাদের কেউ সালাতে উপস্থিত হয় আর ইমাম একটি অবস্থায় থাকে, তখন সে তাই করবে যেমন ইমাম করবে।
থিম:

عن علي بن أبي طالب، ومعاذ بن جبل -رضي الله عنهما- مرفوعًا:   إذا أتى أحدُكم الصلاةَ والإمامُ على حال، فلْيصنعْ كما يصنع الإمامُ>.
থিম:

আলী ইবন আবি তালিব ও মু'আয ইবন জাবাল রাদিয়াল্লাহু <'আনহুমা থেকে মারফূ' হিসেবে বর্ণিত, "যখন তোমাদের কেউ সালাতে উপস্থিত হয় আর ইমাম একটি অবস্থায় থাকে, তখন সে তাই করবে যেমন ইমাম করবে।"
থিম:

إذا أتى أحدكم الصلاة والإمام على حال من قيام أو ركوع أو سجود أو قعود، فليوافق الإمام فيما هو فيه من القيام أو الركوع أو غير ذلك، ولا ينتظر حتى يقوم الإمام كما يفعله العوام.
থিম:

যখন তোমাদের কেউ সালাতে উপস্থিত হয় আর ইমাম একটি অবস্থায় থাকে, যেমন দাঁড়ানো বা রুকূ বা সিজদা বা বসা অবস্থায় আছে সে যেন দাঁড়ানো বা রুকূ ইত্যাদিতে ইমামের অনুসরণ করে। ইমামের দাঁড়ানোর অপেক্ষা করবে না। যেমনটি সাধারণ মানুষ করে থাকে। Esin Hadith Grade English


[সহীহ]    ← →   

[এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।] Esin Hadith Language


>

bn

Esin Hadith URL Links



 
তথ্যসূত্র: হাদিস বিশ্বকোষ @ 11310





© EsinIslam.Com Designed & produced by The Awqaf London. Please pray for us